
প্রতিবেদক, বিডিজেন

ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড প্রবাসী কর্মীর সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করবে। এটি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের শিক্ষাবৃত্তি।
১. এসএসসি ও সমমান–২০২৫
# প্রবাসে কর্মরত কর্মীর সন্তানের ক্ষেত্রে:
বিজ্ঞানে জিপিএ–৫.০০, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে জিপিএ–৪.৭৫।
# প্রবাসে মৃত প্রবাসী কর্মীর সন্তানের ক্ষেত্রে:
বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে জিপিএ–৪.০০।
২. এইচএসসি ও সমমান–২০২৪
# প্রবাসে কর্মরত কর্মীর সন্তানের ক্ষেত্রে:
বিজ্ঞানে জিপিএ–৪.৮০, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে জিপিএ–৪.৫০।
# প্রবাসে মৃত প্রবাসী কর্মীর সন্তানের ক্ষেত্রে:
বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে জিপিএ–৪.০০।
৩. ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং–২০২৪
# প্রবাসে কর্মরত কর্মীর সন্তানের ক্ষেত্রে:
জিপিএ–৩.৫০।
# প্রবাসে মৃত প্রবাসী কর্মীর সন্তানের ক্ষেত্রে:
জিপিএ–৩.০০।
১. মা–বাবা প্রবাসী কর্মী হওয়ার সপক্ষে প্রমাণ।
২. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের মোবাইল ফোন নম্বরসহ প্রত্যয়নপত্র।
৩. প্রবাসে মৃত কর্মীর সন্তানদের ক্ষেত্রে দূতাবাসের প্রত্যয়নপত্র।
৪. শিক্ষার্থীর যেকোনো ব্যাংকের হিসাব নম্বর ও রাউটিং নম্বরসহ স্টেটমেন্ট।
৫. শিক্ষার্থীর এক কপি ছবি ও স্বাক্ষর।
৬. শিক্ষার্থীর এনআইডি কার্ডের কপি।
শিক্ষাবৃত্তি প্রদানের মেয়াদ
১. এসএসসি ও সমমান ক্যাটাগরিতে শিক্ষাবৃত্তির জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীদের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত দুই বছর ও ডিপ্লোমা শ্রেণিতে অধ্যয়নরতদের জন্য চার বছর।
২. এইচএসসি ও সমমান ক্যাটাগরিতে শিক্ষাবৃত্তির জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে স্নাতক পর্যায়ে তিন বছর বা স্নাতক সম্মান পর্যায়ে চার বছর ও মেডিকেলের জন্য পাঁচ বছরের বৃত্তি প্রদান করা হবে।
৩. ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যাটাগরিতে বৃত্তির জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীদের চার বছরের বৃত্তি প্রদান করা হবে।
১. অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। অনলাইনে আবেদনের
লিংক:http://stipen.wewb.gov.bd/stipend/#/
২. অনলাইনে আবেদনের সময়সীমা: ২৫ নভেম্বর ২০২৫।
# বিস্তারিত তথ্য পেতে দেখুন: https://wewb.gov.bd/

ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড প্রবাসী কর্মীর সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করবে। এটি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের শিক্ষাবৃত্তি।
১. এসএসসি ও সমমান–২০২৫
# প্রবাসে কর্মরত কর্মীর সন্তানের ক্ষেত্রে:
বিজ্ঞানে জিপিএ–৫.০০, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে জিপিএ–৪.৭৫।
# প্রবাসে মৃত প্রবাসী কর্মীর সন্তানের ক্ষেত্রে:
বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে জিপিএ–৪.০০।
২. এইচএসসি ও সমমান–২০২৪
# প্রবাসে কর্মরত কর্মীর সন্তানের ক্ষেত্রে:
বিজ্ঞানে জিপিএ–৪.৮০, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে জিপিএ–৪.৫০।
# প্রবাসে মৃত প্রবাসী কর্মীর সন্তানের ক্ষেত্রে:
বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে জিপিএ–৪.০০।
৩. ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং–২০২৪
# প্রবাসে কর্মরত কর্মীর সন্তানের ক্ষেত্রে:
জিপিএ–৩.৫০।
# প্রবাসে মৃত প্রবাসী কর্মীর সন্তানের ক্ষেত্রে:
জিপিএ–৩.০০।
১. মা–বাবা প্রবাসী কর্মী হওয়ার সপক্ষে প্রমাণ।
২. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের মোবাইল ফোন নম্বরসহ প্রত্যয়নপত্র।
৩. প্রবাসে মৃত কর্মীর সন্তানদের ক্ষেত্রে দূতাবাসের প্রত্যয়নপত্র।
৪. শিক্ষার্থীর যেকোনো ব্যাংকের হিসাব নম্বর ও রাউটিং নম্বরসহ স্টেটমেন্ট।
৫. শিক্ষার্থীর এক কপি ছবি ও স্বাক্ষর।
৬. শিক্ষার্থীর এনআইডি কার্ডের কপি।
শিক্ষাবৃত্তি প্রদানের মেয়াদ
১. এসএসসি ও সমমান ক্যাটাগরিতে শিক্ষাবৃত্তির জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীদের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত দুই বছর ও ডিপ্লোমা শ্রেণিতে অধ্যয়নরতদের জন্য চার বছর।
২. এইচএসসি ও সমমান ক্যাটাগরিতে শিক্ষাবৃত্তির জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে স্নাতক পর্যায়ে তিন বছর বা স্নাতক সম্মান পর্যায়ে চার বছর ও মেডিকেলের জন্য পাঁচ বছরের বৃত্তি প্রদান করা হবে।
৩. ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যাটাগরিতে বৃত্তির জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীদের চার বছরের বৃত্তি প্রদান করা হবে।
১. অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। অনলাইনে আবেদনের
লিংক:http://stipen.wewb.gov.bd/stipend/#/
২. অনলাইনে আবেদনের সময়সীমা: ২৫ নভেম্বর ২০২৫।
# বিস্তারিত তথ্য পেতে দেখুন: https://wewb.gov.bd/
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”