
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশ পুলিশের সংস্কারের জন্য জনসাধারণের মতামত জানতে চেয়েছে পুলিশ সংস্কার কমিশন। ১৫ নভেম্বরের মধ্যে এ–সংক্রান্ত মতামত দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
পুলিশ সংস্কার কমিশনের ওয়েবসাইটে ‘কেমন পুলিশ চাই’ শীর্ষক এক জনমত জরিপ বিজ্ঞপ্তিতে এ অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৫ নভেম্বরের মধ্যে
https://forms.gle/kcXcL247eTbp3fHk6
লিংকে অথবা পুলিশ সংস্কার কমিশনের
https://www.prc.mhapsd.gov.bd/
ওয়েবসাইটে ঢুকে মতামত দেওয়া যাবে।
এখানে ‘কেমন পুলিশ চাই’ বিষয়ে একটি প্রশ্নমালা আছে। তা পূরণ করে সবাইকে মূল্যবান মতামত দিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মতামত গোপন রাখা হবে। মতামতগুলো শুধু পুলিশ সংস্কারের জন্য ব্যবহার করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিটিতে পুলিশ সংস্কার কমিশনের সদস্যসচিব ও জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন স্বাক্ষর করেন। এতে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে প্রতিহত করতে কিছু পুলিশ সহিংস ভূমিকা পালন করে। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে পুলিশের সংস্কার এখন সময়ের দাবি।

বাংলাদেশ পুলিশের সংস্কারের জন্য জনসাধারণের মতামত জানতে চেয়েছে পুলিশ সংস্কার কমিশন। ১৫ নভেম্বরের মধ্যে এ–সংক্রান্ত মতামত দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
পুলিশ সংস্কার কমিশনের ওয়েবসাইটে ‘কেমন পুলিশ চাই’ শীর্ষক এক জনমত জরিপ বিজ্ঞপ্তিতে এ অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৫ নভেম্বরের মধ্যে
https://forms.gle/kcXcL247eTbp3fHk6
লিংকে অথবা পুলিশ সংস্কার কমিশনের
https://www.prc.mhapsd.gov.bd/
ওয়েবসাইটে ঢুকে মতামত দেওয়া যাবে।
এখানে ‘কেমন পুলিশ চাই’ বিষয়ে একটি প্রশ্নমালা আছে। তা পূরণ করে সবাইকে মূল্যবান মতামত দিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মতামত গোপন রাখা হবে। মতামতগুলো শুধু পুলিশ সংস্কারের জন্য ব্যবহার করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিটিতে পুলিশ সংস্কার কমিশনের সদস্যসচিব ও জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন স্বাক্ষর করেন। এতে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে প্রতিহত করতে কিছু পুলিশ সহিংস ভূমিকা পালন করে। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে পুলিশের সংস্কার এখন সময়ের দাবি।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।