
বিডিজেন ডেস্ক

কাতারের রাজধানী দোহায় ইন্টারন্যাশনাল এআই সার্ভিং হোমল্যান্ড সিকিউরিটি অ্যান্ড সেফটি কনফারেন্স শেষ হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তার ব্যাপারে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের বিষয়ে দুটি সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই দুই সেশনের শিরোনাম ছিল যথাক্রমে 'নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা' এবং 'কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের ক্ষেত্রে সুযোগ ও নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ'। এই দুই সেশনে একাধিক বেশ কয়েকটি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হয়। কাতারের ইংরেজি সংবাদমাধ্যম পেনিনসুয়েলায় প্রকাশিত এক খবরে এ তথ্য জানান হয়।
'নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভূমিকা' পেপারে কাতারের আকাশ, স্থল ও সমুদ্র বন্দরে ব্যবহৃত এআই অ্যাপ্লিকেশনগুলির সাথে অপরাধ তদন্ত এবং পুলিশ প্রশিক্ষণের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। প্রাথমিক সতর্কতা ব্যবস্থাকে সমর্থন করে এমন এআই অ্যাপ্লিকেশনগুলোকে হাইলাইট করেছে।
গবেষণাপত্রটি হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং হামাদ আন্তর্জাতিক বন্দরের সর্বশেষ ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তিগুলি তুলে ধরে। যেমন চোখের স্ক্যানিং সরঞ্জাম। এ সংক্রান্ত আলোচনায় এসেছে, কাতার দ্বারা আয়োজিত বড় ইভেন্টগুলিকে সুরক্ষিত করার জন্য কীভাবে রোবট তৈরি করা হচ্ছে।
দ্বিতীয় গবেষণাপত্রে ‘এআই ব্যবহারে পুলিশ বাহিনী ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ভূমিকা’ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি জ্ঞানের আদান-প্রদান এবং অপরাধ মোকাবেলায় বিশ্বের সকল দেশের মধ্যে প্রচেষ্টার সমন্বয়ের কথা বলা হয়েছে।
রিয়েল-টাইম ক্রাউড অ্যান্ড ট্রান্সপোর্টেশন ম্যানেজমেন্ট ইউজিং এআই' পেপারটি ভিড় এবং পরিবহন ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল উদ্ভাবন, ফিফা বিশ্বকাপ কাতার ২০২২-এর সময় অপারেশন, নিরাপত্তা এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার উন্নতি এবং যোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে চ্যালেঞ্জ এবং শিক্ষাগুলিকে তুলে ধরে।
চূড়ান্ত অধিবেশনে দুটি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হয়। প্রথমটি হজ মৌসুমে ভিড় ব্যবস্থাপনায় উন্নত দৃষ্টিভঙ্গি এবং দ্বিতীয়টি অপরাধের ব্যাপারে আইন প্রয়োগের বিষয়ে এআই ভূমিকা পালন করে।

কাতারের রাজধানী দোহায় ইন্টারন্যাশনাল এআই সার্ভিং হোমল্যান্ড সিকিউরিটি অ্যান্ড সেফটি কনফারেন্স শেষ হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তার ব্যাপারে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের বিষয়ে দুটি সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই দুই সেশনের শিরোনাম ছিল যথাক্রমে 'নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা' এবং 'কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের ক্ষেত্রে সুযোগ ও নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ'। এই দুই সেশনে একাধিক বেশ কয়েকটি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হয়। কাতারের ইংরেজি সংবাদমাধ্যম পেনিনসুয়েলায় প্রকাশিত এক খবরে এ তথ্য জানান হয়।
'নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভূমিকা' পেপারে কাতারের আকাশ, স্থল ও সমুদ্র বন্দরে ব্যবহৃত এআই অ্যাপ্লিকেশনগুলির সাথে অপরাধ তদন্ত এবং পুলিশ প্রশিক্ষণের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। প্রাথমিক সতর্কতা ব্যবস্থাকে সমর্থন করে এমন এআই অ্যাপ্লিকেশনগুলোকে হাইলাইট করেছে।
গবেষণাপত্রটি হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং হামাদ আন্তর্জাতিক বন্দরের সর্বশেষ ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তিগুলি তুলে ধরে। যেমন চোখের স্ক্যানিং সরঞ্জাম। এ সংক্রান্ত আলোচনায় এসেছে, কাতার দ্বারা আয়োজিত বড় ইভেন্টগুলিকে সুরক্ষিত করার জন্য কীভাবে রোবট তৈরি করা হচ্ছে।
দ্বিতীয় গবেষণাপত্রে ‘এআই ব্যবহারে পুলিশ বাহিনী ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ভূমিকা’ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি জ্ঞানের আদান-প্রদান এবং অপরাধ মোকাবেলায় বিশ্বের সকল দেশের মধ্যে প্রচেষ্টার সমন্বয়ের কথা বলা হয়েছে।
রিয়েল-টাইম ক্রাউড অ্যান্ড ট্রান্সপোর্টেশন ম্যানেজমেন্ট ইউজিং এআই' পেপারটি ভিড় এবং পরিবহন ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল উদ্ভাবন, ফিফা বিশ্বকাপ কাতার ২০২২-এর সময় অপারেশন, নিরাপত্তা এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার উন্নতি এবং যোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে চ্যালেঞ্জ এবং শিক্ষাগুলিকে তুলে ধরে।
চূড়ান্ত অধিবেশনে দুটি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হয়। প্রথমটি হজ মৌসুমে ভিড় ব্যবস্থাপনায় উন্নত দৃষ্টিভঙ্গি এবং দ্বিতীয়টি অপরাধের ব্যাপারে আইন প্রয়োগের বিষয়ে এআই ভূমিকা পালন করে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।