
বিডিজেন ডেস্ক

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর হামলা ও হত্যার মামলায় কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শেখ জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শেখ জাকির একই ইউনিয়ন শাখার আওয়ামী লীগের সভাপতির পদে আছেন।
খবর প্রথম আলোর।
গতকাল শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থেকে জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ শনিবার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, শেখ জাকিরের বিরুদ্ধে ২টি হত্যা মামলাসহ মোট ৪টি মামলা আছে।
বাঙ্গরা বাজার থানা-পুলিশ সূত্র জানায়, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলা ও গুলি করে শিক্ষার্থী হত্যার ঘটনায় রাজধানীর রামপুরা থানার একটি মামলার পরোয়ানাভুক্ত পলাতক অভিযুক্ত শেখ জাকির হোসেন। ওই মামলায় শুক্রবার রাতে পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন শেখ জাকির। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, ড্রেজার ব্যবসা, জমি দখল থেকে শুরু করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন। ২০২২ সালে দলীয় ক্ষমতার প্রভাবে ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের দোকানে প্রকাশ্যে তালা দিয়ে চাঁদা আদায় করতেন। তাঁর ভয়ে অনেকেই মুখ খুলতেন না। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলেও এলাকায় তাঁর প্রভাব ছিল।
বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘রাজধানীর রামপুরা থানা শেখ জাকিরকে গ্রেপ্তারের জন্য আমাদের কাছে সহায়তা চায়। পরে অভিযান চালিয়ে শুক্রবার রাতে তাঁকে বাঙ্গরা বাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাতেই তাঁকে রামপুরা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমন করতে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন শেখ জাকির।’
সূত্র: প্রথম আলো

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর হামলা ও হত্যার মামলায় কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শেখ জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শেখ জাকির একই ইউনিয়ন শাখার আওয়ামী লীগের সভাপতির পদে আছেন।
খবর প্রথম আলোর।
গতকাল শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থেকে জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ শনিবার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, শেখ জাকিরের বিরুদ্ধে ২টি হত্যা মামলাসহ মোট ৪টি মামলা আছে।
বাঙ্গরা বাজার থানা-পুলিশ সূত্র জানায়, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলা ও গুলি করে শিক্ষার্থী হত্যার ঘটনায় রাজধানীর রামপুরা থানার একটি মামলার পরোয়ানাভুক্ত পলাতক অভিযুক্ত শেখ জাকির হোসেন। ওই মামলায় শুক্রবার রাতে পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন শেখ জাকির। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, ড্রেজার ব্যবসা, জমি দখল থেকে শুরু করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন। ২০২২ সালে দলীয় ক্ষমতার প্রভাবে ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের দোকানে প্রকাশ্যে তালা দিয়ে চাঁদা আদায় করতেন। তাঁর ভয়ে অনেকেই মুখ খুলতেন না। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলেও এলাকায় তাঁর প্রভাব ছিল।
বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘রাজধানীর রামপুরা থানা শেখ জাকিরকে গ্রেপ্তারের জন্য আমাদের কাছে সহায়তা চায়। পরে অভিযান চালিয়ে শুক্রবার রাতে তাঁকে বাঙ্গরা বাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাতেই তাঁকে রামপুরা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমন করতে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন শেখ জাকির।’
সূত্র: প্রথম আলো
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”