
প্রতিবেদক, বিডিজেন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনের উদ্দেশে রওনা হতে আজ মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) রাত ১০টা ৫১ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন। তাঁর গাড়িবহর ৮ নম্বর গেট দিয়ে বিমানবন্দরে প্রবেশ করেছে।
চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের কর্মকর্তারা ইতিমধ্যে ইমিগ্রেশনের জন্য প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছেন। এর আগে, রাত সোয়া ৮টায় খালেদা জিয়া গুলশানের বাসভবন থেকে বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হন।
বিএনপির প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে বিকেল থেকেই খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবনের সামনে দলের নেতাকর্মীরা ভিড় করতে শুরু করেন।
সন্ধ্যা ৬টার দিকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের অন্য নেতারা বিদায়ী শুভেচ্ছা জানাতে তাঁর বাসভবনে যান।
বিএনপি জানিয়েছে, হিথ্রো বিমানবন্দরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানাবেন।
খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, হৃদরোগ ও কিডনি সমস্যাসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনের উদ্দেশে রওনা হতে আজ মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) রাত ১০টা ৫১ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন। তাঁর গাড়িবহর ৮ নম্বর গেট দিয়ে বিমানবন্দরে প্রবেশ করেছে।
চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের কর্মকর্তারা ইতিমধ্যে ইমিগ্রেশনের জন্য প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছেন। এর আগে, রাত সোয়া ৮টায় খালেদা জিয়া গুলশানের বাসভবন থেকে বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হন।
বিএনপির প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে বিকেল থেকেই খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবনের সামনে দলের নেতাকর্মীরা ভিড় করতে শুরু করেন।
সন্ধ্যা ৬টার দিকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের অন্য নেতারা বিদায়ী শুভেচ্ছা জানাতে তাঁর বাসভবনে যান।
বিএনপি জানিয়েছে, হিথ্রো বিমানবন্দরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানাবেন।
খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, হৃদরোগ ও কিডনি সমস্যাসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।