
বিডিজেন ডেস্ক

পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) তিন সদস্য নিহত হয়েছেন।
বুধবার (৩০ অক্টোবর) পানছড়ি উপজেলার শান্তিরঞ্জন পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- সিজন চাকমা, শাসন ত্রিপুরা ও জয়েন চাকমা।
ইউপিডিএফের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সকাল ১০টার দিকে একদল দুর্বৃত্ত সেখানে উপস্থিত হয়ে তাদের তিন নেতাকর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। ঘটনাস্থলেই নিহত হন তাঁরা।
পানছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন জানান, তারা গোলাগুলির শব্দ শুনেছেন, তবে দুর্গম এলাকায় হত্যাকাণ্ড ঘটায় লাশ উদ্ধার করতে সময় লাগবে।
এর আগে ২৪ জানুয়ারি খাগড়াছড়ির মহালছড়ির দুরছড়ি গ্রামে ইউপিডিএফের দুই সদস্যকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।
এদিকে এ ঘটনার প্রতিবাদে খাগড়াছড়ি জেলায় বৃহস্পতিবার সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ঘোষণা করেছে ইউপিডিএফ।
উল্লেখ্য, পাহাড়ে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য বিরোধে জড়িয়ে আছে, আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল জনসংহতি সমিতি (জেএসএস), জনসংহতি সমিতি (এমএন লারমা), ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) এবং প্রসিত খীসার নেতৃত্বাধীন ইউপিডিএফ।

পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) তিন সদস্য নিহত হয়েছেন।
বুধবার (৩০ অক্টোবর) পানছড়ি উপজেলার শান্তিরঞ্জন পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- সিজন চাকমা, শাসন ত্রিপুরা ও জয়েন চাকমা।
ইউপিডিএফের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সকাল ১০টার দিকে একদল দুর্বৃত্ত সেখানে উপস্থিত হয়ে তাদের তিন নেতাকর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। ঘটনাস্থলেই নিহত হন তাঁরা।
পানছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন জানান, তারা গোলাগুলির শব্দ শুনেছেন, তবে দুর্গম এলাকায় হত্যাকাণ্ড ঘটায় লাশ উদ্ধার করতে সময় লাগবে।
এর আগে ২৪ জানুয়ারি খাগড়াছড়ির মহালছড়ির দুরছড়ি গ্রামে ইউপিডিএফের দুই সদস্যকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।
এদিকে এ ঘটনার প্রতিবাদে খাগড়াছড়ি জেলায় বৃহস্পতিবার সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ঘোষণা করেছে ইউপিডিএফ।
উল্লেখ্য, পাহাড়ে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য বিরোধে জড়িয়ে আছে, আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল জনসংহতি সমিতি (জেএসএস), জনসংহতি সমিতি (এমএন লারমা), ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) এবং প্রসিত খীসার নেতৃত্বাধীন ইউপিডিএফ।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।