
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামান পদত্যাগ করছেন। আজ রোববার (৩১ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে নিজ স্বাক্ষরযুক্ত পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন তিনি। সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল কর্তৃক অনুসন্ধান চলমান ছিল। এ মাসের ২৬ আগস্ট সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে মো. আখতারুজ্জামানের বিষয়ে চূড়ান্ত শুনানি সম্পন্ন হয়।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের পতনের পর একই বছর ১৬ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন রেজিস্ট্রার জেনারেল জানিয়েছিলেন, হাইকোর্ট বিভাগের ১২ বিচারপতিকে প্রাথমিকভাবে কোনো বেঞ্চ দেওয়া হচ্ছে না। ওই দিনের পর বিচারকাজ থেকে দূরে ছিলেন বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামান। এরপর সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত কার্যক্রম চলমান ছিল।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামান পদত্যাগ করছেন। আজ রোববার (৩১ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে নিজ স্বাক্ষরযুক্ত পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন তিনি। সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল কর্তৃক অনুসন্ধান চলমান ছিল। এ মাসের ২৬ আগস্ট সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে মো. আখতারুজ্জামানের বিষয়ে চূড়ান্ত শুনানি সম্পন্ন হয়।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের পতনের পর একই বছর ১৬ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন রেজিস্ট্রার জেনারেল জানিয়েছিলেন, হাইকোর্ট বিভাগের ১২ বিচারপতিকে প্রাথমিকভাবে কোনো বেঞ্চ দেওয়া হচ্ছে না। ওই দিনের পর বিচারকাজ থেকে দূরে ছিলেন বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামান। এরপর সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত কার্যক্রম চলমান ছিল।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”