
প্রতিবেদক, বিডিজেন

এমনিতেই ফেইজ আউটের সিদ্ধান্ত ছিল। এর মধ্যে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়টি আরও ত্বরাণ্বিত করেছে। বলা যায় অনেকটা আগুনেই শেষ হয়ে গেল রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) মালিকানাধীন এমটি বাংলার সৌরভের চলাচল। এ ক্ষত দগদগে থাকতেই তার পিছু নিল বাংলার জ্যোতি।
বাংলার সৌরভ জাহাজটি থেকে তেল খালাসের পরই এটিকে ফেইজ আউট করে বহর থেকে প্রত্যাহার করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিএসসি। কিন্তু তার একদিন আগে জাহাজটিতে বিস্ফোরণ এবং অগ্নিকাণ্ড হয়। বিএসসি একই সাথে এমটি বাংলার জ্যোতিকেও ফেইজ আউট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই দুটি অয়েল ট্যাঙ্কারকে শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসসি।
সরকারি অনুমোদের পর জাহাজ দুটি স্ক্র্যাপ করার জন্য বিক্রি করে দেওয়া হবে। অবশেষে একসঙ্গে ইতি ঘটছে দুটি অধ্যায়ের। টানা ৩৭ বছর বাংলার সৌরভ ও জ্যোতি কত সাগর-উপসাগর-মহাসাগরে ছড়িয়ে দিয়েছে। অথচ একেবারে শেষ দিকে এসে জাহাজ দুটিতে পাঁচ দিনের ব্যবধানে বিস্ফোরণ এবং অগ্নিকাণ্ড সবাইকে ঠিকই বিচলিত করেছে।
সূত্রে জানা যায়, ডেনমার্কের শিপইয়ার্ডে তৈরির পর ১৯৮৭ সালের মে মাসে ১৪ হাজার ৫৪১ টন ধারণক্ষমতার এমটি বাংলার জ্যোতি বিএসসির বহরে যুক্ত হয়। পরের মাসেই বহরে যুক্ত হয় একই শিপইয়ার্ডে তৈরি ও একই ধারণক্ষমতার এমটি বাংলার সৌরভ। জাহাজ দুটি দীর্ঘদিন ধরে বিএসসির বহরে আন্তর্জাতিক রুটে চলাচল করলেও গত কয়েক বছর এগুলো কেবলমাত্র বহির্নোঙর থেকে পতেঙ্গার গুপ্তখাল ডলফিন জেটিতে জ্বালানি তেল পরিবহনে ব্যবহৃত হচ্ছিল।
সাধারণত সমুদ্রগামী জাহাজের লাইফটাইম ২৫ বছর পর্যন্ত ধরা হয়। কিন্তু দেশের প্রয়োজনে এই দুটি অয়েল ট্যাঙ্কারকে ৩৭ বছর ধরে চালানো হচ্ছিল। জাহাজ দুটিকে এক বছর আগে স্ক্র্যাপ হিসেবে ভেঙে ফেলার চিন্তাভাবনা করা হলেও জ্বালানি তেল পরিবহনের কথা মাথায় রেখে বিপুল অর্থ খরচ করে জাহাজ দুটিকে সচল রাখা হয়েছিল।
বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কমডোর মাহমুদুল মালেক বলেন, এমটি বাংলার সৌরভ ও এমটি বাংলার জ্যোতি আর সমুদ্রে ভাসবে না। দুটি জাহাজকে ফেইজ আউট করে বহর থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। এই দুটি জাহাজকে শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে ভেঙে ফেলা হবে। অনেক আগেই জাহাজ দুটিকে বহর থেকে প্রত্যাহার করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু দেশের জ্বালানি তেল পরিবহনের স্বার্থে তা করতে পারিনি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এমটি বাংলার সৌরভ জাহাজটির শেষ যাত্রার একদিন আগেই অগ্নিকাণ্ড হলো। জাহাজ দুটি আর চালানোর অবস্থায় নেই।

এমনিতেই ফেইজ আউটের সিদ্ধান্ত ছিল। এর মধ্যে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়টি আরও ত্বরাণ্বিত করেছে। বলা যায় অনেকটা আগুনেই শেষ হয়ে গেল রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) মালিকানাধীন এমটি বাংলার সৌরভের চলাচল। এ ক্ষত দগদগে থাকতেই তার পিছু নিল বাংলার জ্যোতি।
বাংলার সৌরভ জাহাজটি থেকে তেল খালাসের পরই এটিকে ফেইজ আউট করে বহর থেকে প্রত্যাহার করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিএসসি। কিন্তু তার একদিন আগে জাহাজটিতে বিস্ফোরণ এবং অগ্নিকাণ্ড হয়। বিএসসি একই সাথে এমটি বাংলার জ্যোতিকেও ফেইজ আউট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই দুটি অয়েল ট্যাঙ্কারকে শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসসি।
সরকারি অনুমোদের পর জাহাজ দুটি স্ক্র্যাপ করার জন্য বিক্রি করে দেওয়া হবে। অবশেষে একসঙ্গে ইতি ঘটছে দুটি অধ্যায়ের। টানা ৩৭ বছর বাংলার সৌরভ ও জ্যোতি কত সাগর-উপসাগর-মহাসাগরে ছড়িয়ে দিয়েছে। অথচ একেবারে শেষ দিকে এসে জাহাজ দুটিতে পাঁচ দিনের ব্যবধানে বিস্ফোরণ এবং অগ্নিকাণ্ড সবাইকে ঠিকই বিচলিত করেছে।
সূত্রে জানা যায়, ডেনমার্কের শিপইয়ার্ডে তৈরির পর ১৯৮৭ সালের মে মাসে ১৪ হাজার ৫৪১ টন ধারণক্ষমতার এমটি বাংলার জ্যোতি বিএসসির বহরে যুক্ত হয়। পরের মাসেই বহরে যুক্ত হয় একই শিপইয়ার্ডে তৈরি ও একই ধারণক্ষমতার এমটি বাংলার সৌরভ। জাহাজ দুটি দীর্ঘদিন ধরে বিএসসির বহরে আন্তর্জাতিক রুটে চলাচল করলেও গত কয়েক বছর এগুলো কেবলমাত্র বহির্নোঙর থেকে পতেঙ্গার গুপ্তখাল ডলফিন জেটিতে জ্বালানি তেল পরিবহনে ব্যবহৃত হচ্ছিল।
সাধারণত সমুদ্রগামী জাহাজের লাইফটাইম ২৫ বছর পর্যন্ত ধরা হয়। কিন্তু দেশের প্রয়োজনে এই দুটি অয়েল ট্যাঙ্কারকে ৩৭ বছর ধরে চালানো হচ্ছিল। জাহাজ দুটিকে এক বছর আগে স্ক্র্যাপ হিসেবে ভেঙে ফেলার চিন্তাভাবনা করা হলেও জ্বালানি তেল পরিবহনের কথা মাথায় রেখে বিপুল অর্থ খরচ করে জাহাজ দুটিকে সচল রাখা হয়েছিল।
বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কমডোর মাহমুদুল মালেক বলেন, এমটি বাংলার সৌরভ ও এমটি বাংলার জ্যোতি আর সমুদ্রে ভাসবে না। দুটি জাহাজকে ফেইজ আউট করে বহর থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। এই দুটি জাহাজকে শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে ভেঙে ফেলা হবে। অনেক আগেই জাহাজ দুটিকে বহর থেকে প্রত্যাহার করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু দেশের জ্বালানি তেল পরিবহনের স্বার্থে তা করতে পারিনি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এমটি বাংলার সৌরভ জাহাজটির শেষ যাত্রার একদিন আগেই অগ্নিকাণ্ড হলো। জাহাজ দুটি আর চালানোর অবস্থায় নেই।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।