
বিডিজেন ডেস্ক

২০২৪ সালের জুলাইয়ে এক যুবদল কর্মী নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) সকালে গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আদালতে হাজির করা হলে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের (সিএমএম) অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছানাউল্লাহ এই আদেশ দেন।
আদালতে কর্মরত একজন উপপরিদর্শক সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
২০২৪ সালের ১৮ জুলাই ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকায় যুবদল কর্মী আব্দুল কাইয়ুম আহাদ হত্যার ঘটনায় এ মামলা করা হয়েছিল।
গত ৬ জুলাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নোয়াখালী জেলা শাখার নেতা আলাউদ্দিন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক এবং আরও ৪৬৫ জনকে অভিযুক্ত করে যাত্রাবাড়ী থানায় এ মামলা করেন।
তাঁকে আদালতে হাজির করা হলে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের একটি অংশ তাঁর বিরুদ্ধে মিছিল করে।
এর আগে আজ সকালে রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডি এলাকার একটি বাসা থেকে বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে আটক করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। পরে তাঁকে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে ২০১৩ সালের ২৩ জুলাই ৩ বছরের জন্য আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ মেয়াদ শেষে কয়েক দফা কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে তাঁকে পুনর্নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০২৪ সালৈর ১৩ আগস্ট তিনি কমিশনের চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের বিরুদ্ধে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানায় এ হত্যা মামলা ছাড়াও নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানায় জালজালিয়াতি করে রায় দেওয়া এবং রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে মামলা রয়েছে। ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও বিএনপির ফতুল্লা থানা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবদুল বারী ভূঁইয়া বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
আরও পড়ুন

২০২৪ সালের জুলাইয়ে এক যুবদল কর্মী নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) সকালে গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আদালতে হাজির করা হলে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের (সিএমএম) অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছানাউল্লাহ এই আদেশ দেন।
আদালতে কর্মরত একজন উপপরিদর্শক সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
২০২৪ সালের ১৮ জুলাই ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকায় যুবদল কর্মী আব্দুল কাইয়ুম আহাদ হত্যার ঘটনায় এ মামলা করা হয়েছিল।
গত ৬ জুলাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নোয়াখালী জেলা শাখার নেতা আলাউদ্দিন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক এবং আরও ৪৬৫ জনকে অভিযুক্ত করে যাত্রাবাড়ী থানায় এ মামলা করেন।
তাঁকে আদালতে হাজির করা হলে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের একটি অংশ তাঁর বিরুদ্ধে মিছিল করে।
এর আগে আজ সকালে রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডি এলাকার একটি বাসা থেকে বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে আটক করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। পরে তাঁকে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে ২০১৩ সালের ২৩ জুলাই ৩ বছরের জন্য আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ মেয়াদ শেষে কয়েক দফা কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে তাঁকে পুনর্নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০২৪ সালৈর ১৩ আগস্ট তিনি কমিশনের চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের বিরুদ্ধে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানায় এ হত্যা মামলা ছাড়াও নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানায় জালজালিয়াতি করে রায় দেওয়া এবং রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে মামলা রয়েছে। ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও বিএনপির ফতুল্লা থানা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবদুল বারী ভূঁইয়া বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
আরও পড়ুন
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”