
বিডিজেন ডেস্ক

অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার অভিযোগে করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন শুনানির তারিখ পিছিয়ে আগামী ২১ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছে আদালত।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক আব্দুস সালামের আদালত এ তারিখ ধার্য করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী জানান, এই মামলায় কারাগারে থাকা ২৫ অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। আল মারুফ নামে আরেক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তবে এ কে এম আক্তারুজ্জামান নামে এক অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করা হয়নি। তাই আদালত অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ২১ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন।
আদালত সুত্রে জানা গেছে, গত বছরের ২৭ মার্চ শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে আদালতে মামলাটি করেন সিআইডির সহকারী বিশেষ পুলিশ সুপার মো. এনামুল হক। তদন্ত শেষে গত ৩০ জুলাই শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তিনি।
এরপর ১৪ আগস্ট অভিযোগপত্র গ্রহণ করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। গত ১১ সেপ্টেম্বর অভিযুক্তদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। ১৪ অক্টোবর শেখ হাসিনাসহ পলাতক ২৬১ জনকে আদালতে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ১১ নভেম্বর মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর এক জুম মিটিংয়ে শেখ হাসিনাসহ কয়েকজন অংশ নেন। এ সময় শেখ হাসিনা নেতা–কর্মীদের উদ্দেশে দেশবিরোধী বক্তব্য এবং বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে উৎখাতের নির্দেশ দেন। ওই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার অভিযোগে করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন শুনানির তারিখ পিছিয়ে আগামী ২১ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছে আদালত।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক আব্দুস সালামের আদালত এ তারিখ ধার্য করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী জানান, এই মামলায় কারাগারে থাকা ২৫ অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। আল মারুফ নামে আরেক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তবে এ কে এম আক্তারুজ্জামান নামে এক অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করা হয়নি। তাই আদালত অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ২১ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন।
আদালত সুত্রে জানা গেছে, গত বছরের ২৭ মার্চ শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে আদালতে মামলাটি করেন সিআইডির সহকারী বিশেষ পুলিশ সুপার মো. এনামুল হক। তদন্ত শেষে গত ৩০ জুলাই শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তিনি।
এরপর ১৪ আগস্ট অভিযোগপত্র গ্রহণ করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। গত ১১ সেপ্টেম্বর অভিযুক্তদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। ১৪ অক্টোবর শেখ হাসিনাসহ পলাতক ২৬১ জনকে আদালতে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ১১ নভেম্বর মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর এক জুম মিটিংয়ে শেখ হাসিনাসহ কয়েকজন অংশ নেন। এ সময় শেখ হাসিনা নেতা–কর্মীদের উদ্দেশে দেশবিরোধী বক্তব্য এবং বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে উৎখাতের নির্দেশ দেন। ওই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।