
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জনের যাত্রা ত্বরান্বিত করতে পিকেএসএফের কর্মক্ষেত্র, কর্মপরিধি ও কর্মপন্থায় নতুন মাত্রা যোগ করতে যাচ্ছে। এর ফলে দেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন, দারিদ্র্য পরিস্থিতির বিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে মানুষের বহুমুখী চাহিদা পূরণ সম্ভব হবে এবং জাতীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হবে।
এ লক্ষ্যে রোববার (২২ জুন) রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে পিকেএসএফ ভবনে আয়োজিত এক সভায় পিকেএসএফের সাধারণ পর্ষদ ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের কাছে খসড়া ‘পিকেএসএফ কৌশলগত পরিকল্পনা (২০২৫-২০৩০)’ উপস্থাপন করা হয়।
পিকেএসএফের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের।

সভায় জানানো হয়, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই মানুষের বিদ্যমান চাহিদার নিরীখে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে। সময়ের পরিক্রমায় বিবর্তিত চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে নতুন নতুন কার্যক্রম সফলতার সাথে বাস্তবায়ন করেছে শীর্ষ এ উন্নয়ন সংস্থা। এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নের মান, কার্যকারিতা এবং ফলাফলের প্রেক্ষিতে পিকেএসএফ আজ দেশে-বিদেশে সমাদৃত। তবে, বিদ্যমান আর্থ-সামাজিক, প্রাযুক্তিক ও দারিদ্র্য পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে নতুনত্ব আনার সুযোগ রয়েছে মনে করে পিকেএসএফ। এ লক্ষ্যেই ‘পিকেএসএফ কৌশলগত পরিকল্পনা (২০২৫-২০৩০)’ প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ খসড়া কৌশলগত পরিকল্পনার ওপর উপস্থাপনা প্রদান করেন পিকেএসএফের মহাব্যবস্থাপক ড. এ কে এম নুরুজ্জামান।
এর আগে, গত ১৭ জুন পিকেএসএফ ভবনে আয়োজিত ‘পিকেএসএফ কৌশল ২০৩০’ শীর্ষক এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও উন্নয়ন বিশেষজ্ঞবৃন্দ খসড়া এ কৌশলগত পরিকল্পনা পর্যালোচনা করেন। তারা পিকেএসএফের সার্বিক কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং খসড়া কৌশলগত পরিকল্পনা বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করেন।
বাস্তবায়িত হলে ‘পিকেএসএফ কৌশলগত পরিকল্পনা (২০২৫-২০৩০)’ দেশের সুবিধাবঞ্চিত, নিম্ন-আয়ের মানুষের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির ধারাকে আরও বেগবান করবে বলে সভায় বক্তারা আশা প্রকাশ করেন। কৌশলগত পরিকল্পনাটি আগামী ২৯ জুন অনুমোদিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জনের যাত্রা ত্বরান্বিত করতে পিকেএসএফের কর্মক্ষেত্র, কর্মপরিধি ও কর্মপন্থায় নতুন মাত্রা যোগ করতে যাচ্ছে। এর ফলে দেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন, দারিদ্র্য পরিস্থিতির বিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে মানুষের বহুমুখী চাহিদা পূরণ সম্ভব হবে এবং জাতীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হবে।
এ লক্ষ্যে রোববার (২২ জুন) রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে পিকেএসএফ ভবনে আয়োজিত এক সভায় পিকেএসএফের সাধারণ পর্ষদ ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের কাছে খসড়া ‘পিকেএসএফ কৌশলগত পরিকল্পনা (২০২৫-২০৩০)’ উপস্থাপন করা হয়।
পিকেএসএফের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের।

সভায় জানানো হয়, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই মানুষের বিদ্যমান চাহিদার নিরীখে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে। সময়ের পরিক্রমায় বিবর্তিত চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে নতুন নতুন কার্যক্রম সফলতার সাথে বাস্তবায়ন করেছে শীর্ষ এ উন্নয়ন সংস্থা। এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নের মান, কার্যকারিতা এবং ফলাফলের প্রেক্ষিতে পিকেএসএফ আজ দেশে-বিদেশে সমাদৃত। তবে, বিদ্যমান আর্থ-সামাজিক, প্রাযুক্তিক ও দারিদ্র্য পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে নতুনত্ব আনার সুযোগ রয়েছে মনে করে পিকেএসএফ। এ লক্ষ্যেই ‘পিকেএসএফ কৌশলগত পরিকল্পনা (২০২৫-২০৩০)’ প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ খসড়া কৌশলগত পরিকল্পনার ওপর উপস্থাপনা প্রদান করেন পিকেএসএফের মহাব্যবস্থাপক ড. এ কে এম নুরুজ্জামান।
এর আগে, গত ১৭ জুন পিকেএসএফ ভবনে আয়োজিত ‘পিকেএসএফ কৌশল ২০৩০’ শীর্ষক এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও উন্নয়ন বিশেষজ্ঞবৃন্দ খসড়া এ কৌশলগত পরিকল্পনা পর্যালোচনা করেন। তারা পিকেএসএফের সার্বিক কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং খসড়া কৌশলগত পরিকল্পনা বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করেন।
বাস্তবায়িত হলে ‘পিকেএসএফ কৌশলগত পরিকল্পনা (২০২৫-২০৩০)’ দেশের সুবিধাবঞ্চিত, নিম্ন-আয়ের মানুষের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির ধারাকে আরও বেগবান করবে বলে সভায় বক্তারা আশা প্রকাশ করেন। কৌশলগত পরিকল্পনাটি আগামী ২৯ জুন অনুমোদিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিজ্ঞপ্তি
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”