
প্রতিবেদক, বিডিজেন

চলতি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনী প্রস্তুতি সম্পন্ন করার জন্য নির্দেশনা দেওয়ায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, 'ড. ইউনূসকে ধন্যবাদ জানাতে চাই তাঁর নির্বাচনী প্রস্তুতি সংক্রান্ত নির্দেশনার জন্য। এটি অত্যন্ত ইতিবাচক একটি উদ্যোগ। আমরা চাই, আগামীর নির্বাচন যেন অবাধ, নিরপেক্ষ ও সর্বজনগ্রাহ্য হয়।'
সীমান্ত হত্যা নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, 'সীমান্ত হত্যা কোনোভাবেই হালকাভাবে নেওয়ার বিষয় নয়।’
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য ৩৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ প্রসঙ্গে ফখরুল বলেন, ‘এ ধরনের শুল্ক আরোপ পোশাকশিল্পকে মুখ থুবড়ে ফেলতে পারে। এটি দেশের অর্থনীতির জন্য বড় সংকট তৈরি করবে। সরকারকে অবশ্যই এই বিষয়ে গুরুত্বসহকারে পদক্ষেপ নিতে হবে।’
অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, “স্বৈরাচার চলে গেলেও তার মানসিকতা এখনো সমাজে রয়ে গেছে। তরুণ নেতৃত্বের কেউ কেউ বলছেন—‘অমুক না হলে তমুক হবে না’। এই মনোভাব আর স্বৈরতান্ত্রিক আচরণ এক ও অভিন্ন। ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে—এই ভাষা গণতান্ত্রিক সমাজের নয়।’
তিনি আরও বলেন, 'জুলাই অভ্যুত্থানের পর মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। এই বিজয় ধরে রাখতে প্রয়োজন ধৈর্য ও সহনশীলতা। জনগণ সব দেখছে—তাদের বোকা ভাবা ঠিক হবে না। অতীতে যারা এই ধরনের দম্ভোক্তি করেছেন, তারা আজ ইতিহাসে নেই। বাংলার মানুষ এসব কখনো মেনে নেয়নি, ভবিষ্যতেও নেবে না।'

চলতি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনী প্রস্তুতি সম্পন্ন করার জন্য নির্দেশনা দেওয়ায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, 'ড. ইউনূসকে ধন্যবাদ জানাতে চাই তাঁর নির্বাচনী প্রস্তুতি সংক্রান্ত নির্দেশনার জন্য। এটি অত্যন্ত ইতিবাচক একটি উদ্যোগ। আমরা চাই, আগামীর নির্বাচন যেন অবাধ, নিরপেক্ষ ও সর্বজনগ্রাহ্য হয়।'
সীমান্ত হত্যা নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, 'সীমান্ত হত্যা কোনোভাবেই হালকাভাবে নেওয়ার বিষয় নয়।’
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য ৩৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ প্রসঙ্গে ফখরুল বলেন, ‘এ ধরনের শুল্ক আরোপ পোশাকশিল্পকে মুখ থুবড়ে ফেলতে পারে। এটি দেশের অর্থনীতির জন্য বড় সংকট তৈরি করবে। সরকারকে অবশ্যই এই বিষয়ে গুরুত্বসহকারে পদক্ষেপ নিতে হবে।’
অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, “স্বৈরাচার চলে গেলেও তার মানসিকতা এখনো সমাজে রয়ে গেছে। তরুণ নেতৃত্বের কেউ কেউ বলছেন—‘অমুক না হলে তমুক হবে না’। এই মনোভাব আর স্বৈরতান্ত্রিক আচরণ এক ও অভিন্ন। ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে—এই ভাষা গণতান্ত্রিক সমাজের নয়।’
তিনি আরও বলেন, 'জুলাই অভ্যুত্থানের পর মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। এই বিজয় ধরে রাখতে প্রয়োজন ধৈর্য ও সহনশীলতা। জনগণ সব দেখছে—তাদের বোকা ভাবা ঠিক হবে না। অতীতে যারা এই ধরনের দম্ভোক্তি করেছেন, তারা আজ ইতিহাসে নেই। বাংলার মানুষ এসব কখনো মেনে নেয়নি, ভবিষ্যতেও নেবে না।'
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।