
বিডিজেন ডেস্ক

গাজীপুরে চন্দ্রা-নবীনগর সড়ক অবরোধ করে বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিক্ষোভ করেছেন দুই কারখানার শ্রমিকেরা। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে আহত সহকর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ, উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং বকেয়া বেতন পরিশোধ।
হা–মীম গ্রুপের দ্যাটস ইট নিটওয়্যার কারখানার শ্রমিকেরা ১১ দফা দাবিতে বিক্ষোভ করেন। অন্যদিকে বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের কারখানা শ্রমিকেরা বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেন।
এতে মহাসড়কে চলাচলকারী লোকজন চরম ভোগান্তির শিকার হন। অনেক গাড়ি বিকল্প পথে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও ধামরাই-কালিয়াকৈর আঞ্চলিক সড়ক ব্যবহার করে ঢাকার সঙ্গে চলাচল করে।
শ্রমিকেরা জানান, বুধবার (২০ নভেম্বর) জিরানী এলাকার হা–মীম গ্রুপের দ্যাটস ইট নিটওয়্যার কারখানার সামনে বাসচাপায় তাদের ৩ শ্রমিক আহত হন। এর প্রতিবাদে আহতদের জন্য ক্ষতিপূরণ, ফ্লাইওভার নির্মাণ ও কারখানার অব্যবস্থাপনা দূর করাসহ ১১ দফার দাবিতে বৃহস্পতিবার সকালে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেন।
অপরদিকে, চক্রবর্তী এলাকায় এক মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের কারখানার শ্রমিকেরা বৃহস্পতিবার ষষ্ঠ দিনের মতো সকাল থেকে চন্দ্রা-নবীনগর মহাসড়ক অবরোধ করেন।
শ্রমিকেরা মহাসড়ক অবরোধ করায় নানা শ্রেণি-পেশার লোকজন ভোগান্তিতে পড়েন। তবে উত্তরবঙ্গের যানবাহন বিকল্প পথ গাজীপুরের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও ধামরাই-কালিয়াকৈর আঞ্চলিক সড়ক ব্যবহার করে ঢাকার সঙ্গে চলাচল করে।
ঘটনাস্থলে সেনাসদস্যরা ও শিল্প পুলিশ এসে শ্রমিকদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরানোর চেষ্টা করে।

গাজীপুরে চন্দ্রা-নবীনগর সড়ক অবরোধ করে বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিক্ষোভ করেছেন দুই কারখানার শ্রমিকেরা। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে আহত সহকর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ, উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং বকেয়া বেতন পরিশোধ।
হা–মীম গ্রুপের দ্যাটস ইট নিটওয়্যার কারখানার শ্রমিকেরা ১১ দফা দাবিতে বিক্ষোভ করেন। অন্যদিকে বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের কারখানা শ্রমিকেরা বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেন।
এতে মহাসড়কে চলাচলকারী লোকজন চরম ভোগান্তির শিকার হন। অনেক গাড়ি বিকল্প পথে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও ধামরাই-কালিয়াকৈর আঞ্চলিক সড়ক ব্যবহার করে ঢাকার সঙ্গে চলাচল করে।
শ্রমিকেরা জানান, বুধবার (২০ নভেম্বর) জিরানী এলাকার হা–মীম গ্রুপের দ্যাটস ইট নিটওয়্যার কারখানার সামনে বাসচাপায় তাদের ৩ শ্রমিক আহত হন। এর প্রতিবাদে আহতদের জন্য ক্ষতিপূরণ, ফ্লাইওভার নির্মাণ ও কারখানার অব্যবস্থাপনা দূর করাসহ ১১ দফার দাবিতে বৃহস্পতিবার সকালে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেন।
অপরদিকে, চক্রবর্তী এলাকায় এক মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের কারখানার শ্রমিকেরা বৃহস্পতিবার ষষ্ঠ দিনের মতো সকাল থেকে চন্দ্রা-নবীনগর মহাসড়ক অবরোধ করেন।
শ্রমিকেরা মহাসড়ক অবরোধ করায় নানা শ্রেণি-পেশার লোকজন ভোগান্তিতে পড়েন। তবে উত্তরবঙ্গের যানবাহন বিকল্প পথ গাজীপুরের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও ধামরাই-কালিয়াকৈর আঞ্চলিক সড়ক ব্যবহার করে ঢাকার সঙ্গে চলাচল করে।
ঘটনাস্থলে সেনাসদস্যরা ও শিল্প পুলিশ এসে শ্রমিকদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরানোর চেষ্টা করে।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।