
বিডিজেন ডেস্ক

অবৈধভাবে ইতালি যাওয়ার পথে মাদারীপুরের রাজৈরের দুই তরুণের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ৪ মার্চ লিবিয়ার ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে তাদের মৃত্যু হয়। তবে দুই তরুণের পরিবার মৃত্যুর খবরটি পেয়েছে রোববার (৯ মার্চ) রাতে। ওই দুই তরুণ হলেন মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার বদরপাশা ইউনিয়নের চরমস্তফাপুর গ্রামের আবু হাওলাদারের ছেলে সুমন হাওলাদার (২২) ও একই উপজেলার শাখারপাড়ের সিদ্দিক মাতুব্বরের ছেলে নাসির মাতুব্বর (৩০)।
খবর প্রথম আলোর।
স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, ভাগ্যের চাকা পরিবর্তনের আশায় লিবিয়া হয়ে ইতালি যাওয়ার উদ্দেশ্যে গত ৮ ফেব্রুয়ারি বাড়ি থেকে বের হন চরমস্তফাপুর গ্রামের সুমন হাওলাদার ও শাখারপাড় গ্রামের নাসির। প্রথমে ঢাকা থেকে দুবাই হয়ে তাদের লিবিয়া নিয়ে যায় দালাল চক্র। লিবিয়া পৌঁছে ৪ মার্চ ইঞ্জিনচালিত নৌকায় ইতালির উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন ওই দুই তরুণসহ ১০ যুবক। মাঝপথে ভূমধ্যসাগরে নৌকার ইঞ্জিনে আগুন ধরে যায়। আগুন থেকে বাঁচতে অভিবাসনপ্রত্যাশী অনেকেই সাগরে ঝাঁপ দেন। এ সময় সাগরে নিখোঁজ হন সুমন ও নাসির। রোববার রাতে ইতালি ও লিবিয়ায় বসবাসরত স্বজন ও দালালদের মাধ্যমে সুমন ও নাসিরের মৃত্যুর খবর পায় তাদের পরিবার।
সুমনের বাবা আবু হাওলাদার বলেন, ‘সাত দিন ধরে আমার ছেলের কোনো খবর নেই। গতকাল (রোববার) রাতে লিবিয়া থেকে এক দালাল জানিয়েছে যে আমার ছেলে আর নেই। আমরা যে দালাল ধরেছি, সেই দালালের সঙ্গেও কোনো যোগাযোগ নেই। তিনি ফোন ধরেন না। জায়গাজমি বেঁচে ধারদেনা করে ছেলেডারে ইতালি পাঠাইতে গিয়ে সব শেষ হয়ে গেল।’
স্বজনেরা জানান, মানব পাচার চক্রের সদস্য রাজৈরের শাখারপাড়ের আলী মোল্লার ছেলে আরিফ মোল্লা ও নওগাঁ জেলার দিপু নামের এক দালাল ইতালি নেওয়ার কথা বলে সুমন ও নাসিরের পরিবারের কাছ থেকে প্রায় ৩৫ লাখ টাকা নেয়। এ বিষয়ে আরিফ মোল্লার বাড়িতে গিয়ে তাঁকে পাওয়া যায়নি। তাঁর মুঠোফোন নম্বরটিও বন্ধ। তবে আরিফের এক নিকটাত্মীয় ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই ব্যক্তি বলেন, ‘আরিফ এই পর্যন্ত যাদের ইতালি নিছে, কেউ বিপদে পড়েনি। এই প্রথম দুজন নিখোঁজ হলো। শুনেছি, তারা মারা গেছেন।’
অভিযুক্ত আরিফ মোল্লার খালু ও প্রতিবেশী মো. রাশেদ হাওলাদার জানান, আরিফ বর্তমানে লিবিয়ায় আছেন। তাঁর বাবা আলী মোল্লা এ পর্যন্ত ২০ থেকে ২৫ জনকে ইতালি নিয়েছেন। কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। আরিফ কিংবা তাঁর বাবা জোর করে কারও কাছ থেকে পাসপোর্ট আর টাকা চান না। বাড়িতে এসে কান্নাকাটি করে মানুষ পাসপোর্ট ও টাকা দিয়ে যান। এ ঘটনায় আরিফ কিংবা তাঁর বাবার কোনো দোষ নেই।
মাদারীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী সুজন ভৌমিক জানান, এলাকার মাফিয়া ও দালালেরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আটক হলেও মূল হোতারা থাকেন লিবিয়া, ইতালিসহ অন্য জায়গায়। তারা কখনোই গ্রেপ্তার হন না। এ জন্যই এই অপরাধের প্রবণতা কমছে না। মূল হোতাদের আইনের আওতায় আনা হলে মানবপাচার জেলা থেকে কমে যাবে।
রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদ খান বলেন, দুই তরুণের মৃত্যুর বিষয়ে পুলিশের কাছে তথ্য এসেছে। এ বিষয়ে নিহত ব্যক্তিদের পরিবার দালালদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, চলতি বছর অবৈধভাবে ইতালি যাওয়ার পথে মাদারীপুর জেলার অন্তত ১৬ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে গত ২৪ জানুয়ারি মৃত্যু হয় রাজৈর উপজেলার ১০ ও সদর উপজেলার ১ তরুণের।
সূত্র: প্রথম আলো

অবৈধভাবে ইতালি যাওয়ার পথে মাদারীপুরের রাজৈরের দুই তরুণের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ৪ মার্চ লিবিয়ার ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে তাদের মৃত্যু হয়। তবে দুই তরুণের পরিবার মৃত্যুর খবরটি পেয়েছে রোববার (৯ মার্চ) রাতে। ওই দুই তরুণ হলেন মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার বদরপাশা ইউনিয়নের চরমস্তফাপুর গ্রামের আবু হাওলাদারের ছেলে সুমন হাওলাদার (২২) ও একই উপজেলার শাখারপাড়ের সিদ্দিক মাতুব্বরের ছেলে নাসির মাতুব্বর (৩০)।
খবর প্রথম আলোর।
স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, ভাগ্যের চাকা পরিবর্তনের আশায় লিবিয়া হয়ে ইতালি যাওয়ার উদ্দেশ্যে গত ৮ ফেব্রুয়ারি বাড়ি থেকে বের হন চরমস্তফাপুর গ্রামের সুমন হাওলাদার ও শাখারপাড় গ্রামের নাসির। প্রথমে ঢাকা থেকে দুবাই হয়ে তাদের লিবিয়া নিয়ে যায় দালাল চক্র। লিবিয়া পৌঁছে ৪ মার্চ ইঞ্জিনচালিত নৌকায় ইতালির উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন ওই দুই তরুণসহ ১০ যুবক। মাঝপথে ভূমধ্যসাগরে নৌকার ইঞ্জিনে আগুন ধরে যায়। আগুন থেকে বাঁচতে অভিবাসনপ্রত্যাশী অনেকেই সাগরে ঝাঁপ দেন। এ সময় সাগরে নিখোঁজ হন সুমন ও নাসির। রোববার রাতে ইতালি ও লিবিয়ায় বসবাসরত স্বজন ও দালালদের মাধ্যমে সুমন ও নাসিরের মৃত্যুর খবর পায় তাদের পরিবার।
সুমনের বাবা আবু হাওলাদার বলেন, ‘সাত দিন ধরে আমার ছেলের কোনো খবর নেই। গতকাল (রোববার) রাতে লিবিয়া থেকে এক দালাল জানিয়েছে যে আমার ছেলে আর নেই। আমরা যে দালাল ধরেছি, সেই দালালের সঙ্গেও কোনো যোগাযোগ নেই। তিনি ফোন ধরেন না। জায়গাজমি বেঁচে ধারদেনা করে ছেলেডারে ইতালি পাঠাইতে গিয়ে সব শেষ হয়ে গেল।’
স্বজনেরা জানান, মানব পাচার চক্রের সদস্য রাজৈরের শাখারপাড়ের আলী মোল্লার ছেলে আরিফ মোল্লা ও নওগাঁ জেলার দিপু নামের এক দালাল ইতালি নেওয়ার কথা বলে সুমন ও নাসিরের পরিবারের কাছ থেকে প্রায় ৩৫ লাখ টাকা নেয়। এ বিষয়ে আরিফ মোল্লার বাড়িতে গিয়ে তাঁকে পাওয়া যায়নি। তাঁর মুঠোফোন নম্বরটিও বন্ধ। তবে আরিফের এক নিকটাত্মীয় ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই ব্যক্তি বলেন, ‘আরিফ এই পর্যন্ত যাদের ইতালি নিছে, কেউ বিপদে পড়েনি। এই প্রথম দুজন নিখোঁজ হলো। শুনেছি, তারা মারা গেছেন।’
অভিযুক্ত আরিফ মোল্লার খালু ও প্রতিবেশী মো. রাশেদ হাওলাদার জানান, আরিফ বর্তমানে লিবিয়ায় আছেন। তাঁর বাবা আলী মোল্লা এ পর্যন্ত ২০ থেকে ২৫ জনকে ইতালি নিয়েছেন। কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। আরিফ কিংবা তাঁর বাবা জোর করে কারও কাছ থেকে পাসপোর্ট আর টাকা চান না। বাড়িতে এসে কান্নাকাটি করে মানুষ পাসপোর্ট ও টাকা দিয়ে যান। এ ঘটনায় আরিফ কিংবা তাঁর বাবার কোনো দোষ নেই।
মাদারীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী সুজন ভৌমিক জানান, এলাকার মাফিয়া ও দালালেরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আটক হলেও মূল হোতারা থাকেন লিবিয়া, ইতালিসহ অন্য জায়গায়। তারা কখনোই গ্রেপ্তার হন না। এ জন্যই এই অপরাধের প্রবণতা কমছে না। মূল হোতাদের আইনের আওতায় আনা হলে মানবপাচার জেলা থেকে কমে যাবে।
রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদ খান বলেন, দুই তরুণের মৃত্যুর বিষয়ে পুলিশের কাছে তথ্য এসেছে। এ বিষয়ে নিহত ব্যক্তিদের পরিবার দালালদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, চলতি বছর অবৈধভাবে ইতালি যাওয়ার পথে মাদারীপুর জেলার অন্তত ১৬ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে গত ২৪ জানুয়ারি মৃত্যু হয় রাজৈর উপজেলার ১০ ও সদর উপজেলার ১ তরুণের।
সূত্র: প্রথম আলো
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।