
বিডিজেন ডেস্ক

মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডে অবস্থানরত বাংলাদেশের নাগরিকেেরা নিরাপদ আছেন বলে জানিয়েছেন দেশ দুটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত। শুক্রবার (২৮ মার্চ) দেশ দুটিতে শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছে।
খবর আজকের পত্রিকার।
মিয়ানমারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মনোয়ার হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশের সব নাগরিক নিরাপদে আছেন।
অন্যদিকে থাইল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ফাইয়াজ মুরশিদ কাজী আজকের পত্রিকাকে বলেন, বাংলাদেশের সব নাগরিক নিরাপদে আছেন। কারও হতাহত হওয়ার তথ্য নেই।
রাষ্ট্রদূত ফাইয়াজ মুরশিদ আরও বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় আহত কিছু ব্যক্তি ব্যাংককে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। ভূমিকম্পের সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়। পরে আবার তাদের চিকিৎসা ব্যবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডে অবস্থানরত বাংলাদেশের নাগরিকেেরা নিরাপদ আছেন বলে জানিয়েছেন দেশ দুটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত। শুক্রবার (২৮ মার্চ) দেশ দুটিতে শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছে।
খবর আজকের পত্রিকার।
মিয়ানমারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মনোয়ার হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশের সব নাগরিক নিরাপদে আছেন।
অন্যদিকে থাইল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ফাইয়াজ মুরশিদ কাজী আজকের পত্রিকাকে বলেন, বাংলাদেশের সব নাগরিক নিরাপদে আছেন। কারও হতাহত হওয়ার তথ্য নেই।
রাষ্ট্রদূত ফাইয়াজ মুরশিদ আরও বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় আহত কিছু ব্যক্তি ব্যাংককে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। ভূমিকম্পের সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়। পরে আবার তাদের চিকিৎসা ব্যবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।