
বিডিজেন ডেস্ক

দেশে থ্যালাসেমিয়া রোগের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবিলায় সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচির আওতায় সারাদেশে সহযোগী সংস্থাগুলোর মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
আজ রোববার (৪ জানুয়ারি) রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে পিকেএসএফ ভবন–১-এ অনুষ্ঠিত স্বেচ্ছায় রক্তদান ও থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা কর্মসূচিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
পিকেএসএফ এবং বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি ও হাসপাতাল যৌথভাবে এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে পিকেএসএফের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের এবং বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি ও হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক ড. এ কে এম একরামুল হোসেন বক্তব্য দেন।
জাকির আহমেদ খান বলেন, থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে জনসচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। রোগটির ভয়াবহতা ও চিকিৎসার উচ্চ ব্যয়ের কথা বিবেচনা করে প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন।
সমন্বিত উদ্যোগ, নিয়মিত পরীক্ষা এবং সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমেই বাংলাদেশে থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ করা সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন।
মো. ফজলুল কাদের বলেন, বর্তমানে পিকেএসএফের সহযোগী সংস্থাগুলো দেশের প্রায় সোয়া ২ কোটি মানুষকে কাছে স্বাস্থ্য ও আর্থিক সুরক্ষাসহ নানাবিধ উন্নয়নমূলক সেবা পৌঁছে দিচ্ছে। এই বিস্তৃত কাঠামোকে কাজে লাগিয়ে বিয়ের আগে বর-কনের থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা, বাহক শনাক্তকরণ এবং আচরণগত পরিবর্তনের মাধ্যমে রোগটি প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

বাংলাদেশে থ্যালাসেমিয়া রোগীর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে উল্লেখ করে ড. এ কে এম একরামুল হোসেন বলেন, প্রতিবছর প্রায় ১৫ হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মগ্রহণ করছে। বর্তমানে দেশে প্রায় ১১ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ এ রোগের বাহক। এ প্রেক্ষাপটে সমাজে এ রোগ বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টির ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
বক্তারা বলেন, থ্যালাসেমিয়া একটি প্রতিরোধযোগ্য বংশগত রক্তের রোগ। স্বামী–স্ত্রী দুজনই থ্যালাসেমিয়ার বাহক হলে সন্তানের এ রোগ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তবে একজন বাহক এবং অন্যজন সুস্থ হলে সন্তানের থ্যালাসেমিয়া হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। তাই বিয়ের আগে হবু বর বা কনে থ্যালাসেমিয়ার বাহক কি না, তা জানা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে বিবাহ নিবন্ধনের সময় থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করারও প্রস্তাব দেন বক্তারা। সাইপ্রাস, ইতালি ও গ্রিসের মতো দেশে থ্যালাসেমিয়া বাহকদের মধ্যে বিয়ে নিরুৎসাহিত করা এবং বাধ্যতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়া রোগীর সংখ্যা প্রায় শূন্যে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।
আলোচনার পর, পিকেএসএফের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান রক্তদান কর্মসূচি উদ্বোধন করেন এবং স্বেচ্ছায় রক্তদানকারীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও উৎসাহ প্রদান করেন। পিকেএসএফের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। বিজ্ঞপ্তি

দেশে থ্যালাসেমিয়া রোগের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবিলায় সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচির আওতায় সারাদেশে সহযোগী সংস্থাগুলোর মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
আজ রোববার (৪ জানুয়ারি) রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে পিকেএসএফ ভবন–১-এ অনুষ্ঠিত স্বেচ্ছায় রক্তদান ও থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা কর্মসূচিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
পিকেএসএফ এবং বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি ও হাসপাতাল যৌথভাবে এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে পিকেএসএফের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের এবং বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি ও হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক ড. এ কে এম একরামুল হোসেন বক্তব্য দেন।
জাকির আহমেদ খান বলেন, থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে জনসচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। রোগটির ভয়াবহতা ও চিকিৎসার উচ্চ ব্যয়ের কথা বিবেচনা করে প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন।
সমন্বিত উদ্যোগ, নিয়মিত পরীক্ষা এবং সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমেই বাংলাদেশে থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ করা সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন।
মো. ফজলুল কাদের বলেন, বর্তমানে পিকেএসএফের সহযোগী সংস্থাগুলো দেশের প্রায় সোয়া ২ কোটি মানুষকে কাছে স্বাস্থ্য ও আর্থিক সুরক্ষাসহ নানাবিধ উন্নয়নমূলক সেবা পৌঁছে দিচ্ছে। এই বিস্তৃত কাঠামোকে কাজে লাগিয়ে বিয়ের আগে বর-কনের থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা, বাহক শনাক্তকরণ এবং আচরণগত পরিবর্তনের মাধ্যমে রোগটি প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

বাংলাদেশে থ্যালাসেমিয়া রোগীর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে উল্লেখ করে ড. এ কে এম একরামুল হোসেন বলেন, প্রতিবছর প্রায় ১৫ হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মগ্রহণ করছে। বর্তমানে দেশে প্রায় ১১ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ এ রোগের বাহক। এ প্রেক্ষাপটে সমাজে এ রোগ বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টির ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
বক্তারা বলেন, থ্যালাসেমিয়া একটি প্রতিরোধযোগ্য বংশগত রক্তের রোগ। স্বামী–স্ত্রী দুজনই থ্যালাসেমিয়ার বাহক হলে সন্তানের এ রোগ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তবে একজন বাহক এবং অন্যজন সুস্থ হলে সন্তানের থ্যালাসেমিয়া হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। তাই বিয়ের আগে হবু বর বা কনে থ্যালাসেমিয়ার বাহক কি না, তা জানা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে বিবাহ নিবন্ধনের সময় থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করারও প্রস্তাব দেন বক্তারা। সাইপ্রাস, ইতালি ও গ্রিসের মতো দেশে থ্যালাসেমিয়া বাহকদের মধ্যে বিয়ে নিরুৎসাহিত করা এবং বাধ্যতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়া রোগীর সংখ্যা প্রায় শূন্যে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।
আলোচনার পর, পিকেএসএফের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান রক্তদান কর্মসূচি উদ্বোধন করেন এবং স্বেচ্ছায় রক্তদানকারীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও উৎসাহ প্রদান করেন। পিকেএসএফের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। বিজ্ঞপ্তি
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”