
প্রতিবেদক, বিডিজেন

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া লঘুচাপটি স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। আর এর সঙ্গে যুক্ত আছে মৌসুমি বায়ু। এতে দেশের ২ বিভাগে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে আজ। ২ বিভাগের পাশাপাশি রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানেও বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। তবে আজ মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) বিকেলের মধ্যে নিম্নচাপটি দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আজ মঙ্গলবার দেওয়া পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রায় ৩ দিন তাপপ্রবাহের পর গতকাল সোমবার থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি বেড়ে যায়। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, এর কারণ সাগরের লঘুচাপ সৃষ্টি হয়। গতকাল বিকেলের দিকে এটি স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়। এ সময় দেশের প্রায় সর্বত্র বৃষ্টি হয়। এর মধ্যে যশোরে সর্বোচ্চ ১৪৩ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করে আবহাওয়া অফিস। রাজধানী ঢাকাতেও গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক বলেন, স্থল নিম্নচাপটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণাঞ্চলের দিকে অবস্থান করছে। আর এর প্রভাবে বাংলাদেশের খুলনা ও রাজশাহী বিভাগে আজ ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে।
আজ আবহাওয়া অধিদপ্তর এই ২ বিভাগে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণের সতর্কবার্তাও দিয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার কারণে এই ২ বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে।
যদি বৃষ্টির পরিমাণ ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটারের মধ্যে হয় তবে তা ভারী বৃষ্টি। আর ৮৮ মিলিমিটারের বেশি হলে তা অতিভারী বৃষ্টি।
তবে আজ বিকেলের দিকেই এই স্থল নিম্নচাপটি দুর্বল হয়ে যেতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে। এর ফলে আগামীকাল থেকে বৃষ্টির পরিমাণ খানিকটা কমে আসতে পারে বলে জানান ওমর ফারুক। তিনি বলেন, আগামীকাল বুধবার থেকে বৃষ্টি কিছুটা কমে আসার সম্ভাবনা থাকলেও তা একেবারে কমে যাবে না। আগামী শুক্রবার পর্যন্ত মোটামুটি বৃষ্টি হবে। তবে আগামী শনিবার থেকে পরের অন্তত তিন দিন বৃষ্টি কমে যেতে পারে। এরপর আবার বৃষ্টি হতে পারে।
আজ রাজধানীতে সকালে কয়েক পশলা বৃষ্টি হয়েছে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ প্রতিবেদন লেখার সময় বৃষ্টি ছিল। ওমর ফারুক বলেছেন, খুলনা ও রাজশাহীর অতিবৃষ্টির প্রভাবে রাজধানী ঢাকাতেও আজ আরও বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া লঘুচাপটি স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। আর এর সঙ্গে যুক্ত আছে মৌসুমি বায়ু। এতে দেশের ২ বিভাগে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে আজ। ২ বিভাগের পাশাপাশি রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানেও বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। তবে আজ মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) বিকেলের মধ্যে নিম্নচাপটি দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আজ মঙ্গলবার দেওয়া পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রায় ৩ দিন তাপপ্রবাহের পর গতকাল সোমবার থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি বেড়ে যায়। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, এর কারণ সাগরের লঘুচাপ সৃষ্টি হয়। গতকাল বিকেলের দিকে এটি স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়। এ সময় দেশের প্রায় সর্বত্র বৃষ্টি হয়। এর মধ্যে যশোরে সর্বোচ্চ ১৪৩ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করে আবহাওয়া অফিস। রাজধানী ঢাকাতেও গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক বলেন, স্থল নিম্নচাপটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণাঞ্চলের দিকে অবস্থান করছে। আর এর প্রভাবে বাংলাদেশের খুলনা ও রাজশাহী বিভাগে আজ ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে।
আজ আবহাওয়া অধিদপ্তর এই ২ বিভাগে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণের সতর্কবার্তাও দিয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার কারণে এই ২ বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে।
যদি বৃষ্টির পরিমাণ ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটারের মধ্যে হয় তবে তা ভারী বৃষ্টি। আর ৮৮ মিলিমিটারের বেশি হলে তা অতিভারী বৃষ্টি।
তবে আজ বিকেলের দিকেই এই স্থল নিম্নচাপটি দুর্বল হয়ে যেতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে। এর ফলে আগামীকাল থেকে বৃষ্টির পরিমাণ খানিকটা কমে আসতে পারে বলে জানান ওমর ফারুক। তিনি বলেন, আগামীকাল বুধবার থেকে বৃষ্টি কিছুটা কমে আসার সম্ভাবনা থাকলেও তা একেবারে কমে যাবে না। আগামী শুক্রবার পর্যন্ত মোটামুটি বৃষ্টি হবে। তবে আগামী শনিবার থেকে পরের অন্তত তিন দিন বৃষ্টি কমে যেতে পারে। এরপর আবার বৃষ্টি হতে পারে।
আজ রাজধানীতে সকালে কয়েক পশলা বৃষ্টি হয়েছে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ প্রতিবেদন লেখার সময় বৃষ্টি ছিল। ওমর ফারুক বলেছেন, খুলনা ও রাজশাহীর অতিবৃষ্টির প্রভাবে রাজধানী ঢাকাতেও আজ আরও বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।