
বিডিজেন ডেস্ক

রাজধানী ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ আরেক শিশু মারা গেছে।
গতকাল রোববার (২৭ জুলাই) রাত পৌনে ২টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। শিশুটির নাম সাহীল ফারাবী আয়ান (১৪)।
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আয়ানের শরীরের ৪০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
তিনি আরও জানান, এ নিয়ে ঘটনাটিতে ইনস্টিটিউটে ১৮ জনের মৃত্যু হলো। এখন ভর্তি আছে ৩৩ জন। যাদের মধ্যে ৩ জন এখনো আইসিইউতে ক্রিটিক্যাল অবস্থায় আছে।
সাহিল ফারাবি আয়ানের চাচা ডা. মোস্তফা কামাল আরেফিন জানান, আয়ান মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ইংরেজি ভার্সনের সপ্তম শ্রেণিতে পড়ালেখা করত। তার বাবার নাম মোহাম্মদ আলী মাসুদ। তারা মিরপুরের মধ্য মনিপুর এলাকার বাসিন্দা।
২১ জুলাই মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের অধিকাংশই শিক্ষার্থী।

রাজধানী ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ আরেক শিশু মারা গেছে।
গতকাল রোববার (২৭ জুলাই) রাত পৌনে ২টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। শিশুটির নাম সাহীল ফারাবী আয়ান (১৪)।
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আয়ানের শরীরের ৪০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
তিনি আরও জানান, এ নিয়ে ঘটনাটিতে ইনস্টিটিউটে ১৮ জনের মৃত্যু হলো। এখন ভর্তি আছে ৩৩ জন। যাদের মধ্যে ৩ জন এখনো আইসিইউতে ক্রিটিক্যাল অবস্থায় আছে।
সাহিল ফারাবি আয়ানের চাচা ডা. মোস্তফা কামাল আরেফিন জানান, আয়ান মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ইংরেজি ভার্সনের সপ্তম শ্রেণিতে পড়ালেখা করত। তার বাবার নাম মোহাম্মদ আলী মাসুদ। তারা মিরপুরের মধ্য মনিপুর এলাকার বাসিন্দা।
২১ জুলাই মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের অধিকাংশই শিক্ষার্থী।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।