
বাসস, ঢাকা

ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৮ প্রবাসীর মরদেহ দেশে ফিরেছে। তাদের মধ্যে ৭ জনকে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে ও ১ জনকে রাউজানে গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয়েছে।
আজ রোববার (১৯ অক্টোবর) সকালে সন্দ্বীপ ও রাউজানে নিহতদের দাফন সম্পন্ন হয়। এর আগে, শনিবার রাত সাড়ে ১০টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে তাদের মরদেহ চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। এরপর মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
নিহতরা হলেন— সন্দ্বীপের সারিকাইত ইউনিয়নের আমিন মাঝি, মো. আরজু, মো. রকি, সাহাব উদ্দিন, মো. বাবলু, মাইটভাঙা ইউনিয়নের মো. জুয়েল, রহমতপুরের মো. রনি, ও রাউজান উপজেলার চিকদাইর ইউনিয়নের ইউসুফের ছেলে আলাউদ্দিন।
শাহ আমানত বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মংচিংনু মারমা বলেন, ‘রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় এনামনাহার মাড় সংলগ্ন পূর্ব সন্দ্বীপ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নিহত ৭ জনের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর নিজ নিজ গ্রামে তাদের দাফন করা হয়।’
একইভাবে রাউজানের চিকদাইর গ্রামে আলাউদ্দিনকে দাফন করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ৮ অক্টোবর বিকেল ৪টার দিকে ওমানের দুখুম সিদ্দা এলাকায় মাছবাহী একটি বড় ট্রাকের ধাক্কায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে সন্দ্বীপের ৭ প্রবাসীসহ মোট ৮ জন নিহত হন।
মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর কারণে ওমানের বাংলাদেশ দূতাবাস, রাষ্ট্রদূত ও ওমান সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে নিহতদের পরিবার।

ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৮ প্রবাসীর মরদেহ দেশে ফিরেছে। তাদের মধ্যে ৭ জনকে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে ও ১ জনকে রাউজানে গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয়েছে।
আজ রোববার (১৯ অক্টোবর) সকালে সন্দ্বীপ ও রাউজানে নিহতদের দাফন সম্পন্ন হয়। এর আগে, শনিবার রাত সাড়ে ১০টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে তাদের মরদেহ চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। এরপর মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
নিহতরা হলেন— সন্দ্বীপের সারিকাইত ইউনিয়নের আমিন মাঝি, মো. আরজু, মো. রকি, সাহাব উদ্দিন, মো. বাবলু, মাইটভাঙা ইউনিয়নের মো. জুয়েল, রহমতপুরের মো. রনি, ও রাউজান উপজেলার চিকদাইর ইউনিয়নের ইউসুফের ছেলে আলাউদ্দিন।
শাহ আমানত বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মংচিংনু মারমা বলেন, ‘রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় এনামনাহার মাড় সংলগ্ন পূর্ব সন্দ্বীপ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নিহত ৭ জনের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর নিজ নিজ গ্রামে তাদের দাফন করা হয়।’
একইভাবে রাউজানের চিকদাইর গ্রামে আলাউদ্দিনকে দাফন করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ৮ অক্টোবর বিকেল ৪টার দিকে ওমানের দুখুম সিদ্দা এলাকায় মাছবাহী একটি বড় ট্রাকের ধাক্কায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে সন্দ্বীপের ৭ প্রবাসীসহ মোট ৮ জন নিহত হন।
মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর কারণে ওমানের বাংলাদেশ দূতাবাস, রাষ্ট্রদূত ও ওমান সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে নিহতদের পরিবার।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।