
বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নীতির কারণে বড় ধাক্কা খেয়েছে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি)। প্রতিষ্ঠানটির ১ হাজারের বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকরিচ্যুতির চিঠি দেওয়া হয়েছে। এসব কর্মকর্তা-কর্মচারী যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়নবিষয়ক সংস্থার (ইউএসএআইডি) অর্থায়নে পরিচালিত বিভিন্ন গবেষণা প্রকল্পে কাজ করতেন।
খবর প্রথম আলোর।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, ‘১ হাজারের বেশি মানুষকে টার্মিনেশন লেটার (চাকরিচ্যুতির চিঠি) দেওয়া হয়েছে। এসব কর্মকর্তা-কর্মচারী মূলত চুক্তিভিত্তিক কাজ করতেন।’
সবচেয়ে বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী কাজ হারিয়েছেন সংক্রামক রোগ বিভাগের যক্ষ্মাবিষয়ক কর্মসূচি থেকে। যক্ষ্মা কর্মসূচির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সরকারের জাতীয় যক্ষ্মানিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির সঙ্গে কাজ করতেন।
২৫ জানুয়ারি ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ইউএসএআইডির দপ্তর চিঠি দিয়ে বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) বা তাদের কাজের অংশীদার সব প্রতিষ্ঠানকে সব ধরনের কাজ তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ বা স্থগিত রাখতে বলেছে।
চিঠিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের উল্লেখ করা হয়। ওই নির্বাহী আদেশ বিদ্যমান বৈদেশিক সহায়তা দেওয়া স্থগিত ও নতুন সহায়তা বন্ধের কথা বলা হয়েছে। জরুরি খাদ্যসহায়তা এবং ইসরায়েল ও মিসরে সামরিক সহায়তা এই নির্বাহী আদেশের বাইরে থাকবে।
আইসিডিডিআরবির অনেক গবেষণায় অর্থায়ন করে ইউএসএআইডি। বার্ষিক বরাদ্দের ২০ শতাংশের বেশি অর্থ আসে ইউএসএআইডি থেকে। আইসিডিডিআরবিতে কাজ করেন ৫ হাজারের বেশি গবেষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী।
সূত্র: প্রথম আলো

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নীতির কারণে বড় ধাক্কা খেয়েছে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি)। প্রতিষ্ঠানটির ১ হাজারের বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকরিচ্যুতির চিঠি দেওয়া হয়েছে। এসব কর্মকর্তা-কর্মচারী যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়নবিষয়ক সংস্থার (ইউএসএআইডি) অর্থায়নে পরিচালিত বিভিন্ন গবেষণা প্রকল্পে কাজ করতেন।
খবর প্রথম আলোর।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, ‘১ হাজারের বেশি মানুষকে টার্মিনেশন লেটার (চাকরিচ্যুতির চিঠি) দেওয়া হয়েছে। এসব কর্মকর্তা-কর্মচারী মূলত চুক্তিভিত্তিক কাজ করতেন।’
সবচেয়ে বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী কাজ হারিয়েছেন সংক্রামক রোগ বিভাগের যক্ষ্মাবিষয়ক কর্মসূচি থেকে। যক্ষ্মা কর্মসূচির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সরকারের জাতীয় যক্ষ্মানিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির সঙ্গে কাজ করতেন।
২৫ জানুয়ারি ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ইউএসএআইডির দপ্তর চিঠি দিয়ে বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) বা তাদের কাজের অংশীদার সব প্রতিষ্ঠানকে সব ধরনের কাজ তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ বা স্থগিত রাখতে বলেছে।
চিঠিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের উল্লেখ করা হয়। ওই নির্বাহী আদেশ বিদ্যমান বৈদেশিক সহায়তা দেওয়া স্থগিত ও নতুন সহায়তা বন্ধের কথা বলা হয়েছে। জরুরি খাদ্যসহায়তা এবং ইসরায়েল ও মিসরে সামরিক সহায়তা এই নির্বাহী আদেশের বাইরে থাকবে।
আইসিডিডিআরবির অনেক গবেষণায় অর্থায়ন করে ইউএসএআইডি। বার্ষিক বরাদ্দের ২০ শতাংশের বেশি অর্থ আসে ইউএসএআইডি থেকে। আইসিডিডিআরবিতে কাজ করেন ৫ হাজারের বেশি গবেষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী।
সূত্র: প্রথম আলো
বৈঠক শেষে সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, “যেসব পোস্টাল ব্যালট বিভিন্নভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও আকার আসছে—বাসায় ২০০-৩০০ করে ব্যালট পাওয়া যাচ্ছে—কোথাও কোথাও জব্দ করা হচ্ছে।…প্রবাসীদের ভোটদানের এই নিয়মটা এই প্রথম এক্সারসাইজ হচ্ছে।
শবিফুল হাসান লিখেছেন, দেশে ফেরত আসা কর্মীদের ভাষ্যমতে, একই দিনে সৌদি এয়ারলাইনসের (SV812) একটি ফ্লাইটে সৌদি প্রশাসন প্রায় ৪০০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে ডিপোর্ট করে ঢাকায় পাঠায়।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে বকচর বিওপির একটি টহলদল বকচর সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের ভেতরে অভিযান চালায়। এ সময় পাচারকারী শাহিন আলীসহ চারজনকে আটক করা হয়।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, অভিবাসী ভিসা স্থগিতের ব্যাপারে আমেরিকা কতগুলো কারণ দিয়েছে। সেই কারণগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে এটা গতকালই মাত্র এসেছে। কাজেই আমরা নিশ্চয়ই আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আমাদের নিরাপত্তা উপদেষ্টা যারা আছেন, তারা এটা নিয়ে একটা কর্মকৌশল বের করবেন; আমেরিকাকে যুক্ত করবেন।