
প্রতিবেদক, বিডিজেন

রাজধানী ঢাকার কলাবাগান থানার ফ্রি স্কুল স্ট্রিট রোডের একটি ভাড়া বাসা থেকে আমেরিকায় অধ্যয়নরত এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার রাম নাদের নেহাল রনক (৩২)।
আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ভোরে চারতলা ভবনের চতুর্থ তলার একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ বিকেল ৩টার দিকে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
রনক মতিঝিল থানার আরামবাগ এলাকার বাসিন্দা এবং আজম শিকদারের ছেলে। তিনি আমেরিকার সিটি ইউনির্ভাসিটি অব নিউইয়র্কের অধীন কুইন্স কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন বলে স্বজনেরা জানিয়েছে।
কলাবাগান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আবু শরীফ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শয়নকক্ষ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে অস্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পরিবারের সদস্যদের বরাতে পুলিশ জানায়, নাদের নেহাল নিউইয়র্কে পড়াশোনা করতেন এবং তার বাবা সেখানে প্রবাসী। পারিবারিক ও মানসিক চাপের কারণে এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের অপেক্ষা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

রাজধানী ঢাকার কলাবাগান থানার ফ্রি স্কুল স্ট্রিট রোডের একটি ভাড়া বাসা থেকে আমেরিকায় অধ্যয়নরত এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার রাম নাদের নেহাল রনক (৩২)।
আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ভোরে চারতলা ভবনের চতুর্থ তলার একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ বিকেল ৩টার দিকে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
রনক মতিঝিল থানার আরামবাগ এলাকার বাসিন্দা এবং আজম শিকদারের ছেলে। তিনি আমেরিকার সিটি ইউনির্ভাসিটি অব নিউইয়র্কের অধীন কুইন্স কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন বলে স্বজনেরা জানিয়েছে।
কলাবাগান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আবু শরীফ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শয়নকক্ষ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে অস্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পরিবারের সদস্যদের বরাতে পুলিশ জানায়, নাদের নেহাল নিউইয়র্কে পড়াশোনা করতেন এবং তার বাবা সেখানে প্রবাসী। পারিবারিক ও মানসিক চাপের কারণে এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের অপেক্ষা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।