

বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) আরও ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে নভেম্বর মাসের ১৬ দিনে ডেঙ্গুতে ৯২ জনের মৃত্যু হলো।
শনিবার (১৬ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, শনিবার সকাল আটটা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৯৯৪ ব্যক্তি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ সময় ডেঙ্গুতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ৫ জন, উত্তর সিটিতে ২ এবং সিটির বাইরে চট্টগ্রাম বিভাগে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ৩৮৪ জন ঢাকা মহানগরের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছেন। এর বাইরে (সিটি করপোরেশন বাদে) ঢাকা বিভাগে ২৩৮, বরিশাল বিভাগে ১১৯, খুলনা বিভাগে ৭৪, চট্টগ্রাম বিভাগে ৬৫, রাজশাহী বিভাগে ৬১, ময়মনসিংহ বিভাগে ৪৬, রংপুর বিভাগে ৬ ও সিলেট বিভাগে ১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
২০২৪ সালের ১৬ নভেম্বর সকাল ৮টা পর্যন্ত ৪০৭ জন ডেঙ্গুতে প্রাণ হারিয়েছেন। এদের মধ্যে গত অক্টোবর মাসেই মৃত্যু হয়েছে ১৩৫ জনের। মৃতদের মধ্যে নারীর সংখ্যা বেশি।
এ ছাড়া চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৭৮ হাজার ৫৯৫ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে গত মাসেই ভর্তি হয়েছেন ৩০ হাজার ৮৭৯ জন। চলতি মাসে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৬ হাজার ৭৭৮ জন। আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষের সংখ্যা বেশি।
এ বছর এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ৮৪৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের এলাকার হাসপাতালগুলোতে। এরপরই আছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। সেখানে রোগী ভর্তির সংখ্যা এখন পর্যন্ত ১৪ হাজার ৩৪০। দুই সিটি করপোরেশনের বাইরে তৃতীয় সর্বোচ্চ রোগী ভর্তি হয়েছে ঢাকা বিভাগের হাসপাতালগুলোয়।
বাংলাদেশের ইতিহাসে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ সংক্রমণ ও মৃত্যু হয় ২০২৩ সালে। তখন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। আর মৃত্যু হয় ১ হাজার ৭০৫ জনের।
আরও পড়ুন

বাংলাদেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) আরও ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে নভেম্বর মাসের ১৬ দিনে ডেঙ্গুতে ৯২ জনের মৃত্যু হলো।
শনিবার (১৬ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, শনিবার সকাল আটটা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৯৯৪ ব্যক্তি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ সময় ডেঙ্গুতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ৫ জন, উত্তর সিটিতে ২ এবং সিটির বাইরে চট্টগ্রাম বিভাগে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ৩৮৪ জন ঢাকা মহানগরের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছেন। এর বাইরে (সিটি করপোরেশন বাদে) ঢাকা বিভাগে ২৩৮, বরিশাল বিভাগে ১১৯, খুলনা বিভাগে ৭৪, চট্টগ্রাম বিভাগে ৬৫, রাজশাহী বিভাগে ৬১, ময়মনসিংহ বিভাগে ৪৬, রংপুর বিভাগে ৬ ও সিলেট বিভাগে ১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
২০২৪ সালের ১৬ নভেম্বর সকাল ৮টা পর্যন্ত ৪০৭ জন ডেঙ্গুতে প্রাণ হারিয়েছেন। এদের মধ্যে গত অক্টোবর মাসেই মৃত্যু হয়েছে ১৩৫ জনের। মৃতদের মধ্যে নারীর সংখ্যা বেশি।
এ ছাড়া চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৭৮ হাজার ৫৯৫ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে গত মাসেই ভর্তি হয়েছেন ৩০ হাজার ৮৭৯ জন। চলতি মাসে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৬ হাজার ৭৭৮ জন। আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষের সংখ্যা বেশি।
এ বছর এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ৮৪৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের এলাকার হাসপাতালগুলোতে। এরপরই আছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। সেখানে রোগী ভর্তির সংখ্যা এখন পর্যন্ত ১৪ হাজার ৩৪০। দুই সিটি করপোরেশনের বাইরে তৃতীয় সর্বোচ্চ রোগী ভর্তি হয়েছে ঢাকা বিভাগের হাসপাতালগুলোয়।
বাংলাদেশের ইতিহাসে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ সংক্রমণ ও মৃত্যু হয় ২০২৩ সালে। তখন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। আর মৃত্যু হয় ১ হাজার ৭০৫ জনের।
আরও পড়ুন
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।