
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশে অপরাধের মাত্রা কমাতে প্রচলিত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি কমিউনিটিভিত্তিক অপরাধ প্রতিরোধ কৌশলকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। নজরদারি বৃদ্ধি এবং অপরাধ সংঘটনের সুযোগ কমিয়ে আনে এমন নগর নকশা করার মাধ্যমে অপরাধ প্রতিরোধ আরও কার্যকর করা সম্ভব। নিরাপদ বসবাস গড়ে তুলতে কমিউনিটির সম্পৃক্ততা, অপরাধের দৈনন্দিন পর্যবেক্ষণ এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে পিকেএসএফ ভবন-১-এ অনুষ্ঠিত ‘বিল্ডিং রেজিলিয়েন্ট কমিউনিটিস অ্যান্ড ইমপ্রুভিং লিভিং এনভায়রমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।
পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন। পিকেএসএফের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য অধ্যাপক ড. মো. তৌফিকুল ইসলাম ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। অনুষ্ঠানে কাগাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. তোমো ওকুবো ও ড. শিহো তানাকা এবং রিক্কিও বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. নাঅনরি কুসাকাবে বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক অপরাধ প্রতিরোধ শিক্ষা ও কমিউনিটি সাপোর্ট মডেল নিয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এ ছাড়া, এআইইউবির সহযোগী অধ্যাপক ড. বি এম সাজ্জাদ হোসেন, পিকেএসএফের সহযোগী সংস্থা বাস্তব-এর নির্বাহী পরিচালক রুহি দাস, সিদীপ-এর নির্বাহী পরিচালক মিফতা নাইম হুদা, টিএমএসএসের উপ-নির্বাহী পরিচালক মো. সোহরাব আলী খান এবং আরডিআরএস-বাংলাদেশ-এর পরিচালক তারিক সাইদ হারুন সেমিনারে বক্তব্য দেন।
বক্তারা বলেন, অপরাধ ‘মানুষের কারণে’ নয় বরং ‘পরিবেশগত কারণে’ বেশি ঘটে—এ ধারণার ওপর ভিত্তি করে কমিউনিটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। সেমিনারে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সামাজিক যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষত তরুণদের সম্পৃক্ততা, বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক টহল দল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের রুট ম্যাপিং এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার পর্যবেক্ষণে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ক্রমেই কমিউনিটি সেফটি নেটওয়ার্ককে শক্তিশালী করছে বলে বক্তারা উল্লেখ করেন। বক্তারা অপরাধ কারণ তত্ত্ব এবং অপরাধ সুযোগ তত্ত্বের পার্থক্য ব্যাখ্যা করে বলেন, পার্ক, পথচারী পথ, অবহেলিত এলাকা ও অন্ধকার স্থানগুলো নজরদারি না থাকায় এসব এলাকায় অপরাধ বেশি হয়।
সেমিনারের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ‘মিইমাই’ অপরাধ প্রতিরোধ অ্যাপ উপস্থাপন। এ অ্যাপের মাধ্যমে নাগরিকেরা নিরাপদ ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করতে, তাৎক্ষণিকভাবে তথ্য দিতে এবং ঝুঁকিপূর্ণ পথ এড়িয়ে চলার পথ নির্বাচন করতে পারেন। এটি সাধারণ হাঁটার মধ্যেই পর্যবেক্ষণ ও সতর্কতার একটি সংস্কৃতি তৈরি করে। বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশে অপরাধের মাত্রা কমাতে প্রচলিত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি কমিউনিটিভিত্তিক অপরাধ প্রতিরোধ কৌশলকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। নজরদারি বৃদ্ধি এবং অপরাধ সংঘটনের সুযোগ কমিয়ে আনে এমন নগর নকশা করার মাধ্যমে অপরাধ প্রতিরোধ আরও কার্যকর করা সম্ভব। নিরাপদ বসবাস গড়ে তুলতে কমিউনিটির সম্পৃক্ততা, অপরাধের দৈনন্দিন পর্যবেক্ষণ এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে পিকেএসএফ ভবন-১-এ অনুষ্ঠিত ‘বিল্ডিং রেজিলিয়েন্ট কমিউনিটিস অ্যান্ড ইমপ্রুভিং লিভিং এনভায়রমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।
পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন। পিকেএসএফের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য অধ্যাপক ড. মো. তৌফিকুল ইসলাম ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। অনুষ্ঠানে কাগাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. তোমো ওকুবো ও ড. শিহো তানাকা এবং রিক্কিও বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. নাঅনরি কুসাকাবে বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক অপরাধ প্রতিরোধ শিক্ষা ও কমিউনিটি সাপোর্ট মডেল নিয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এ ছাড়া, এআইইউবির সহযোগী অধ্যাপক ড. বি এম সাজ্জাদ হোসেন, পিকেএসএফের সহযোগী সংস্থা বাস্তব-এর নির্বাহী পরিচালক রুহি দাস, সিদীপ-এর নির্বাহী পরিচালক মিফতা নাইম হুদা, টিএমএসএসের উপ-নির্বাহী পরিচালক মো. সোহরাব আলী খান এবং আরডিআরএস-বাংলাদেশ-এর পরিচালক তারিক সাইদ হারুন সেমিনারে বক্তব্য দেন।
বক্তারা বলেন, অপরাধ ‘মানুষের কারণে’ নয় বরং ‘পরিবেশগত কারণে’ বেশি ঘটে—এ ধারণার ওপর ভিত্তি করে কমিউনিটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। সেমিনারে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সামাজিক যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষত তরুণদের সম্পৃক্ততা, বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক টহল দল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের রুট ম্যাপিং এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার পর্যবেক্ষণে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ক্রমেই কমিউনিটি সেফটি নেটওয়ার্ককে শক্তিশালী করছে বলে বক্তারা উল্লেখ করেন। বক্তারা অপরাধ কারণ তত্ত্ব এবং অপরাধ সুযোগ তত্ত্বের পার্থক্য ব্যাখ্যা করে বলেন, পার্ক, পথচারী পথ, অবহেলিত এলাকা ও অন্ধকার স্থানগুলো নজরদারি না থাকায় এসব এলাকায় অপরাধ বেশি হয়।
সেমিনারের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ‘মিইমাই’ অপরাধ প্রতিরোধ অ্যাপ উপস্থাপন। এ অ্যাপের মাধ্যমে নাগরিকেরা নিরাপদ ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করতে, তাৎক্ষণিকভাবে তথ্য দিতে এবং ঝুঁকিপূর্ণ পথ এড়িয়ে চলার পথ নির্বাচন করতে পারেন। এটি সাধারণ হাঁটার মধ্যেই পর্যবেক্ষণ ও সতর্কতার একটি সংস্কৃতি তৈরি করে। বিজ্ঞপ্তি
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ইদ আল ইতিহাদ উদ্যাপনের অংশ হিসেবে দেশটির শাসকেরা এ ক্ষমার ঘোষণা দেন। এ সময় বিভিন্ন দেশের হাজারো বন্দিকেও ক্ষমার আওতায় আনা হয়। প্রতি বছর জাতীয় দিবস ও ঈদসহ গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে আমিরাতের শাসকেরা দণ্ডপ্রাপ্তদের রাজকীয় ক্ষমা দিয়ে থাকেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে ভুয়া খবরের ‘বন্যা ও পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি’ ছড়ানো হয়েছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রতিশ্রুতিতে অটল। অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা শেষে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে।
২০২৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তিউনিশিয়া উপকূলে পৌঁছানোর আগেই নৌকাটি ডুবে গেলে ৮ বাংলাদেশি নাগরিক মারা যান। তারা হলেন সজল বৈরাগী, মামুন শেখ, নয়ন বিশ্বাস, কাজী সজিব, কায়সার খলিফা, মো. রিফাত শেখ, রাসেল শেখ এবং ইমরুল কায়েস আপন।
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।