
প্রতিবেদক, বিডিজেন

মালয়েশিয়ায় উগ্রবাদী মতাদর্শ ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে আটক ৩৬ বাংলাদেশির মধ্যে অধিকাংশ ব্যক্তিকে ফেরত পাঠানো হতে পারে। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) ঢাকায় এ কথা বলেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, মালয়েশিয়ায় আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে সেখানে তদন্ত চলছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে।
এ পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, সম্ভবত যাদের আটক করা হয়েছে, তাদের অধিকাংশকে ফেরত পাঠানো হবে। যাদের ফেরত পাঠানো হবে, তারা বাংলাদেশে ফিরে আসার পর এখানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এ বিষয়ে তদন্ত করবে।
মালয়েশিয়ার জোহর, সেলাঙ্গরসহ বিভিন্ন স্থানে গত ২৪ জুন থেকে পরিচালিত নিরাপত্তা অভিযানে এই ৩৬ ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
মালয়েশিয়ার গণমাধ্যমে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি সাইফুদ্দিন নাসুতন ইসমাইলের দেওয়া বক্তব্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ৩৬ জনের মধ্যে ৫ জনকে মালয়েশিয়ার দণ্ডবিধির ষষ্ঠ অধ্যায় অনুযায়ী সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে সরাসরি জড়িত বলে শনাক্ত করা হয়েছে। এই ৫ জনকে এরই মধ্যে শাহ আলম ও জোহর বাহরুর সেশন কোর্টে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অন্যদের মধ্যে ১৫ জনকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্য ১৬ জনের এই উগ্রবাদী তৎপরতার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে আরও তদন্ত হচ্ছে। আটক ব্যক্তিদের কেউ কেউ ইসলামিক স্টেট (আইএস) মতাদর্শের ভিত্তিতে উগ্রবাদী বিশ্বাসকে মালয়েশিয়ায় ছড়িয়ে দিচ্ছিলেন—এমন অভিযোগ আনা হয়েছে।
আরও পড়ুন

মালয়েশিয়ায় উগ্রবাদী মতাদর্শ ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে আটক ৩৬ বাংলাদেশির মধ্যে অধিকাংশ ব্যক্তিকে ফেরত পাঠানো হতে পারে। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) ঢাকায় এ কথা বলেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, মালয়েশিয়ায় আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে সেখানে তদন্ত চলছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে।
এ পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, সম্ভবত যাদের আটক করা হয়েছে, তাদের অধিকাংশকে ফেরত পাঠানো হবে। যাদের ফেরত পাঠানো হবে, তারা বাংলাদেশে ফিরে আসার পর এখানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এ বিষয়ে তদন্ত করবে।
মালয়েশিয়ার জোহর, সেলাঙ্গরসহ বিভিন্ন স্থানে গত ২৪ জুন থেকে পরিচালিত নিরাপত্তা অভিযানে এই ৩৬ ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
মালয়েশিয়ার গণমাধ্যমে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি সাইফুদ্দিন নাসুতন ইসমাইলের দেওয়া বক্তব্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ৩৬ জনের মধ্যে ৫ জনকে মালয়েশিয়ার দণ্ডবিধির ষষ্ঠ অধ্যায় অনুযায়ী সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে সরাসরি জড়িত বলে শনাক্ত করা হয়েছে। এই ৫ জনকে এরই মধ্যে শাহ আলম ও জোহর বাহরুর সেশন কোর্টে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অন্যদের মধ্যে ১৫ জনকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্য ১৬ জনের এই উগ্রবাদী তৎপরতার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে আরও তদন্ত হচ্ছে। আটক ব্যক্তিদের কেউ কেউ ইসলামিক স্টেট (আইএস) মতাদর্শের ভিত্তিতে উগ্রবাদী বিশ্বাসকে মালয়েশিয়ায় ছড়িয়ে দিচ্ছিলেন—এমন অভিযোগ আনা হয়েছে।
আরও পড়ুন
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।