
আব্দুস সবুর

শহিদুল ইসলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাসিন্দা। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জীবিকার উদ্দেশ্যে সৌদি আরব গমন করেন। দাম্মাম বিমানবন্দরে পৌঁছার পর সেখানে নিয়োজিত দেশটির ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা তাকে দেশে ফেরত পাঠায়। শহিদুল ‘মাদার লাভ এয়ার ট্রাভেলস’ (আরএল–১৮১১) নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সৌদি আরব গিয়েছিলেন। ফিরে আসার কিছুদিন পর তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোতে (বিএমইিট) অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু এরপর ৬ মাস পেরিয়ে গেছে। এখনো তিনি কোনো সমাধান পাননি।
শুধু তিনি একা নন, ২০২৫ সালজুড়ে বিএমইটিতে বিভিন্ন রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে ৪ হাজার ৭০৩টি অভিযোগ জমা পড়ে। এর মধ্যে নিষ্পন্ন অভিযোগের সংখ্যা ২ হাজার ৫৪টি। যা মোট অভিযোগের ৪৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ। অর্ধেকেরও বেশি অর্থাৎ ৫৬ দশমিক ৩২ শতাংশ অভিযোগই বছর শেষে অনিষ্পন্ন রয়ে গেছে।
অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা জানান, নানা কারণে বিএমইটিতে অভিযোগ সমাধানে ধীরগতি লক্ষ করা যায়। এখানে স্থায়ী লিগ্যাল সেল, দক্ষ লোকবল ও আইনজীবী না থাকায় অভিযোগ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে অন্যতম প্রতিবন্ধক।
বিএমইটির মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট শাখার তথ্যমতে, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ৫৮২টি, ফেব্রুয়ারিতে ৬০৯টি, মার্চে ৩৩২টি, এপ্রিলে ২৭৭টি, মেতে ৩৮৭টি, জুনে ২১৮টি, জুলাইয়ে ৪২৩টি, আগস্টে ৪৫২টি, সেপ্টেম্বরে ৪৩১টি, অক্টোবরে ৩৫৬টি, নভেম্বরে ৩৪৫টি ও ডিসেম্বরে ২৯১টি অভিযোগ জমা পড়ে। মোট অভিযোগের সংখ্যা ৪ হাজার ৭০৩টি।
অন্যদিকে জানুয়ারিতে ৬০টি. ফেব্রুয়ারিতে ২০৭টি, মার্চে ৭৩টি, এপ্রিলে ৯৩ট, মেতে ২০৮টি, জুনে ১৬১টি, জুলাইয়ে ১৭৬. আগস্টে ২৯০টি, সেপ্টেম্বরে ১৭২টি, অক্টোবরে ১৭৪টি, নভেম্বরে ২০৭টি ও ডিসেম্বরে ২৩৩টি অভিযোগের নিষ্পত্তি হয়েছে।
সৌদি আরব ফেরত শহিদুল বলেন, আমি ঋণ করে সৌদি গিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পর আমার ভিসা জাল হিসেবে বলা হয়। এটির পর সৌদি এয়ারর্পোট থেকেই আমার নিজের টিকিট কেটে দেশে ফেরত আসতে হয়। আসার পর এজেন্সির কাছে সমস্যা নিয়ে গেলে তারা আরও গালিগালাজ ও হুমকি দেয়। বাধ্য হয়ে বিএমইিট ও মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করেছি। তবে অভিযোগ করার পরও কোনো সমাধান পাচ্ছি না।
অভিবাসন ও শরণার্থীবিষয়ক বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত ছিল, এই খাতের বিভিন্ন অভিযোগ ও এজেন্সিগুলোর কর্মকাণ্ড সার্বিকভাবে মূল্যায়ন করার পাশাপাশি অভিযোগগুলো পর্যালোচনা করে এজেন্সিগুলোর মার্কিং করে দেওয়া। যাতে সাধারণ মানুষদের এজেন্সি সম্পর্কে বুঝতে সুবিধা হয়।
তিনি আরও বলেন, দেশের গ্রাম এলাকা থেকে কর্মীরা বিদেশ যায়। তাই প্রয়োজন ছিল বড় রিক্রুটিং এজেন্সির শাখা অফিস ঢাকার বাইরে করার ব্যাপারে সরকারিভাবে নির্দেশনা দেওয়া। এতে সমস্যা কমে আসত। এসব কিছু না করার ফলে এই খাত আরও দুর্বল হবে।
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) পরিচালক–কর্মসংস্থান (উপসচিব) মো. তানজিল্লুর রহমান বলেন, আমরা সব সময় চেষ্টা করি অভিযোগগুলোর সমাধান করতে। কিন্তু অনেক বিষয়ে তদন্ত করতে হয় বলে দেরি হয়। এ ছাড়া. আমাদের সমাধান পছন্দ না হলে অভিযোগকারীর অভিযোগ মন্ত্রণালয়েও স্থানান্তর করা হয়।

শহিদুল ইসলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাসিন্দা। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জীবিকার উদ্দেশ্যে সৌদি আরব গমন করেন। দাম্মাম বিমানবন্দরে পৌঁছার পর সেখানে নিয়োজিত দেশটির ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা তাকে দেশে ফেরত পাঠায়। শহিদুল ‘মাদার লাভ এয়ার ট্রাভেলস’ (আরএল–১৮১১) নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সৌদি আরব গিয়েছিলেন। ফিরে আসার কিছুদিন পর তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোতে (বিএমইিট) অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু এরপর ৬ মাস পেরিয়ে গেছে। এখনো তিনি কোনো সমাধান পাননি।
শুধু তিনি একা নন, ২০২৫ সালজুড়ে বিএমইটিতে বিভিন্ন রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে ৪ হাজার ৭০৩টি অভিযোগ জমা পড়ে। এর মধ্যে নিষ্পন্ন অভিযোগের সংখ্যা ২ হাজার ৫৪টি। যা মোট অভিযোগের ৪৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ। অর্ধেকেরও বেশি অর্থাৎ ৫৬ দশমিক ৩২ শতাংশ অভিযোগই বছর শেষে অনিষ্পন্ন রয়ে গেছে।
অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা জানান, নানা কারণে বিএমইটিতে অভিযোগ সমাধানে ধীরগতি লক্ষ করা যায়। এখানে স্থায়ী লিগ্যাল সেল, দক্ষ লোকবল ও আইনজীবী না থাকায় অভিযোগ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে অন্যতম প্রতিবন্ধক।
বিএমইটির মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট শাখার তথ্যমতে, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ৫৮২টি, ফেব্রুয়ারিতে ৬০৯টি, মার্চে ৩৩২টি, এপ্রিলে ২৭৭টি, মেতে ৩৮৭টি, জুনে ২১৮টি, জুলাইয়ে ৪২৩টি, আগস্টে ৪৫২টি, সেপ্টেম্বরে ৪৩১টি, অক্টোবরে ৩৫৬টি, নভেম্বরে ৩৪৫টি ও ডিসেম্বরে ২৯১টি অভিযোগ জমা পড়ে। মোট অভিযোগের সংখ্যা ৪ হাজার ৭০৩টি।
অন্যদিকে জানুয়ারিতে ৬০টি. ফেব্রুয়ারিতে ২০৭টি, মার্চে ৭৩টি, এপ্রিলে ৯৩ট, মেতে ২০৮টি, জুনে ১৬১টি, জুলাইয়ে ১৭৬. আগস্টে ২৯০টি, সেপ্টেম্বরে ১৭২টি, অক্টোবরে ১৭৪টি, নভেম্বরে ২০৭টি ও ডিসেম্বরে ২৩৩টি অভিযোগের নিষ্পত্তি হয়েছে।
সৌদি আরব ফেরত শহিদুল বলেন, আমি ঋণ করে সৌদি গিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পর আমার ভিসা জাল হিসেবে বলা হয়। এটির পর সৌদি এয়ারর্পোট থেকেই আমার নিজের টিকিট কেটে দেশে ফেরত আসতে হয়। আসার পর এজেন্সির কাছে সমস্যা নিয়ে গেলে তারা আরও গালিগালাজ ও হুমকি দেয়। বাধ্য হয়ে বিএমইিট ও মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করেছি। তবে অভিযোগ করার পরও কোনো সমাধান পাচ্ছি না।
অভিবাসন ও শরণার্থীবিষয়ক বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত ছিল, এই খাতের বিভিন্ন অভিযোগ ও এজেন্সিগুলোর কর্মকাণ্ড সার্বিকভাবে মূল্যায়ন করার পাশাপাশি অভিযোগগুলো পর্যালোচনা করে এজেন্সিগুলোর মার্কিং করে দেওয়া। যাতে সাধারণ মানুষদের এজেন্সি সম্পর্কে বুঝতে সুবিধা হয়।
তিনি আরও বলেন, দেশের গ্রাম এলাকা থেকে কর্মীরা বিদেশ যায়। তাই প্রয়োজন ছিল বড় রিক্রুটিং এজেন্সির শাখা অফিস ঢাকার বাইরে করার ব্যাপারে সরকারিভাবে নির্দেশনা দেওয়া। এতে সমস্যা কমে আসত। এসব কিছু না করার ফলে এই খাত আরও দুর্বল হবে।
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) পরিচালক–কর্মসংস্থান (উপসচিব) মো. তানজিল্লুর রহমান বলেন, আমরা সব সময় চেষ্টা করি অভিযোগগুলোর সমাধান করতে। কিন্তু অনেক বিষয়ে তদন্ত করতে হয় বলে দেরি হয়। এ ছাড়া. আমাদের সমাধান পছন্দ না হলে অভিযোগকারীর অভিযোগ মন্ত্রণালয়েও স্থানান্তর করা হয়।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।