
বিডিজেন ডেস্ক

ইরান-ইসরায়েলের সংঘাতের মধ্যে তেহরানে অবস্থানরত প্রায় ৪০০ বাংলাদেশির অধিকাংশই নিরাপদ স্থানে সরে গেছেন। এরই মধ্যে দেশে ফিরে আসতে ১০০ জনের মতো দূতাবাসে যোগাযোগ করেছেন। তাদের তালিকা চূড়ান্ত করে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
খবর প্রথম আলোর।
জানতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম প্রথম আলোক বলেন, তেহরানে ৪০০ জনের মতো বাংলাদেশির মধ্যে এ পর্যন্ত ১০০ জন যোগাযোগ করেছেন। এখন তাদের কীভাবে কোন পথে ফেরানো যায়, সে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তাদের তৃতীয় কোনো দেশের মাধ্যমে ফেরত আনার অংশ হিসেবে পাকিস্তান কিংবা তুরস্কে নেওয়া হতে পারে। সব মিলিয়ে যে দেশ থেকে ফেরানো সুবিধা তৃতীয় ওই দেশ থেকে লোকজনকে দেশে ফেরানো হবে।
সচিব বলেন, ‘বাংলাদেশ দূতাবাস হটলাইন চালু করায় দেশে ফিরতে আগ্রহীদের সংখ্যা ইরানের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে বাড়তে পারে। বর্তমানে ইন্টারনেট বন্ধ আছে, তবে টেলিফোনে সম্ভবত যোগাযোগ চালু আছে। বাকিদের তথ্য দূতাবাসের কাছে নেই, তবে যেহেতু হটলাইন চালু আছে, তারা চাইলেই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।’
তেহরানের বাইরে বাংলাদেশিদের অবস্থানের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বন্দর আব্বাসে বাংলাদেশি আছেন। যদিও সেখানে (বন্দর আব্বাস) তারা এখনো যুদ্ধাক্রান্ত হননি। তারা যদি ভবিষ্যতে সহায়তা চান, তাহলেও দেওয়া হবে।
ইরানে অবস্থানরত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মঞ্জুরুল করিম খানের বরাত দিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, তেহরানে ইসরায়েলের নানামুখী হামলা হলেও সেখানকার কেন্দ্রস্থল ইউসেফ আবাদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এখন পর্যন্ত অক্ষত রয়েছে।
তবে কর্মকর্তারা জানান, ইরানের রাজধানী তেহরান এবং আশপাশের এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ফলে আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল থেকে দূতাবাসের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের যোগাযোগের ক্ষেত্রে কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়েছে।
জানা গেছে, ইরানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতসহ দূতাবাসের সব কর্মকর্তা ও তাদের পরিবার এবং প্রবাসী কর্মকর্তারা যারা তেহরানে ছিলেন, তারাও নিরাপদ স্থানে চলে গেছেন। দূতাবাস তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।
সূত্র: প্রথম আলো

ইরান-ইসরায়েলের সংঘাতের মধ্যে তেহরানে অবস্থানরত প্রায় ৪০০ বাংলাদেশির অধিকাংশই নিরাপদ স্থানে সরে গেছেন। এরই মধ্যে দেশে ফিরে আসতে ১০০ জনের মতো দূতাবাসে যোগাযোগ করেছেন। তাদের তালিকা চূড়ান্ত করে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
খবর প্রথম আলোর।
জানতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম প্রথম আলোক বলেন, তেহরানে ৪০০ জনের মতো বাংলাদেশির মধ্যে এ পর্যন্ত ১০০ জন যোগাযোগ করেছেন। এখন তাদের কীভাবে কোন পথে ফেরানো যায়, সে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তাদের তৃতীয় কোনো দেশের মাধ্যমে ফেরত আনার অংশ হিসেবে পাকিস্তান কিংবা তুরস্কে নেওয়া হতে পারে। সব মিলিয়ে যে দেশ থেকে ফেরানো সুবিধা তৃতীয় ওই দেশ থেকে লোকজনকে দেশে ফেরানো হবে।
সচিব বলেন, ‘বাংলাদেশ দূতাবাস হটলাইন চালু করায় দেশে ফিরতে আগ্রহীদের সংখ্যা ইরানের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে বাড়তে পারে। বর্তমানে ইন্টারনেট বন্ধ আছে, তবে টেলিফোনে সম্ভবত যোগাযোগ চালু আছে। বাকিদের তথ্য দূতাবাসের কাছে নেই, তবে যেহেতু হটলাইন চালু আছে, তারা চাইলেই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।’
তেহরানের বাইরে বাংলাদেশিদের অবস্থানের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বন্দর আব্বাসে বাংলাদেশি আছেন। যদিও সেখানে (বন্দর আব্বাস) তারা এখনো যুদ্ধাক্রান্ত হননি। তারা যদি ভবিষ্যতে সহায়তা চান, তাহলেও দেওয়া হবে।
ইরানে অবস্থানরত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মঞ্জুরুল করিম খানের বরাত দিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, তেহরানে ইসরায়েলের নানামুখী হামলা হলেও সেখানকার কেন্দ্রস্থল ইউসেফ আবাদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এখন পর্যন্ত অক্ষত রয়েছে।
তবে কর্মকর্তারা জানান, ইরানের রাজধানী তেহরান এবং আশপাশের এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ফলে আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল থেকে দূতাবাসের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের যোগাযোগের ক্ষেত্রে কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়েছে।
জানা গেছে, ইরানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতসহ দূতাবাসের সব কর্মকর্তা ও তাদের পরিবার এবং প্রবাসী কর্মকর্তারা যারা তেহরানে ছিলেন, তারাও নিরাপদ স্থানে চলে গেছেন। দূতাবাস তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।
সূত্র: প্রথম আলো
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”