
বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে অবস্থানের অভিযোগে আটক হওয়া বাংলাদেশের একদল নাগরিককে ঢাকায় পাঠিয়ে দিচ্ছে দেশটির সরকার। একটি সামরিক বিমানে আজ শনিবার (২ আগস্ট) তাদের ঢাকা পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
খবর আজকের পত্রিকার।
বাংলাদেশের একজন কূটনীতিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে অবৈধ হয়ে ধরা পড়া বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশেও প্রতি মাসে কিছু মানুষকে ফিরতে হচ্ছে। আজ যে দলটি ঢাকায় পৌঁছাবে, তাতে ঠিক কতজনকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরতে হচ্ছে, সে বিষয়ে সংশয় রয়েছে।
এই কর্মকর্তা আরও জানান, যাদের সেখানে আটক করা হয়, সবাইকে একবারে পাঠানো হয় না। বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় পরিচয় ও নাগরিকত্ব যাচাই করে তারপর পাঠানো হয়। এবার কমবেশি ৫০ জন ফিরতে পারেন—এমন একটি কথা যুক্তরাষ্ট্র জানালেও বাস্তবে সম্ভবত ফিরবেন অনেক কম। তিনি জানান, এর আগে ৮৩ জনকে একবারে পাঠানোর কথা বললেও সেবার এসেছে দুই ডজনের মতো।
এবার যে দলকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে পাঠানো হচ্ছে, তাদের বিষয়ে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ মিশন ইতিমধ্যে ঢাকায় স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছে, তাদের নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক বিমানের আজ সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
মিশনের একজন কূটনীতিক জানান, আটক হওয়া ব্যক্তির বৈধ পাসপোর্ট থাকলে তাঁকে দ্রুত পাঠানো হচ্ছে। মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্ট থাকলে বাংলাদেশ মিশন থেকে একমুখী ট্রাভেল পারমিট (টিপি) দেওয়ার পর পাঠানো হচ্ছে। আর যাদের পরিচয় শনাক্ত করার মতো পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র বা অন্য কোনো প্রমাণপত্র নেই, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তাদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা গেলে তারপর টিপি দেওয়া হচ্ছে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে অবস্থানের অভিযোগে আটক হওয়া বাংলাদেশের একদল নাগরিককে ঢাকায় পাঠিয়ে দিচ্ছে দেশটির সরকার। একটি সামরিক বিমানে আজ শনিবার (২ আগস্ট) তাদের ঢাকা পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
খবর আজকের পত্রিকার।
বাংলাদেশের একজন কূটনীতিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে অবৈধ হয়ে ধরা পড়া বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশেও প্রতি মাসে কিছু মানুষকে ফিরতে হচ্ছে। আজ যে দলটি ঢাকায় পৌঁছাবে, তাতে ঠিক কতজনকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরতে হচ্ছে, সে বিষয়ে সংশয় রয়েছে।
এই কর্মকর্তা আরও জানান, যাদের সেখানে আটক করা হয়, সবাইকে একবারে পাঠানো হয় না। বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় পরিচয় ও নাগরিকত্ব যাচাই করে তারপর পাঠানো হয়। এবার কমবেশি ৫০ জন ফিরতে পারেন—এমন একটি কথা যুক্তরাষ্ট্র জানালেও বাস্তবে সম্ভবত ফিরবেন অনেক কম। তিনি জানান, এর আগে ৮৩ জনকে একবারে পাঠানোর কথা বললেও সেবার এসেছে দুই ডজনের মতো।
এবার যে দলকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে পাঠানো হচ্ছে, তাদের বিষয়ে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ মিশন ইতিমধ্যে ঢাকায় স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছে, তাদের নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক বিমানের আজ সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
মিশনের একজন কূটনীতিক জানান, আটক হওয়া ব্যক্তির বৈধ পাসপোর্ট থাকলে তাঁকে দ্রুত পাঠানো হচ্ছে। মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্ট থাকলে বাংলাদেশ মিশন থেকে একমুখী ট্রাভেল পারমিট (টিপি) দেওয়ার পর পাঠানো হচ্ছে। আর যাদের পরিচয় শনাক্ত করার মতো পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র বা অন্য কোনো প্রমাণপত্র নেই, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তাদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা গেলে তারপর টিপি দেওয়া হচ্ছে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
বৈঠক শেষে সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, “যেসব পোস্টাল ব্যালট বিভিন্নভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও আকার আসছে—বাসায় ২০০-৩০০ করে ব্যালট পাওয়া যাচ্ছে—কোথাও কোথাও জব্দ করা হচ্ছে।…প্রবাসীদের ভোটদানের এই নিয়মটা এই প্রথম এক্সারসাইজ হচ্ছে।
শবিফুল হাসান লিখেছেন, দেশে ফেরত আসা কর্মীদের ভাষ্যমতে, একই দিনে সৌদি এয়ারলাইনসের (SV812) একটি ফ্লাইটে সৌদি প্রশাসন প্রায় ৪০০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে ডিপোর্ট করে ঢাকায় পাঠায়।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে বকচর বিওপির একটি টহলদল বকচর সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের ভেতরে অভিযান চালায়। এ সময় পাচারকারী শাহিন আলীসহ চারজনকে আটক করা হয়।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, অভিবাসী ভিসা স্থগিতের ব্যাপারে আমেরিকা কতগুলো কারণ দিয়েছে। সেই কারণগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে এটা গতকালই মাত্র এসেছে। কাজেই আমরা নিশ্চয়ই আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আমাদের নিরাপত্তা উপদেষ্টা যারা আছেন, তারা এটা নিয়ে একটা কর্মকৌশল বের করবেন; আমেরিকাকে যুক্ত করবেন।