

প্রতিবেদক, বিডিজেন

অবৈধ পথে ইতালি যাওয়ার সময় ৮ বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় মানবপাচার চক্রের দুই সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত চক্রের দুই সদস্যকে গতকাল (১২ জানুয়ারি) মাদারীপুর জেলার রাজৈর থানাধীন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন, গুরুদাস বারই ও মো. মোতালেব মাতব্বর।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, গ্রেপ্তার অভিযুক্তরা আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত এবং এজাহারনামীয় মূল পাচারকারীদের নির্দেশে অর্থ ও লোক সংগ্রহের কাজ করছিল। তারা ভুক্তভোগীদের বিদেশে পাচারের পুরো প্রক্রিয়ায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত ছিল।
২০২৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তিউনিশিয়া উপকূলে পৌঁছানোর আগেই নৌকাটি ডুবে গেলে ৮ বাংলাদেশি নাগরিকের মারা যান। তারা হলেন সজল বৈরাগী, মামুন শেখ, নয়ন বিশ্বাস, কাজী সজিব, কায়সার খলিফা, মো. রিফাত শেখ, রাসেল শেখ এবং ইমরুল কায়েস আপন।
নৌকাডুবির পর নিহতদের মধ্যে চারজনের মরদেহ গাবেস বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল এবং অন্য চারজনের মরদেহ জেব্রা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে সংরক্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে সরকারি প্রক্রিয়ায় মরদেহগুলো বাংলাদেশে আনা হয় এবং স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ঘটনার পর নিহত সজল বৈরাগীর পিতা সুনিল বৈরাগী বাদী হয়ে ঢাকা মহানগরের বিমানবন্দর থানা থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য পলাতক ও অজ্ঞাতনামা সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে সিআইডি।

অবৈধ পথে ইতালি যাওয়ার সময় ৮ বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় মানবপাচার চক্রের দুই সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত চক্রের দুই সদস্যকে গতকাল (১২ জানুয়ারি) মাদারীপুর জেলার রাজৈর থানাধীন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন, গুরুদাস বারই ও মো. মোতালেব মাতব্বর।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, গ্রেপ্তার অভিযুক্তরা আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত এবং এজাহারনামীয় মূল পাচারকারীদের নির্দেশে অর্থ ও লোক সংগ্রহের কাজ করছিল। তারা ভুক্তভোগীদের বিদেশে পাচারের পুরো প্রক্রিয়ায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত ছিল।
২০২৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তিউনিশিয়া উপকূলে পৌঁছানোর আগেই নৌকাটি ডুবে গেলে ৮ বাংলাদেশি নাগরিকের মারা যান। তারা হলেন সজল বৈরাগী, মামুন শেখ, নয়ন বিশ্বাস, কাজী সজিব, কায়সার খলিফা, মো. রিফাত শেখ, রাসেল শেখ এবং ইমরুল কায়েস আপন।
নৌকাডুবির পর নিহতদের মধ্যে চারজনের মরদেহ গাবেস বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল এবং অন্য চারজনের মরদেহ জেব্রা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে সংরক্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে সরকারি প্রক্রিয়ায় মরদেহগুলো বাংলাদেশে আনা হয় এবং স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ঘটনার পর নিহত সজল বৈরাগীর পিতা সুনিল বৈরাগী বাদী হয়ে ঢাকা মহানগরের বিমানবন্দর থানা থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য পলাতক ও অজ্ঞাতনামা সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে সিআইডি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ইদ আল ইতিহাদ উদ্যাপনের অংশ হিসেবে দেশটির শাসকেরা এ ক্ষমার ঘোষণা দেন। এ সময় বিভিন্ন দেশের হাজারো বন্দিকেও ক্ষমার আওতায় আনা হয়। প্রতি বছর জাতীয় দিবস ও ঈদসহ গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে আমিরাতের শাসকেরা দণ্ডপ্রাপ্তদের রাজকীয় ক্ষমা দিয়ে থাকেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে ভুয়া খবরের ‘বন্যা ও পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি’ ছড়ানো হয়েছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রতিশ্রুতিতে অটল। অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা শেষে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে।
২০২৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তিউনিশিয়া উপকূলে পৌঁছানোর আগেই নৌকাটি ডুবে গেলে ৮ বাংলাদেশি নাগরিক মারা যান। তারা হলেন সজল বৈরাগী, মামুন শেখ, নয়ন বিশ্বাস, কাজী সজিব, কায়সার খলিফা, মো. রিফাত শেখ, রাসেল শেখ এবং ইমরুল কায়েস আপন।
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।