
বিডিজেন ডেস্ক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার ভিসার মেয়াদ বাড়িয়েছে ভারত। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ভারতে যাওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত সে দেশেই অবস্থান করছেন শেখ হাসিনা।
খবর ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের।
বাংলাদেশ শেখ হাসিনার পাসপোর্ট বাতিল করেছে। গতকাল মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৯৭ জনের পাসপোর্ট বাতিল করা হয়েছে।
এর পরপরই হিন্দুস্তান টাইমস খবর প্রকাশ করে যে, শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানের মেয়াদ তথা ভিসার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। আবার কিছু গণমাধ্যম বলছে, ভারত হাসিনার রেসিডেন্ট পারমিটের মেয়াদ বাড়িয়েছে।
এদিকে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর একটি নোট ভারবাল বা অস্বাক্ষরিত কূটনৈতিক চিঠির মাধ্যমে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হাসিনাকে প্রত্যর্পণের আবেদন জানিয়েছে।
মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ফেরত পাঠাতে ভারতের কাছে বাংলাদেশ চিঠি পাঠিয়েছে বলে ২৩ ডিসেম্বর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন সাংবাদিকদের জানান।
আরও পড়ুন

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার ভিসার মেয়াদ বাড়িয়েছে ভারত। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ভারতে যাওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত সে দেশেই অবস্থান করছেন শেখ হাসিনা।
খবর ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের।
বাংলাদেশ শেখ হাসিনার পাসপোর্ট বাতিল করেছে। গতকাল মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৯৭ জনের পাসপোর্ট বাতিল করা হয়েছে।
এর পরপরই হিন্দুস্তান টাইমস খবর প্রকাশ করে যে, শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানের মেয়াদ তথা ভিসার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। আবার কিছু গণমাধ্যম বলছে, ভারত হাসিনার রেসিডেন্ট পারমিটের মেয়াদ বাড়িয়েছে।
এদিকে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর একটি নোট ভারবাল বা অস্বাক্ষরিত কূটনৈতিক চিঠির মাধ্যমে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হাসিনাকে প্রত্যর্পণের আবেদন জানিয়েছে।
মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ফেরত পাঠাতে ভারতের কাছে বাংলাদেশ চিঠি পাঠিয়েছে বলে ২৩ ডিসেম্বর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন সাংবাদিকদের জানান।
আরও পড়ুন
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।