
বিডিজেন ডেস্ক

রাজধানী ঢাকার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য অর্থসহায়তা চেয়ে প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে একটি পোস্ট দেওয়া হয়। সেটিকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠলে আজ মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দুপুরে পোস্টটি সরিয়ে ফেলা হয়।
খবর আজকের পত্রিকার।
পোস্টটিতে বলা হয়েছিল, ‘মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য যারা অর্থ সাহায্য করতে চান, তারা উপরোক্ত ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের উল্লেখিত নম্বরে তা জমা দিতে পারেন। হিসাবের নাম: প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল, চলতি হিসাব নম্বর-০১০৭৩৩০০৪০৯৩, সোনালী ব্যাংক লি., প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় করপোরেট শাখা।’
ফেসবুকে বেলা ২টার পর পোস্টটি দেওয়া হয় এবং তার কিছুক্ষণ পরই তা সরিয়ে নেওয়া হয়। তবে কী কারণে পোস্টটি মুছে ফেলা হলো—সে বিষয়ে পেজে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
একই সময় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপেও পোস্টটি শেয়ার করেন সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ। তবে এই গ্রুপে পোস্টটি এখনো রয়েছে।
গতকাল সোমবার ঢাকার দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভবনে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দুর্ঘটনায় ৩১ জন নিহত ও শতাধিক আহত হয়েছে। আহত ব্যক্তিদের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সরকারি একটি তহবিল থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য অর্থসহায়তার আহ্বান-সংক্রান্ত পোস্টটির উদ্দেশ্য নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন—কেন একটি জাতীয় ট্র্যাজেডির পরদিনই জনগণের কাছ থেকে সাহায্যের আবেদন করা হলো, যেখানে রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা, ত্রাণ ও চিকিৎসাব্যবস্থার জন্য বরাদ্দ থাকা উচিত।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় বা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পক্ষ থেকে এই পোস্ট ও তা সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
সূত্র: আজকের পত্রিকা

রাজধানী ঢাকার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য অর্থসহায়তা চেয়ে প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে একটি পোস্ট দেওয়া হয়। সেটিকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠলে আজ মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দুপুরে পোস্টটি সরিয়ে ফেলা হয়।
খবর আজকের পত্রিকার।
পোস্টটিতে বলা হয়েছিল, ‘মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য যারা অর্থ সাহায্য করতে চান, তারা উপরোক্ত ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের উল্লেখিত নম্বরে তা জমা দিতে পারেন। হিসাবের নাম: প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল, চলতি হিসাব নম্বর-০১০৭৩৩০০৪০৯৩, সোনালী ব্যাংক লি., প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় করপোরেট শাখা।’
ফেসবুকে বেলা ২টার পর পোস্টটি দেওয়া হয় এবং তার কিছুক্ষণ পরই তা সরিয়ে নেওয়া হয়। তবে কী কারণে পোস্টটি মুছে ফেলা হলো—সে বিষয়ে পেজে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
একই সময় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপেও পোস্টটি শেয়ার করেন সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ। তবে এই গ্রুপে পোস্টটি এখনো রয়েছে।
গতকাল সোমবার ঢাকার দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভবনে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দুর্ঘটনায় ৩১ জন নিহত ও শতাধিক আহত হয়েছে। আহত ব্যক্তিদের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সরকারি একটি তহবিল থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য অর্থসহায়তার আহ্বান-সংক্রান্ত পোস্টটির উদ্দেশ্য নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন—কেন একটি জাতীয় ট্র্যাজেডির পরদিনই জনগণের কাছ থেকে সাহায্যের আবেদন করা হলো, যেখানে রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা, ত্রাণ ও চিকিৎসাব্যবস্থার জন্য বরাদ্দ থাকা উচিত।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় বা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পক্ষ থেকে এই পোস্ট ও তা সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”