
বিডিজেন ডেস্ক

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সফল হওয়ায় আওয়ামী লীগের পতন হয়েছে। কিন্তু এরপর দেশে নতুন করে বৈষম্য শুরু হয়েছে। জাতীয় পার্টি নেতাদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে অন্যায় করা হচ্ছে।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জাতীয় পার্টি আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন দিয়ে ছাত্রদের আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছে বলে দাবি করেন তিনি।
জি এম কাদের বলেন, ‘তারপরও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় করা হত্যা মামলাগুলোতে জাতীয় পার্টি নেতাদের অভিযুক্ত করে হয়রানি করা হচ্ছে। এ অন্যায় আমরা মেনে নেব না।’
তিনি জানান, রংপুরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়ে জাতীয় পার্টির দুজন নেতা শহীদ হয়েছেন। অথচ রংপুরে ১১টি মিথ্যা মামলায় জাতীয় পার্টির অন্তত ৩৩ জন নেতা–কর্মী অভিযুক্ত হয়েছেন। তাদের অনেকেই গ্রেপ্তার হয়ে জেল খাটছেন।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানী ঢাকার বনানীতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে অনলাইন কর্মীদের সঙ্গে এবং ঢাকা বিভাগীয় জেলার নেতাদের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময় সভায় জি এম কাদের এসব কথা বলেন।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জি এম কাদের বলেন, ‘২০২৪ সালে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন শুরু হলে সঙ্গে সঙ্গে ছাত্রদের পাশে দাঁড়ায় জাতীয় পার্টি। ১ জুলাই রাজপথে ছাত্রদের আন্দোলন শুরু হয়। ৩ জুলাই দ্বাদশ সংসদের বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তৃতায় আমি বলেছিলাম, সরকারি চাকরিতে কোটাপদ্ধতির মাধ্যমে বৈষম্যমুক্ত ও ন্যায়বিচারভিত্তিক সমাজ গঠনের প্রক্রিয়া ধ্বংস করা হচ্ছে। কোনো পরিস্থিতিতে দেশের মানুষের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি কখনই মঙ্গল বয়ে আনে না।’
জি এম কাদের বলেন, ‘দেশের মানুষ কষ্টে আছে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণহীন, বেড়েছে বেকারত্বের সমস্যা। দেশের মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আমরা অন্তর্বর্তী সরকারকে সংস্কারের জন্য যৌক্তিক সময় দিতে চাই, যাতে তারা গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন শুধু নয়, একটি পরিবর্তিত রাষ্ট্রকাঠামো ও সংশোধিত শাসনব্যবস্থা উপহার দিতে পারে। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে মানুষের জানমালের নিরাপত্তা ও খাওয়া-পরার ব্যবস্থা সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে।’

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সফল হওয়ায় আওয়ামী লীগের পতন হয়েছে। কিন্তু এরপর দেশে নতুন করে বৈষম্য শুরু হয়েছে। জাতীয় পার্টি নেতাদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে অন্যায় করা হচ্ছে।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জাতীয় পার্টি আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন দিয়ে ছাত্রদের আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছে বলে দাবি করেন তিনি।
জি এম কাদের বলেন, ‘তারপরও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় করা হত্যা মামলাগুলোতে জাতীয় পার্টি নেতাদের অভিযুক্ত করে হয়রানি করা হচ্ছে। এ অন্যায় আমরা মেনে নেব না।’
তিনি জানান, রংপুরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়ে জাতীয় পার্টির দুজন নেতা শহীদ হয়েছেন। অথচ রংপুরে ১১টি মিথ্যা মামলায় জাতীয় পার্টির অন্তত ৩৩ জন নেতা–কর্মী অভিযুক্ত হয়েছেন। তাদের অনেকেই গ্রেপ্তার হয়ে জেল খাটছেন।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানী ঢাকার বনানীতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে অনলাইন কর্মীদের সঙ্গে এবং ঢাকা বিভাগীয় জেলার নেতাদের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময় সভায় জি এম কাদের এসব কথা বলেন।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জি এম কাদের বলেন, ‘২০২৪ সালে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন শুরু হলে সঙ্গে সঙ্গে ছাত্রদের পাশে দাঁড়ায় জাতীয় পার্টি। ১ জুলাই রাজপথে ছাত্রদের আন্দোলন শুরু হয়। ৩ জুলাই দ্বাদশ সংসদের বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তৃতায় আমি বলেছিলাম, সরকারি চাকরিতে কোটাপদ্ধতির মাধ্যমে বৈষম্যমুক্ত ও ন্যায়বিচারভিত্তিক সমাজ গঠনের প্রক্রিয়া ধ্বংস করা হচ্ছে। কোনো পরিস্থিতিতে দেশের মানুষের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি কখনই মঙ্গল বয়ে আনে না।’
জি এম কাদের বলেন, ‘দেশের মানুষ কষ্টে আছে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণহীন, বেড়েছে বেকারত্বের সমস্যা। দেশের মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আমরা অন্তর্বর্তী সরকারকে সংস্কারের জন্য যৌক্তিক সময় দিতে চাই, যাতে তারা গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন শুধু নয়, একটি পরিবর্তিত রাষ্ট্রকাঠামো ও সংশোধিত শাসনব্যবস্থা উপহার দিতে পারে। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে মানুষের জানমালের নিরাপত্তা ও খাওয়া-পরার ব্যবস্থা সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে।’
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।