
প্রতিবেদক, বিডিজেন

বাংলাদেশ সচিবালয় এবং প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’ ও আশপাশের এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ, গণজমায়েত, মিছিল ও শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, জনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশের ২৯ ধারায় দেওয়া ক্ষমতাবলে বৃহস্পতিবার থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সচিবালয়, প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের পার্শ্ববর্তী এলাকায় যেকোনো প্রকার সভা-সমাবেশ, গণজমায়েত, মিছিল ও শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের পার্শ্ববর্তী এলাকা বলতে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, শাহবাগ মোড়, কাকরাইল মোড় ও মিন্টো রোড এলাকা বোঝানো হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা ও সচিবালয় এলাকায় সম্প্রতি বিভিন্ন সময় বিক্ষোভ ও পদযাত্রাকে ঘিরে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১২ মার্চ) বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের দাবিতে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় যাওয়ার চেষ্টা করেন শিক্ষকেরা। এ সময় তাদের ওপর জলকামান নিক্ষেপ করেছে পুলিশ।

বাংলাদেশ সচিবালয় এবং প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’ ও আশপাশের এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ, গণজমায়েত, মিছিল ও শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, জনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশের ২৯ ধারায় দেওয়া ক্ষমতাবলে বৃহস্পতিবার থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সচিবালয়, প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের পার্শ্ববর্তী এলাকায় যেকোনো প্রকার সভা-সমাবেশ, গণজমায়েত, মিছিল ও শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের পার্শ্ববর্তী এলাকা বলতে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, শাহবাগ মোড়, কাকরাইল মোড় ও মিন্টো রোড এলাকা বোঝানো হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা ও সচিবালয় এলাকায় সম্প্রতি বিভিন্ন সময় বিক্ষোভ ও পদযাত্রাকে ঘিরে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১২ মার্চ) বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের দাবিতে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় যাওয়ার চেষ্টা করেন শিক্ষকেরা। এ সময় তাদের ওপর জলকামান নিক্ষেপ করেছে পুলিশ।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।