
বিডিজেন ডেস্ক

প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে প্রধান উপদেষ্টাকে জানিয়েছেন নির্বাচন সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার।
সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নিতে গঠিত সংস্কার কমিশনের প্রধানদের সঙ্গে সোমবার (৪ নভেম্বর) বৈঠক করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বৈঠকে সংস্কার কমিশনের প্রধানেরা কমিশনগুলোর কাজের অগ্রগতি জানান।
ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এ তথ্য জানিয়েছে।
বৈঠকে নির্বাচন সংস্কার কমিশনের কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন নির্বাচন সংস্কার কমিশন প্রধান বদিউল আলম মজুমদার। এ বিষয়ে বৈঠকে জানানো হয়, প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, অনুপস্থিত ভোটারদের জন্য পোস্টাল ব্যালট নিয়েও কাজ চলছে এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে ভোটার তালিকা সমন্বয় করা হচ্ছে। এ ছাড়া, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে জোর দিচ্ছে নির্বাচন সংস্কার কমিশন। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে অংশীদারদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হচ্ছে এবং পরামর্শ গ্রহণ করা হচ্ছে।
জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান আবদুল মুয়িদ চৌধুরী জানিয়েছেন, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের কাজ পুরোদমে শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সবার মতামত সংগ্রহ শুরু হয়েছে। কমিশনের সদস্যরা জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সফর করে জনসাধারণের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন।
এ ছাড়া জনপ্রশাসনের বিভিন্ন ক্যাডার প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় শুরু হয়েছে; যা চলমান রয়েছে। জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রতিবেদন পেশ করবে বলে জানানো হয়।
বৈঠকে পুলিশ সংস্কার কমিশনের কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন কমিশনপ্রধান সফর রাজ হোসেন। তিনি জানান যে পুলিশ সংস্কার কমিশন ইতিমধ্যে ১০টি সভা করেছে। পাশাপাশি অংশীজনদের সঙ্গে আরও চারটি বৈঠক করেছে। জনসাধারণের মতামত চেয়ে একটি প্রশ্নমালা প্রস্তুত করা হয়েছে; যা ইতিমধ্যে ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে। কিছু আইন ও বিধি সংশোধনের প্রস্তাব এসেছে যেগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। মব (উচ্ছৃঙ্খল জনতা) নিয়ন্ত্রণে বল প্রয়োগের পদ্ধতি পরিবর্তন করার প্রস্তাব নিয়েও কাজ চলছে। এ ছাড়া ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮–এর কিছু ধারা পরীক্ষা করা হচ্ছে এবং তা পরিবর্তন করা হবে কি না, সেটিও যাচাই করে দেখা হচ্ছে।

প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে প্রধান উপদেষ্টাকে জানিয়েছেন নির্বাচন সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার।
সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নিতে গঠিত সংস্কার কমিশনের প্রধানদের সঙ্গে সোমবার (৪ নভেম্বর) বৈঠক করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বৈঠকে সংস্কার কমিশনের প্রধানেরা কমিশনগুলোর কাজের অগ্রগতি জানান।
ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এ তথ্য জানিয়েছে।
বৈঠকে নির্বাচন সংস্কার কমিশনের কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন নির্বাচন সংস্কার কমিশন প্রধান বদিউল আলম মজুমদার। এ বিষয়ে বৈঠকে জানানো হয়, প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, অনুপস্থিত ভোটারদের জন্য পোস্টাল ব্যালট নিয়েও কাজ চলছে এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে ভোটার তালিকা সমন্বয় করা হচ্ছে। এ ছাড়া, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে জোর দিচ্ছে নির্বাচন সংস্কার কমিশন। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে অংশীদারদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হচ্ছে এবং পরামর্শ গ্রহণ করা হচ্ছে।
জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান আবদুল মুয়িদ চৌধুরী জানিয়েছেন, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের কাজ পুরোদমে শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সবার মতামত সংগ্রহ শুরু হয়েছে। কমিশনের সদস্যরা জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সফর করে জনসাধারণের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন।
এ ছাড়া জনপ্রশাসনের বিভিন্ন ক্যাডার প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় শুরু হয়েছে; যা চলমান রয়েছে। জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রতিবেদন পেশ করবে বলে জানানো হয়।
বৈঠকে পুলিশ সংস্কার কমিশনের কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন কমিশনপ্রধান সফর রাজ হোসেন। তিনি জানান যে পুলিশ সংস্কার কমিশন ইতিমধ্যে ১০টি সভা করেছে। পাশাপাশি অংশীজনদের সঙ্গে আরও চারটি বৈঠক করেছে। জনসাধারণের মতামত চেয়ে একটি প্রশ্নমালা প্রস্তুত করা হয়েছে; যা ইতিমধ্যে ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে। কিছু আইন ও বিধি সংশোধনের প্রস্তাব এসেছে যেগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। মব (উচ্ছৃঙ্খল জনতা) নিয়ন্ত্রণে বল প্রয়োগের পদ্ধতি পরিবর্তন করার প্রস্তাব নিয়েও কাজ চলছে। এ ছাড়া ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮–এর কিছু ধারা পরীক্ষা করা হচ্ছে এবং তা পরিবর্তন করা হবে কি না, সেটিও যাচাই করে দেখা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।