
প্রতিবেদক, বিডিজেন

বাংলাদেশ থেকে আগামী ২৯ এপ্রিল হজ ফ্লাইট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। তিনি জানান, অল্প কিছুদিনের মধ্যেই ভিসা প্রক্রিয়াকরণ সম্পন্ন হবে। হজযাত্রীরা আগামী ২৯ এপ্রিল থেকে হজের উদ্দেশ্যে ফ্লাইট শিডিউল মোতাবেক সৌদি আরব গমন করবেন।
আজ মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি।
আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫ হাজার ২০০ এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮১ হাজার ৯০০ বাংলাদেশি হজের জন্য নিবন্ধন করেছেন। ১৮ এপ্রিলের মধ্যে সকল হজযাত্রীর ভিসা সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, ‘হজযাত্রীদের প্রতি কিছু হজ এজেন্সির কমিটমেন্ট ও দায়বদ্ধতার অভাবে এখনো বেসরকারি মাধ্যমের ১০ হাজার ৪৮৬ হজযাত্রীকে নিয়ে আমরা শঙ্কার মধ্যে আছি। কোনো এজেন্সির অবহেলা বা গাফিলতির কারণে একজন হজযাত্রীও হজ করতে না পারলে সে দায় সংশ্লিষ্ট এজেন্সিকে নিতে হবে। এই দায় ধর্ম মন্ত্রণালয় বহন করবে না।’
খালিদ হোসেন আরও জানান, কোনো এজেন্সির অবহেলা ও দায়িত্বহীনতা ধর্ম মন্ত্রণালয় বরদাস্ত করবে না। প্রয়োজনে জামানাত বাতিল, ফৌজদারি মামলা করা হবে।

বাংলাদেশ থেকে আগামী ২৯ এপ্রিল হজ ফ্লাইট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। তিনি জানান, অল্প কিছুদিনের মধ্যেই ভিসা প্রক্রিয়াকরণ সম্পন্ন হবে। হজযাত্রীরা আগামী ২৯ এপ্রিল থেকে হজের উদ্দেশ্যে ফ্লাইট শিডিউল মোতাবেক সৌদি আরব গমন করবেন।
আজ মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি।
আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫ হাজার ২০০ এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮১ হাজার ৯০০ বাংলাদেশি হজের জন্য নিবন্ধন করেছেন। ১৮ এপ্রিলের মধ্যে সকল হজযাত্রীর ভিসা সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, ‘হজযাত্রীদের প্রতি কিছু হজ এজেন্সির কমিটমেন্ট ও দায়বদ্ধতার অভাবে এখনো বেসরকারি মাধ্যমের ১০ হাজার ৪৮৬ হজযাত্রীকে নিয়ে আমরা শঙ্কার মধ্যে আছি। কোনো এজেন্সির অবহেলা বা গাফিলতির কারণে একজন হজযাত্রীও হজ করতে না পারলে সে দায় সংশ্লিষ্ট এজেন্সিকে নিতে হবে। এই দায় ধর্ম মন্ত্রণালয় বহন করবে না।’
খালিদ হোসেন আরও জানান, কোনো এজেন্সির অবহেলা ও দায়িত্বহীনতা ধর্ম মন্ত্রণালয় বরদাস্ত করবে না। প্রয়োজনে জামানাত বাতিল, ফৌজদারি মামলা করা হবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।