
আব্দুস সবুর

অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে আরও ৩০টি রিক্রুটমেন্ট এজেন্সির লাইসেন্সের অনুমোদন দিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের বিদায়ী কর্মদিবসের তিন সপ্তাহ আগে এই অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। এর আগে অর্থনৈতিক শ্বেতপত্রের সুপারিশ উপেক্ষা করে ২৫২টি এজেন্সির লাইসেন্স অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রণালয়।
চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি মন্ত্রণালয়ের আশ্রাফ আহমেদ রাসেল স্বাক্ষরিত এক অনুমোদনে এজেন্সিগুলোর তালিকা দেখা যায়। আর এর আগে ২০২৫ সালের ৪ নভেম্বর ২৫২টি লাইসেন্সের অনুমোদন দিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছিল এই মন্ত্রণালয়। নতুন লাইসেন্স দেওয়ার কারণে এই খাতের অস্থিরতা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
নাম প্রকাশ না করে মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা (যুগ্ম সচিব) বলেন, সর্বশেষ ৩০টি লাইসেন্সের অনুমোদন আগের ২৫২টার সঙ্গে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ওই আবেদনকারীদের তদন্ত রিপোর্ট সম্পন্ন না হওয়ায় দেরিতে তাদের অনুমোদন হয়েছে।
লাইসেন্স পাওয়া ৩০টি এজেন্সি হলো- মেসার্স এমি ওয়ার্কফোর্স লিমিটেড, ট্রিপলিংক ওভারসীজ, মেটা ওভারসিজ, বেবেইলস ম্যানপাওয়ার এক্সপোর্ট, এন ই বিএল ওবারসিজ, অরিক্স সার্ভিসেস, দ্য ইউনিভারসেল রিক্রুটিং নেটওয়ার্ক, ইমার রিক্রুটমেন্ট সার্ভিস, আমেরিকা বাংলাদেশে ইন্টারন্যাশনাল, সুপ্রিম গ্লোবাল, এভেন্ট্রা রিক্রটিং সল্যুশন, সাইফ ইন্টারন্যাশনাল, জমজম গেটওয়ে, রিক্রুটিং এক্সপোর্ট লিমিটেড, সাউথ লিংক ওভারসিজ, বি এম ওভারসিজ, এনএইচবি লিমিটেড, এ কোম্পানি ইন্টারন্যাশনাল, মেসার্স ইজি ওভারসিজ, কায়ান ওভারসিজ, মাহবুব ওভারসিজ, বিসি বাজার বিডি লিমিটেড, স্পিরিট ওভারসিজ, ওয়ার্ল্ড ট্রিপ ইন্টারন্যাশনাল, শিখা ব্রাদার্স লিমিটেড, মোহাম্মদপুর ইন্টারন্যাশনাল এবং ফ্রেন্ডস রিক্রুটমেন্ট ওয়ার্ল্ড।
আরও পড়ুন

অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে আরও ৩০টি রিক্রুটমেন্ট এজেন্সির লাইসেন্সের অনুমোদন দিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের বিদায়ী কর্মদিবসের তিন সপ্তাহ আগে এই অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। এর আগে অর্থনৈতিক শ্বেতপত্রের সুপারিশ উপেক্ষা করে ২৫২টি এজেন্সির লাইসেন্স অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রণালয়।
চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি মন্ত্রণালয়ের আশ্রাফ আহমেদ রাসেল স্বাক্ষরিত এক অনুমোদনে এজেন্সিগুলোর তালিকা দেখা যায়। আর এর আগে ২০২৫ সালের ৪ নভেম্বর ২৫২টি লাইসেন্সের অনুমোদন দিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছিল এই মন্ত্রণালয়। নতুন লাইসেন্স দেওয়ার কারণে এই খাতের অস্থিরতা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
নাম প্রকাশ না করে মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা (যুগ্ম সচিব) বলেন, সর্বশেষ ৩০টি লাইসেন্সের অনুমোদন আগের ২৫২টার সঙ্গে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ওই আবেদনকারীদের তদন্ত রিপোর্ট সম্পন্ন না হওয়ায় দেরিতে তাদের অনুমোদন হয়েছে।
লাইসেন্স পাওয়া ৩০টি এজেন্সি হলো- মেসার্স এমি ওয়ার্কফোর্স লিমিটেড, ট্রিপলিংক ওভারসীজ, মেটা ওভারসিজ, বেবেইলস ম্যানপাওয়ার এক্সপোর্ট, এন ই বিএল ওবারসিজ, অরিক্স সার্ভিসেস, দ্য ইউনিভারসেল রিক্রুটিং নেটওয়ার্ক, ইমার রিক্রুটমেন্ট সার্ভিস, আমেরিকা বাংলাদেশে ইন্টারন্যাশনাল, সুপ্রিম গ্লোবাল, এভেন্ট্রা রিক্রটিং সল্যুশন, সাইফ ইন্টারন্যাশনাল, জমজম গেটওয়ে, রিক্রুটিং এক্সপোর্ট লিমিটেড, সাউথ লিংক ওভারসিজ, বি এম ওভারসিজ, এনএইচবি লিমিটেড, এ কোম্পানি ইন্টারন্যাশনাল, মেসার্স ইজি ওভারসিজ, কায়ান ওভারসিজ, মাহবুব ওভারসিজ, বিসি বাজার বিডি লিমিটেড, স্পিরিট ওভারসিজ, ওয়ার্ল্ড ট্রিপ ইন্টারন্যাশনাল, শিখা ব্রাদার্স লিমিটেড, মোহাম্মদপুর ইন্টারন্যাশনাল এবং ফ্রেন্ডস রিক্রুটমেন্ট ওয়ার্ল্ড।
আরও পড়ুন
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”