
বিডিজেন ডেস্ক

নোয়াখালীতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানসহ চার আওয়ামী লীগ নেতাকে আটক করা হয়েছে। গতকাল শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে হাতিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
খবর প্রথম আলোর।
আটক ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার চরঈশ্বরের আলাউদ্দিন আজাদ (৬৪) এবং তমরুদ্দির সিরাজুল ইসলাম ওরফে রাকছান (২৪), আবদুল মাজেদ ওরফে পলাশ (৪৩) ও আবদুল জাহের (৩৯)। তাঁদের মধ্যে আলাউদ্দিন আজাদ চরঈশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান এবং আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন শাখার সভাপতি। অন্যরা আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন শাখার সদস্যপদে রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, ইউপি চেয়ারম্যান আজাদকে ওছখালী পুরোনো বাজারের ২ নম্বর ওয়ার্ড থেকে আটক করা হয়েছে। আর বাকি ৩ জনকে তমরদ্দি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের খাসেরহাট এলাকা থেকে আটক করা হয়। ৪ জনকে আটকের বিষয়টি হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, হাতিয়ায় গত বৃহস্পতিবার রাতে সংঘটিত সহিংস ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পরিচালিত অভিযানে ৪ জনকে আটক করা হয়।
সূত্র: প্রথম আলো

নোয়াখালীতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানসহ চার আওয়ামী লীগ নেতাকে আটক করা হয়েছে। গতকাল শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে হাতিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
খবর প্রথম আলোর।
আটক ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার চরঈশ্বরের আলাউদ্দিন আজাদ (৬৪) এবং তমরুদ্দির সিরাজুল ইসলাম ওরফে রাকছান (২৪), আবদুল মাজেদ ওরফে পলাশ (৪৩) ও আবদুল জাহের (৩৯)। তাঁদের মধ্যে আলাউদ্দিন আজাদ চরঈশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান এবং আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন শাখার সভাপতি। অন্যরা আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন শাখার সদস্যপদে রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, ইউপি চেয়ারম্যান আজাদকে ওছখালী পুরোনো বাজারের ২ নম্বর ওয়ার্ড থেকে আটক করা হয়েছে। আর বাকি ৩ জনকে তমরদ্দি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের খাসেরহাট এলাকা থেকে আটক করা হয়। ৪ জনকে আটকের বিষয়টি হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, হাতিয়ায় গত বৃহস্পতিবার রাতে সংঘটিত সহিংস ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পরিচালিত অভিযানে ৪ জনকে আটক করা হয়।
সূত্র: প্রথম আলো
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।