
প্রতিবেদক, বিডিজেন

মালয়েশিয়ায় পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা নেওয়ার পর সেখানে না পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে দুই রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে। জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোতে (বিএমইটি) ওই দুই এজেন্সির বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ দিয়েছেন ১০ ভুক্তভোগী। গত ১১ অক্টোবর অভিযোগ জমা দেন তারা।
অভিযুক্ত এজেন্সি দুটি হলো—মেসার্স মনছুর আলী ওভারসিজ ও মেসার্স মিরা ইন্টারন্যাশনাল। বিএমইটিতে একাধিকবার শুনানির পরও অভিযুক্ত দুই রিক্রুটিং এজেন্সি ভুক্তভোগীদের অর্থ ফেরত দেয়নি বলে জানা গেছে। সর্বশেষ গত সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) পূর্বনির্ধারিত তারিখে অর্থ ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও সেদিনও অর্থ পরিশোধ করেনি দুই এজেন্সি।
ভুক্তভোগীরা বিডিজেনকে জানান, তারা বিভিন্ন সময় ধাপে ধাপে প্রায় ৪ থেকে সাড়ে ৫ লাখ টাকা বগুড়ায় বসবাসকারী একজন দালালের মাধ্যমে রিক্রুটিং এজেন্সির কাছে জমা দিয়েছিলেন। ওই দালাল অভিযুক্ত দুই এজেন্সির হয়ে কাজ করেন। গত দুই বছরের বেশি সময়েও ভুক্তভোগীরা বিদেশ যেতে না পারায় বাধ্য হয়ে বিএমইটিতে অভিযোগ করেন। এখন জমা দেওয়া টাকা ফেরত পাওয়াই একমাত্র দাবি ভুক্তভোগীদের।
ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, মালয়েশিয়ার এক পরিচিত আত্মীয়ের কথা শুনে বগুড়ার আতিকুর রহমান নামের একজন দালালের কাছে ১০ জন টাকা দেন। দালাল আতিকুর ওই দুই এজেন্সির হয়ে কাজ করেন।
ভোলা জেলার বাসিন্দা ইব্রাহিম ১০ ভুক্তভোগীর একজন। তিনি বিডিজেনকে বলেন, আমি গ্রামের একজন মানুষ। আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ধার এবং গরু–ছাগল বিক্রি করে বিদেশ যাওয়ার জন্য সাড়ে ৪ লাখ টাকা দিয়েছিলাম। কিন্তু আমাকে বারবার ঘুরানো হয়েছে। এয়ারপোর্টে নিয়ে যাওয়ার পরও আবার ফিরিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। আমরা এখন সব হারিয়ে অসহায় হয়ে গেছি। আমরা কী করব বুঝতে পারছি না।
তিনি আরও বলেন, গত প্রায় দুই বছর ধরে আমাদের ঘুরানো হচ্ছে। আমরা আর তাদের বিশ্বাস করতে পারছি না। দ্রুতই আমরা টাকা ফেরত চাই।
শুধু তিনি একা নন, একই ধরনের অভিযোগ একাধিক ভুক্তভোগীর।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) শেলীনা আক্তার বিডিজেনকে বলেন, আমি অভিযোগের সত্যতা পেয়েছি। একাধিকবার অভিযুক্ত এজেন্সিদের ডেকে টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মনছুর ওভারসিজ টাকা ফেরত দিয়েছে। তবে মিরা ইন্টারন্যাশনালের টাকা ফেরত দেওয়ার তারিখ থাকলেও তারা দেয়নি। তাই অভিযোগ আরও উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।

মালয়েশিয়ায় পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা নেওয়ার পর সেখানে না পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে দুই রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে। জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোতে (বিএমইটি) ওই দুই এজেন্সির বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ দিয়েছেন ১০ ভুক্তভোগী। গত ১১ অক্টোবর অভিযোগ জমা দেন তারা।
অভিযুক্ত এজেন্সি দুটি হলো—মেসার্স মনছুর আলী ওভারসিজ ও মেসার্স মিরা ইন্টারন্যাশনাল। বিএমইটিতে একাধিকবার শুনানির পরও অভিযুক্ত দুই রিক্রুটিং এজেন্সি ভুক্তভোগীদের অর্থ ফেরত দেয়নি বলে জানা গেছে। সর্বশেষ গত সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) পূর্বনির্ধারিত তারিখে অর্থ ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও সেদিনও অর্থ পরিশোধ করেনি দুই এজেন্সি।
ভুক্তভোগীরা বিডিজেনকে জানান, তারা বিভিন্ন সময় ধাপে ধাপে প্রায় ৪ থেকে সাড়ে ৫ লাখ টাকা বগুড়ায় বসবাসকারী একজন দালালের মাধ্যমে রিক্রুটিং এজেন্সির কাছে জমা দিয়েছিলেন। ওই দালাল অভিযুক্ত দুই এজেন্সির হয়ে কাজ করেন। গত দুই বছরের বেশি সময়েও ভুক্তভোগীরা বিদেশ যেতে না পারায় বাধ্য হয়ে বিএমইটিতে অভিযোগ করেন। এখন জমা দেওয়া টাকা ফেরত পাওয়াই একমাত্র দাবি ভুক্তভোগীদের।
ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, মালয়েশিয়ার এক পরিচিত আত্মীয়ের কথা শুনে বগুড়ার আতিকুর রহমান নামের একজন দালালের কাছে ১০ জন টাকা দেন। দালাল আতিকুর ওই দুই এজেন্সির হয়ে কাজ করেন।
ভোলা জেলার বাসিন্দা ইব্রাহিম ১০ ভুক্তভোগীর একজন। তিনি বিডিজেনকে বলেন, আমি গ্রামের একজন মানুষ। আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ধার এবং গরু–ছাগল বিক্রি করে বিদেশ যাওয়ার জন্য সাড়ে ৪ লাখ টাকা দিয়েছিলাম। কিন্তু আমাকে বারবার ঘুরানো হয়েছে। এয়ারপোর্টে নিয়ে যাওয়ার পরও আবার ফিরিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। আমরা এখন সব হারিয়ে অসহায় হয়ে গেছি। আমরা কী করব বুঝতে পারছি না।
তিনি আরও বলেন, গত প্রায় দুই বছর ধরে আমাদের ঘুরানো হচ্ছে। আমরা আর তাদের বিশ্বাস করতে পারছি না। দ্রুতই আমরা টাকা ফেরত চাই।
শুধু তিনি একা নন, একই ধরনের অভিযোগ একাধিক ভুক্তভোগীর।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) শেলীনা আক্তার বিডিজেনকে বলেন, আমি অভিযোগের সত্যতা পেয়েছি। একাধিকবার অভিযুক্ত এজেন্সিদের ডেকে টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মনছুর ওভারসিজ টাকা ফেরত দিয়েছে। তবে মিরা ইন্টারন্যাশনালের টাকা ফেরত দেওয়ার তারিখ থাকলেও তারা দেয়নি। তাই অভিযোগ আরও উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”