
বিডিজেন ডেস্ক

সিলেটে শিশুদের ঝগড়া নিয়ে সংর্ঘষে নিহত হয়েছেন এক কাতারপ্রবাসী। সোমবার (১৭ মার্চ) কানাইঘাট উপজেলার রাজাগঞ্জ ইউনিয়েনের খালোপাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
কাতারপ্রবাসী রশিদ আহমদ ওই গ্রামের মৃত আনা মিয়ার ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, রশিদ এবং প্রতিবেশী রাজু ও সাজুর মধ্যে শিশুদের ঝগড়া নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এর জেরে সোমবার ভোর ৪টার দিকে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়।
এ সময় রশিদকে রাজু ও সাজু মারতে থাকেন। একপর্যায়ে ছুরিকাঘাত করা হয় রশিদকে। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আওয়াল বলেন, ‘এ ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি। কেউ আটকও হয়নি। অপরাধীদের ধরতে অভিযান চলছে।’

সিলেটে শিশুদের ঝগড়া নিয়ে সংর্ঘষে নিহত হয়েছেন এক কাতারপ্রবাসী। সোমবার (১৭ মার্চ) কানাইঘাট উপজেলার রাজাগঞ্জ ইউনিয়েনের খালোপাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
কাতারপ্রবাসী রশিদ আহমদ ওই গ্রামের মৃত আনা মিয়ার ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, রশিদ এবং প্রতিবেশী রাজু ও সাজুর মধ্যে শিশুদের ঝগড়া নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এর জেরে সোমবার ভোর ৪টার দিকে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়।
এ সময় রশিদকে রাজু ও সাজু মারতে থাকেন। একপর্যায়ে ছুরিকাঘাত করা হয় রশিদকে। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আওয়াল বলেন, ‘এ ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি। কেউ আটকও হয়নি। অপরাধীদের ধরতে অভিযান চলছে।’
শবিফুল হাসান লিখেছেন, দেশে ফেরত আসা কর্মীদের ভাষ্যমতে, একই দিনে সৌদি এয়ারলাইনসের (SV812) একটি ফ্লাইটে সৌদি প্রশাসন প্রায় ৪০০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে ডিপোর্ট করে ঢাকায় পাঠায়।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে বকচর বিওপির একটি টহলদল বকচর সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের ভেতরে অভিযান চালায়। এ সময় পাচারকারী শাহিন আলীসহ চারজনকে আটক করা হয়।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, অভিবাসী ভিসা স্থগিতের ব্যাপারে আমেরিকা কতগুলো কারণ দিয়েছে। সেই কারণগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে এটা গতকালই মাত্র এসেছে। কাজেই আমরা নিশ্চয়ই আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আমাদের নিরাপত্তা উপদেষ্টা যারা আছেন, তারা এটা নিয়ে একটা কর্মকৌশল বের করবেন; আমেরিকাকে যুক্ত করবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ইদ আল ইতিহাদ উদ্যাপনের অংশ হিসেবে দেশটির শাসকেরা এ ক্ষমার ঘোষণা দেন। এ সময় বিভিন্ন দেশের হাজারো বন্দিকেও ক্ষমার আওতায় আনা হয়। প্রতি বছর জাতীয় দিবস ও ঈদসহ গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে আমিরাতের শাসকেরা দণ্ডপ্রাপ্তদের রাজকীয় ক্ষমা দিয়ে থাকেন।