
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ টেস্ট সিরিজ চলাকালে দেড় শ রানের এক ইনিংস খেলে আচমকা অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিন বছর পর আরেকটি সিরিজের মাঝপথে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
২০২১ সালের জুলাইয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সে সিদ্ধান্তে ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন তৎকালীন বোর্ড সভাপতি। দল নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নাকি ভেস্তে দিয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ। তবে এবার এমন প্রতিক্রিয়া হয়তো দেখা যাবে না। ভারতের বিপক্ষে চলমান সিরিজের আগেই ৩৮ বছর বয়সী মাহমুদউল্লাহ কেন দলে, সে প্রশ্নও উঠেছিল।
জানা গিয়েছিল আজ মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরের ঘোষণা দেবেন মাহমুদউল্লাহ। দিল্লিতে থেকে এই ঘোষণা আসবে। আজ দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টির আগে ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে এসে নিজের অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন।
ভারতের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের আগে সাকিব আল হাসান জানিয়েছিলেন, শেষ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলে ফেলেছেন এবং টেস্ট ক্রিকেটেও তাঁকে আর মাত্র এক সিরিজে দেখা যাবে। সে ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই যেন আরেক সাবেক অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহও জানিয়ে দিলেন ভারতের বিপক্ষে চলতি সিরিজই তাঁর শেষ টি-টোয়েন্টি সিরিজ।
সে অনুযায়ী আগামীকাল দিল্লির টি-টোয়েন্টির পর ১২ অক্টোবর হায়দরাবাদেই শুধু দেখা যাবে মাহমুদউল্লাহকে। গতকাল প্রকাশিত সেই প্রতিবেদনে এটাও জানানো হয়েছে, আগেই ভারত সিরিজে বিদায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছেন মাহমুদউল্লাহ। এ ব্যাপারে বিসিবিকেও জানিয়েছেন নিজের সিদ্ধান্তের কথা।
২০০৭ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি অভিষেক। প্রতিপক্ষের মাঠে মাত্র ২ রান দিয়ে শুরু করলেও এই ফরম্যাটে বাংলাদেশের অন্যতম সফল ব্যাটসম্যান তিনি। আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের পক্ষে পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৩৯টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন মাহমুদউল্লাহ। ১১৭.৭৪ স্ট্রাইক রেটে ২৩.৪৮ গড়ে ২৩৯৫ রান করেছেন।
তাঁর চেয়ে বেশি রান আছে শুধু সাকিব আল হাসানের। আগামী দুই টি-টোয়েন্টিতে ১৫৭ রান নিতে পারলে এক্ষেত্রেও শীর্ষে চলে যাবেন । তবে বাস্তবে তা হয়তো হবে না। কারণ এই ফরম্যাটে ৮টি ফিফটি পেলেও মাহমুদউল্লাহর সর্বোচ্চ ইনিংসটি ৬৪ রানের।
২০১৮ সালে টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব পাওয়া মাহমুদউল্লাহ ২০২২ সালে দল থেকে বাদ পড়ার আগ পর্যন্ত ৪৩টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর অধীনেই সবচেয়ে বেশি ১৬টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ। তবে এক্ষেত্রেও তাঁর সঙ্গে লড়াইটা ছিল সাকিবের। ১৬টি জয় পেতে চার ম্যাচ কম প্রয়োজন হয়েছিল সাকিবের।

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ টেস্ট সিরিজ চলাকালে দেড় শ রানের এক ইনিংস খেলে আচমকা অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিন বছর পর আরেকটি সিরিজের মাঝপথে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
২০২১ সালের জুলাইয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সে সিদ্ধান্তে ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন তৎকালীন বোর্ড সভাপতি। দল নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নাকি ভেস্তে দিয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ। তবে এবার এমন প্রতিক্রিয়া হয়তো দেখা যাবে না। ভারতের বিপক্ষে চলমান সিরিজের আগেই ৩৮ বছর বয়সী মাহমুদউল্লাহ কেন দলে, সে প্রশ্নও উঠেছিল।
জানা গিয়েছিল আজ মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরের ঘোষণা দেবেন মাহমুদউল্লাহ। দিল্লিতে থেকে এই ঘোষণা আসবে। আজ দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টির আগে ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে এসে নিজের অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন।
ভারতের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের আগে সাকিব আল হাসান জানিয়েছিলেন, শেষ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলে ফেলেছেন এবং টেস্ট ক্রিকেটেও তাঁকে আর মাত্র এক সিরিজে দেখা যাবে। সে ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই যেন আরেক সাবেক অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহও জানিয়ে দিলেন ভারতের বিপক্ষে চলতি সিরিজই তাঁর শেষ টি-টোয়েন্টি সিরিজ।
সে অনুযায়ী আগামীকাল দিল্লির টি-টোয়েন্টির পর ১২ অক্টোবর হায়দরাবাদেই শুধু দেখা যাবে মাহমুদউল্লাহকে। গতকাল প্রকাশিত সেই প্রতিবেদনে এটাও জানানো হয়েছে, আগেই ভারত সিরিজে বিদায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছেন মাহমুদউল্লাহ। এ ব্যাপারে বিসিবিকেও জানিয়েছেন নিজের সিদ্ধান্তের কথা।
২০০৭ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি অভিষেক। প্রতিপক্ষের মাঠে মাত্র ২ রান দিয়ে শুরু করলেও এই ফরম্যাটে বাংলাদেশের অন্যতম সফল ব্যাটসম্যান তিনি। আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের পক্ষে পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৩৯টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন মাহমুদউল্লাহ। ১১৭.৭৪ স্ট্রাইক রেটে ২৩.৪৮ গড়ে ২৩৯৫ রান করেছেন।
তাঁর চেয়ে বেশি রান আছে শুধু সাকিব আল হাসানের। আগামী দুই টি-টোয়েন্টিতে ১৫৭ রান নিতে পারলে এক্ষেত্রেও শীর্ষে চলে যাবেন । তবে বাস্তবে তা হয়তো হবে না। কারণ এই ফরম্যাটে ৮টি ফিফটি পেলেও মাহমুদউল্লাহর সর্বোচ্চ ইনিংসটি ৬৪ রানের।
২০১৮ সালে টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব পাওয়া মাহমুদউল্লাহ ২০২২ সালে দল থেকে বাদ পড়ার আগ পর্যন্ত ৪৩টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর অধীনেই সবচেয়ে বেশি ১৬টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ। তবে এক্ষেত্রেও তাঁর সঙ্গে লড়াইটা ছিল সাকিবের। ১৬টি জয় পেতে চার ম্যাচ কম প্রয়োজন হয়েছিল সাকিবের।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।