
সংবাদদাতা, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে নির্মাণাধীন একটি ভবনের ৯ তলা থেকে পড়ে ৩ শ্রমিক নিহত হয়েছে।
শুক্রবার (১৮ জুলাই) বেলা সোয়া ১২টার দিকে কোতয়ালী থানা এলাকার রঙ্গম কনভেনশন সেন্টার–সংলগ্ন ভবনে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহত শ্রমিকেরা হলেন- নোয়াখালীর চরজব্বার এলাকার মো. হাসান, একই জেলার সুবর্ণচর এলাকার ফখরুল ইসলাম এবং আবুল কালামের ছেলে রাশেদ।
কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল করিম বলেন, ‘নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করার সময় ওপর থেকে পড়ে ৩ জন মারা গেছে।’
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরুল আলম আশেক বলেন, ‘গুরুতর আহত অবস্থায় ৩ জনকে হাসপাতালটিতে নেওয়া হলে ২ জনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। আর ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে রাশেদ মারা যায়।’
নিহতদের চমেক হাসপাতালে নিয়ে যান মো. আরিফ নামে আরেক শ্রমিক। তিনি জানান, ৯ তলায় দেয়াল প্লাস্টারের কাজ করছিলেন তারা। তিনি নিজেও ওই কাজ করছিলেন, তবে শরীর খারাপ করায় সকাল ১০টার দিকে নেমে পড়েন।
ওসি আব্দুল করিম জানান, নিহতদের লাশ চমেক হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

চট্টগ্রামে নির্মাণাধীন একটি ভবনের ৯ তলা থেকে পড়ে ৩ শ্রমিক নিহত হয়েছে।
শুক্রবার (১৮ জুলাই) বেলা সোয়া ১২টার দিকে কোতয়ালী থানা এলাকার রঙ্গম কনভেনশন সেন্টার–সংলগ্ন ভবনে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহত শ্রমিকেরা হলেন- নোয়াখালীর চরজব্বার এলাকার মো. হাসান, একই জেলার সুবর্ণচর এলাকার ফখরুল ইসলাম এবং আবুল কালামের ছেলে রাশেদ।
কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল করিম বলেন, ‘নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করার সময় ওপর থেকে পড়ে ৩ জন মারা গেছে।’
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরুল আলম আশেক বলেন, ‘গুরুতর আহত অবস্থায় ৩ জনকে হাসপাতালটিতে নেওয়া হলে ২ জনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। আর ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে রাশেদ মারা যায়।’
নিহতদের চমেক হাসপাতালে নিয়ে যান মো. আরিফ নামে আরেক শ্রমিক। তিনি জানান, ৯ তলায় দেয়াল প্লাস্টারের কাজ করছিলেন তারা। তিনি নিজেও ওই কাজ করছিলেন, তবে শরীর খারাপ করায় সকাল ১০টার দিকে নেমে পড়েন।
ওসি আব্দুল করিম জানান, নিহতদের লাশ চমেক হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।