
প্রতিবেদক, বিডিজেন

প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা আরও পৃথক ৩টি মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর বোন শেখ রেহানা, রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক, ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিসহ ৫৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার (১৩ এপ্রিল) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা পৃথক ৩টি মামলার অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ঢাকা মহানগরের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. জাকির হোসেন এ আদেশ দেন।
আদালত সূত্রগুলো বলছে, প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে পৃথক ৩টি মামলায় ৫৩ জনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক। আজ ওই অভিযোগপত্র আমলে নেওয়ার বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল। মামলার অভিযাগপত্রভুক্ত অভিযুক্ত শেখ হাসিনাসহ ৫৩ জন পলাতক থাকায় আদালত অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।
এর আগে প্লট দুর্নীতির আরও একটি মামলায় শেখ হাসিনা ও তাঁর মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে গত ১০ এপ্রিল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেওয়া হয়।
২০২৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের নামে বরাদ্দ নেওয়া প্লটের বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ অন্যদের বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা করে দুদক।
পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে রাজউকের পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ৬০ কাঠার প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে ৬ মামলা শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সাতজনের বিরুদ্ধে গত ১০ মার্চ অভিযোগপত্রের অনুমোদন দেয় দুদক।
পরে ৬টি মামলাতে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক। অভিযোগপত্রভুক্ত অবিযুক্তরা হলেন শেখ হাসিনা, তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানা, তাঁর মেয়ে ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিক, আজমিনা সিদ্দিক ও ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক।
দুদকের অভিযোগপত্রের তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাসহ তাঁদের পরিবারের সদস্যদের নামে পূর্বাচলে রাজউকের প্রতিটি ১০ কাঠা করে মোট ৬০ কাঠার প্লট বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে মামলায়।
ছাত্রজনতার আন্দোলনে ২৯২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। এরপর হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কেবল ঢাকার আদালত ও থানায় প্রায় ৩০০ মামলা হয়েছে।

প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা আরও পৃথক ৩টি মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর বোন শেখ রেহানা, রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক, ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিসহ ৫৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার (১৩ এপ্রিল) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা পৃথক ৩টি মামলার অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ঢাকা মহানগরের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. জাকির হোসেন এ আদেশ দেন।
আদালত সূত্রগুলো বলছে, প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে পৃথক ৩টি মামলায় ৫৩ জনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক। আজ ওই অভিযোগপত্র আমলে নেওয়ার বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল। মামলার অভিযাগপত্রভুক্ত অভিযুক্ত শেখ হাসিনাসহ ৫৩ জন পলাতক থাকায় আদালত অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।
এর আগে প্লট দুর্নীতির আরও একটি মামলায় শেখ হাসিনা ও তাঁর মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে গত ১০ এপ্রিল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেওয়া হয়।
২০২৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের নামে বরাদ্দ নেওয়া প্লটের বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ অন্যদের বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা করে দুদক।
পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে রাজউকের পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ৬০ কাঠার প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে ৬ মামলা শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সাতজনের বিরুদ্ধে গত ১০ মার্চ অভিযোগপত্রের অনুমোদন দেয় দুদক।
পরে ৬টি মামলাতে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক। অভিযোগপত্রভুক্ত অবিযুক্তরা হলেন শেখ হাসিনা, তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানা, তাঁর মেয়ে ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিক, আজমিনা সিদ্দিক ও ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক।
দুদকের অভিযোগপত্রের তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাসহ তাঁদের পরিবারের সদস্যদের নামে পূর্বাচলে রাজউকের প্রতিটি ১০ কাঠা করে মোট ৬০ কাঠার প্লট বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে মামলায়।
ছাত্রজনতার আন্দোলনে ২৯২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। এরপর হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কেবল ঢাকার আদালত ও থানায় প্রায় ৩০০ মামলা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।