
বিডিজেন ডেস্ক

অন্তর্বর্তী সরকার অন্যায়কারীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে কি না, এমন প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। যারা বিভিন্নভাবে ‘মব’ (দলবদ্ধ সহিংসতা) সৃষ্টি করে একটি পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইছে, সেখানে সরকারের কোনো প্রচ্ছন্ন প্রশ্রয় আছে কি না, সে প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।
খবর প্রথম আলোর।
পুরান ঢাকায় গত বুধবার জনসমক্ষে নৃশংস যে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, সে বিষয়টির প্রতি ইঙ্গিত করে তারেক রহমান বলেন, ‘এই প্রশ্ন আজকে আমাদের সবার এই সরকারের কাছে, কেন অন্যায়কারীদের প্রশ্রয় দিচ্ছে? তারা (সরকার) কেন আশ্রয় দিচ্ছে?...যে ঘটনাটি ঘটেছে আমরা খুব আশ্চর্যের সঙ্গে লক্ষ করেছি, যাকে দেখেছি স্ক্রিনে (ভিডিও ফুটেজে), যাকে দেখেছি হত্যা করছেন, তাঁকে কেন সরকার এখন পর্যন্ত অ্যারেস্ট করেনি?’
এ প্রসঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আরও বলেন, ‘আমরা কি তাহলে ধরে নেব যে যারা বিভিন্নভাবে মব সৃষ্টি করে একটি পরিস্থিতি তৈরি করতে চাচ্ছে, সেখানে সরকারের কোনো প্রচ্ছন্ন প্রশ্রয় আছে? প্রশাসনের কোনো প্রশ্রয় আছে? প্রশাসনের কারও কারও কোনো প্রশ্রয় আছে?’
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্রদলের যেসব নেতা-কর্মী শহীদ হয়েছেন, তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন তারেক রহমান। অনুষ্ঠানের আয়োজক বিএনপির ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
অনুষ্ঠানে তারেক রহমান বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারকে আমরা বরাবর বলেছি, অন্যায়কারী যেই হোক, আমরা প্রশ্রয় দেব না। কাজেই সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা হেফাজত করা, নিরাপত্তা দেওয়া।’
বিএনপি অপরাধীদের বিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, যে অন্যায় করবে, তার বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা হবে। অন্যায়কারী কখনো কোনো দলের লোক হতে পারে না।
বিএনপি এবং জাতীয়তাবাদী শক্তির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, স্বৈরাচারকে বিতাড়িত করার মাধ্যমে জনগণের এই বিজয় অর্জিত হয়েছে। কিন্তু ষড়যন্ত্র এখনো শেষ হয়ে যায়নি। ‘অদৃশ্য শত্রু’ আছে। ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হচ্ছে সেই অদৃশ্য শত্রু। ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি বিভিন্ন জায়গায়, বিভিন্ন কিছু হচ্ছে এবং আমরা খুব ভালো করে খেয়াল করছি কারা সুস্থ স্বাভাবিক পরিবেশকে বাধাগ্রস্ত করতে চাইছে।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত শহীদ পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ‘জোর গলায় প্রশ্ন তুলুন, আপনাদের যে স্বজনেরা আত্মত্যাগ করেছে, তাদের বিচার কেন আজ পর্যন্ত বিলম্বিত হচ্ছে? কারা মব সৃষ্টি করে বিলম্বিত করতে চাইছে? কারা এসব হত্যাকাণ্ড করছে?’
খুলনায় যুবদলের এক কর্মীকে হত্যা করার কথা উল্লেখ করে অনুষ্ঠানে তারেক রহমান বলেন, তার (যুবদল কর্মী) রগ কেটে দেওয়া হয়েছে কেন? সেটি নিয়ে কথা বলা হচ্ছে না কেন? সেই বিচারের দাবি করতে গেলে বলা হচ্ছে বিএনপি লাশ নিয়ে মিছিল করছে। এই প্রশ্নের জবাব সবাইকে খুঁজতে হবে; কারণ, এই প্রশ্নের জবাবগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশ অস্তিত্বের সম্পর্ক রয়েছে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম। সঞ্চালক ছিলেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন।
সূত্র: প্রথম আলো

অন্তর্বর্তী সরকার অন্যায়কারীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে কি না, এমন প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। যারা বিভিন্নভাবে ‘মব’ (দলবদ্ধ সহিংসতা) সৃষ্টি করে একটি পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইছে, সেখানে সরকারের কোনো প্রচ্ছন্ন প্রশ্রয় আছে কি না, সে প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।
খবর প্রথম আলোর।
পুরান ঢাকায় গত বুধবার জনসমক্ষে নৃশংস যে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, সে বিষয়টির প্রতি ইঙ্গিত করে তারেক রহমান বলেন, ‘এই প্রশ্ন আজকে আমাদের সবার এই সরকারের কাছে, কেন অন্যায়কারীদের প্রশ্রয় দিচ্ছে? তারা (সরকার) কেন আশ্রয় দিচ্ছে?...যে ঘটনাটি ঘটেছে আমরা খুব আশ্চর্যের সঙ্গে লক্ষ করেছি, যাকে দেখেছি স্ক্রিনে (ভিডিও ফুটেজে), যাকে দেখেছি হত্যা করছেন, তাঁকে কেন সরকার এখন পর্যন্ত অ্যারেস্ট করেনি?’
এ প্রসঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আরও বলেন, ‘আমরা কি তাহলে ধরে নেব যে যারা বিভিন্নভাবে মব সৃষ্টি করে একটি পরিস্থিতি তৈরি করতে চাচ্ছে, সেখানে সরকারের কোনো প্রচ্ছন্ন প্রশ্রয় আছে? প্রশাসনের কোনো প্রশ্রয় আছে? প্রশাসনের কারও কারও কোনো প্রশ্রয় আছে?’
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্রদলের যেসব নেতা-কর্মী শহীদ হয়েছেন, তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন তারেক রহমান। অনুষ্ঠানের আয়োজক বিএনপির ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
অনুষ্ঠানে তারেক রহমান বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারকে আমরা বরাবর বলেছি, অন্যায়কারী যেই হোক, আমরা প্রশ্রয় দেব না। কাজেই সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা হেফাজত করা, নিরাপত্তা দেওয়া।’
বিএনপি অপরাধীদের বিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, যে অন্যায় করবে, তার বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা হবে। অন্যায়কারী কখনো কোনো দলের লোক হতে পারে না।
বিএনপি এবং জাতীয়তাবাদী শক্তির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, স্বৈরাচারকে বিতাড়িত করার মাধ্যমে জনগণের এই বিজয় অর্জিত হয়েছে। কিন্তু ষড়যন্ত্র এখনো শেষ হয়ে যায়নি। ‘অদৃশ্য শত্রু’ আছে। ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হচ্ছে সেই অদৃশ্য শত্রু। ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি বিভিন্ন জায়গায়, বিভিন্ন কিছু হচ্ছে এবং আমরা খুব ভালো করে খেয়াল করছি কারা সুস্থ স্বাভাবিক পরিবেশকে বাধাগ্রস্ত করতে চাইছে।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত শহীদ পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ‘জোর গলায় প্রশ্ন তুলুন, আপনাদের যে স্বজনেরা আত্মত্যাগ করেছে, তাদের বিচার কেন আজ পর্যন্ত বিলম্বিত হচ্ছে? কারা মব সৃষ্টি করে বিলম্বিত করতে চাইছে? কারা এসব হত্যাকাণ্ড করছে?’
খুলনায় যুবদলের এক কর্মীকে হত্যা করার কথা উল্লেখ করে অনুষ্ঠানে তারেক রহমান বলেন, তার (যুবদল কর্মী) রগ কেটে দেওয়া হয়েছে কেন? সেটি নিয়ে কথা বলা হচ্ছে না কেন? সেই বিচারের দাবি করতে গেলে বলা হচ্ছে বিএনপি লাশ নিয়ে মিছিল করছে। এই প্রশ্নের জবাব সবাইকে খুঁজতে হবে; কারণ, এই প্রশ্নের জবাবগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশ অস্তিত্বের সম্পর্ক রয়েছে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম। সঞ্চালক ছিলেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন।
সূত্র: প্রথম আলো
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে বকচর বিওপির একটি টহলদল বকচর সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের ভেতরে অভিযান চালায়। এ সময় পাচারকারী শাহিন আলীসহ চারজনকে আটক করা হয়।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, অভিবাসী ভিসা স্থগিতের ব্যাপারে আমেরিকা কতগুলো কারণ দিয়েছে। সেই কারণগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে এটা গতকালই মাত্র এসেছে। কাজেই আমরা নিশ্চয়ই আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আমাদের নিরাপত্তা উপদেষ্টা যারা আছেন, তারা এটা নিয়ে একটা কর্মকৌশল বের করবেন; আমেরিকাকে যুক্ত করবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ইদ আল ইতিহাদ উদ্যাপনের অংশ হিসেবে দেশটির শাসকেরা এ ক্ষমার ঘোষণা দেন। এ সময় বিভিন্ন দেশের হাজারো বন্দিকেও ক্ষমার আওতায় আনা হয়। প্রতি বছর জাতীয় দিবস ও ঈদসহ গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে আমিরাতের শাসকেরা দণ্ডপ্রাপ্তদের রাজকীয় ক্ষমা দিয়ে থাকেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে ভুয়া খবরের ‘বন্যা ও পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি’ ছড়ানো হয়েছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রতিশ্রুতিতে অটল। অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা শেষে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে।