
বিডিজেন ডেস্ক

কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়ায় বাড়ির উঠান থেকে একটি অজগর উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। গতকাল রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে বাহারছাড়ার উত্তর শীলখালী এলাকার আবদুস শুক্কুরের বাড়ির উঠান থেকে অজগরটি উদ্ধার করা হয়।
খবর প্রথম আলোর।
বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, বাড়ির বাসিন্দারা অজগরটি দেখতে পেয়ে তাদের খবর দেয়। এরপর তারা ওই বাড়িতে গিয়ে অজগরটি উদ্ধার করেন। পরে গতকাল রাতেই ওই অজগরটি টেকনাফের জাহাজপুরা এলাকার গর্জনবনে অবমুক্ত করা হয়েছে।
বন বিভাগের শিলখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ প্রথম আলোকে বলেন, অজগরটি ২০ থেকে ২২ ফুট লম্বা। ওজন ১০০ কেজি। এলাকায় এর আগে এত বড় অজগরের বিচরণ দেখা যায়নি। উদ্ধার হওয়া অজগর ‘বার্মিজ পাইথন’ নামে পরিচিত বলেও জানান তিনি।
বন বিভাগের উদ্ধারকারীদের মধ্যে ছিলেন শামলাপুর গ্রামীণ সাধারণ বন (ভিসিএফ) সংরক্ষণ দলের সভাপতি আমীর মুহাম্মদ শাহজাহান।
তিনি বলেন, ২০১৯ সাল থেকে গতকাল রাত পর্যন্ত ২ হাজারের বেশি সাপ টেকনাফের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাঁরা উদ্ধার করেছেন।
সূত্র: প্রথম আলো

কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়ায় বাড়ির উঠান থেকে একটি অজগর উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। গতকাল রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে বাহারছাড়ার উত্তর শীলখালী এলাকার আবদুস শুক্কুরের বাড়ির উঠান থেকে অজগরটি উদ্ধার করা হয়।
খবর প্রথম আলোর।
বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, বাড়ির বাসিন্দারা অজগরটি দেখতে পেয়ে তাদের খবর দেয়। এরপর তারা ওই বাড়িতে গিয়ে অজগরটি উদ্ধার করেন। পরে গতকাল রাতেই ওই অজগরটি টেকনাফের জাহাজপুরা এলাকার গর্জনবনে অবমুক্ত করা হয়েছে।
বন বিভাগের শিলখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ প্রথম আলোকে বলেন, অজগরটি ২০ থেকে ২২ ফুট লম্বা। ওজন ১০০ কেজি। এলাকায় এর আগে এত বড় অজগরের বিচরণ দেখা যায়নি। উদ্ধার হওয়া অজগর ‘বার্মিজ পাইথন’ নামে পরিচিত বলেও জানান তিনি।
বন বিভাগের উদ্ধারকারীদের মধ্যে ছিলেন শামলাপুর গ্রামীণ সাধারণ বন (ভিসিএফ) সংরক্ষণ দলের সভাপতি আমীর মুহাম্মদ শাহজাহান।
তিনি বলেন, ২০১৯ সাল থেকে গতকাল রাত পর্যন্ত ২ হাজারের বেশি সাপ টেকনাফের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাঁরা উদ্ধার করেছেন।
সূত্র: প্রথম আলো
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।