
বিডিজেন ডেস্ক

লিবিয়ায় আটকে পড়া বাংলাদেশিদের ফেরত আনতে চলতি মার্চ মাসে ৩টি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা করেছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।
ত্রিপোলিতে নিয়োজিত বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, আগামী ১২ মার্চ লিবিয়ার মিসরাতা থেকে একটি (প্রথম) ফ্লাইট এবং ১৯ ও ২৬ মার্চ ত্রিপোলি থেকে যথাক্রমে ২টি (দ্বিতীয় ও তৃতীয়) ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।
দূতাবাস জানিয়েছে, আইওএম প্রাথমিকভাবে এই ৩টি প্রত্যাবাসন ফ্লাইটের সময়সূচি নির্ধারণ করেছে এবং প্রস্থান ভিসা (খুরুজ নিহাই) প্রাপ্তি ও লিবিয়ার কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমোদন গ্রহণসহ প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
আইওএম এই ফ্লাইটগুলোর মাধ্যমে ত্রিপোলি ও মিসরাতা থেকে নিবন্ধিত অভিবাসীদের প্রত্যাবাসন সহজতর করার লক্ষ্যে কাজ করছে।
এদিকে ত্রিপোলিতে নিয়োজিত বাংলাদেশ দূতাবাস বেনগাজি থেকে অন্য নিবন্ধিত অভিবাসী ও নতুন আগ্রহীদের নিরাপদে ও দ্রুত দেশে ফেরত আনতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
দূতাবাস সংশ্লিষ্ট সবাইকে আশ্বস্ত করে জানিয়েছে, বাংলাদেশি অভিবাসীদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার জন্য তারা সম্ভাব্য সব ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে।

লিবিয়ায় আটকে পড়া বাংলাদেশিদের ফেরত আনতে চলতি মার্চ মাসে ৩টি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা করেছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।
ত্রিপোলিতে নিয়োজিত বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, আগামী ১২ মার্চ লিবিয়ার মিসরাতা থেকে একটি (প্রথম) ফ্লাইট এবং ১৯ ও ২৬ মার্চ ত্রিপোলি থেকে যথাক্রমে ২টি (দ্বিতীয় ও তৃতীয়) ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।
দূতাবাস জানিয়েছে, আইওএম প্রাথমিকভাবে এই ৩টি প্রত্যাবাসন ফ্লাইটের সময়সূচি নির্ধারণ করেছে এবং প্রস্থান ভিসা (খুরুজ নিহাই) প্রাপ্তি ও লিবিয়ার কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমোদন গ্রহণসহ প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
আইওএম এই ফ্লাইটগুলোর মাধ্যমে ত্রিপোলি ও মিসরাতা থেকে নিবন্ধিত অভিবাসীদের প্রত্যাবাসন সহজতর করার লক্ষ্যে কাজ করছে।
এদিকে ত্রিপোলিতে নিয়োজিত বাংলাদেশ দূতাবাস বেনগাজি থেকে অন্য নিবন্ধিত অভিবাসী ও নতুন আগ্রহীদের নিরাপদে ও দ্রুত দেশে ফেরত আনতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
দূতাবাস সংশ্লিষ্ট সবাইকে আশ্বস্ত করে জানিয়েছে, বাংলাদেশি অভিবাসীদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার জন্য তারা সম্ভাব্য সব ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।