logo
খবর

কাঠগড়ায় নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে ছিলেন বিচারপতি খায়রুল, দুই হাত পেছনে নিয়ে পরানো হয় হাতকড়া

প্রতিবেদক, বিডিজেন২৫ জুলাই ২০২৫
Copied!
কাঠগড়ায় নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে ছিলেন বিচারপতি খায়রুল, দুই হাত পেছনে নিয়ে পরানো হয় হাতকড়া
এ বি এম খায়রুল হক। ছবি: সংগৃহীত

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যাত্রাবাড়ী থানার কিশোর আব্দুল কাইয়ূম আহাদ হত্যা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) রাতে শুনানি শেষে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছানাউল্লাহ এই আদেশ দেন।

এর আগে সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটের দিকে তাঁকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ পরিদর্শক খালেদ হাসান। এরপর ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে পুলিশের কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনির মধ্যদিয়ে তাঁকে এজলাসে ওঠানো হয়।

আদালতে সাবেক এই প্রধান বিচারপতির পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। বিচারপতি খায়রুল হক নিজেও আদালতে কিছু বলেননি। তিনি নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে ছিলেন। শুনানিতে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা যখন তাঁকে উদ্দেশ্য করে আদালতে কথা বলছিলেন; তিনি মাথা নিচু করে ছিলেন। আদালতে তিনি কোনো কথা বলেননি। আদালত চলাকালে ৮টা ১৫ মিনিট থেকে ৮টা ৩৬ মিনিটি পর্যন্ত নিশ্চুপ হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

বিচারপতি খায়রুল হককে আদালতে নেওয়া হয় পিঠে হাতকড়া পরিয়ে। তাঁর গায়ে ছিল বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট।

রাষ্ট্রপক্ষে মূলত শুনানি করেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ঢাকা ইউনিটের আহ্বায়ক মো. খোরশেদ আলম, ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি খুরশিদ মিয়া আলম, সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম এবং এম এ কালাম খান প্রমুখ।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা আদালতকে বলেন, এ টি এম খায়রুল হক আওয়ামী লীগের সময় নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি। বিভিন্ন মামলায় আইনগত দিক পর্যালোচনা না করে আওয়ামী লীগের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তিনি ছিলেন স্বৈরাচারের দোসর। তাঁর কারণে দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস হয়েছে। আর যে হত্যা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। তিনি এই হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা ও পরিকল্পনাকারী।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে যা বলা হয়েছে

তদন্ত কর্মকর্তা আবেদনে উল্লেখ করেছেন, এ বি এম খায়রুল হক একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি। তিনি জামিনে মুক্তি পেলে, মামলার তদন্ত কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি করবেন। এ ছাড়া তাঁকে মুক্তি দিলে ছাত্র জনতা ও রাজনৈতিক দলগুলো প্রতিবাদে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে।

বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের স্লোগান

এদিকে শুনানি শেষে আদালত চত্বরে সাবেক এই প্রধান বিচারপতির ফাঁসি চেয়ে স্লোগান দেয় আইনজীবীরা। এ সময় তারা বলেন, এই কুখ্যাত বিচারকের একমাত্র শাস্তি ফাঁসি।

এদিকে খায়রুল হককে আদালতে নেওয়া হবে এই সংবাদে বিএনপিপন্থী আইনজীবী ও বিক্ষুব্ধ জনতা আগে থেকে অবস্থান নেয়। এ সময় বিএনপিপন্থী আইনজীবী ও জনতা দুয়োধ্বনিসহ স্লোগান দিতে থাকে।

আরও দেখুন

লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক, দক্ষ জনশক্তি নিয়োগ বাড়ানোর আগ্রহ

লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক, দক্ষ জনশক্তি নিয়োগ বাড়ানোর আগ্রহ

বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

৪ দিন আগে

প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর সোমবার থেকে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত হয়েছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর সোমবার থেকে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত হয়েছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।

১০ দিন আগে

মালয়েশিয়া শ্রমবাজার দুর্নীতি: রিক্রুটিং এজেন্সি মালিকদের ব্যক্তিগত সম্পদ খতিয়ে দেখছে দুদক

মালয়েশিয়া শ্রমবাজার দুর্নীতি: রিক্রুটিং এজেন্সি মালিকদের ব্যক্তিগত সম্পদ খতিয়ে দেখছে দুদক

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

১১ দিন আগে

প্রবাসী শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর

প্রবাসী শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর

নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”

১১ দিন আগে