
বিডিজেন ডেস্ক

পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. ফজলুল কাদের। মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) পিকেএসএফের ১২তম ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে তাঁকে তিন বছরের জন্য নিয়োগ প্রদান করে পিকেএসএফের পরিচালনা পর্ষদ।
মো. ফজলুল কাদের ১৯৯০ সালের ১ অক্টোবর ম্যানেজমেন্ট এক্সিকিউটিভ হিসেবে পিকেএসএফে তাঁর চাকরিজীবন শুরু করেন।
তিনি ২০২১ সালের ৮ আগস্ট পিকেএসএফের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে পদোন্নতি পান। এ বছরের ২২ আগস্ট থেকে তিনি পিকেএসএফের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
মো. ফজলুল কাদের দীর্ঘ ৩৪ বছরের কর্মজীবনে পিকেএসএফের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশজুড়ে দুই শতাধিক ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার মাধ্যমে বাংলাদেশে ক্ষুদ্রঋণ খাতকে শক্তিশালী করার প্রয়াসে নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করেন। তিনি মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ) আইন, ২০০৬ প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং ২০১০ সালে এমআরএ বিধিমালা প্রণয়নে গঠিত তিন সদস্যের কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় পরামর্শক হিসেবে তিনি জিম্বাবুয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান, সৌদি আরব, বাহরাইন, জর্ডান ও মরক্কোয় কাজ করেছেন।
মো. ফজলুল কাদের ১৯৭৯ সালে তৎকালীন মোমেনশাহী ক্যাডেট কলেজ থেকে এসএসএসি এবং ১৯৮১ সালে মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ থেকে এইচএসএসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তিনি ১৯৮৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক এবং ১৯৮৮ সালে আইবিএ থেকে এমবিএ ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। পরবর্তীকালে, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড ইন্সটিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট, থাইল্যান্ডের এশিয়ান ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি, টেমেনস ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেডসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পেশাগত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
চাকুরিকালে মো. ফজলুল কাদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন সেমিনার ও কর্মশালায় ক্ষুদ্রঋণের সম্প্রসারণ ও নীতিকাঠামো প্রণয়ন, মাইক্রোইনস্যুরেন্স, ক্ষুদ্র উদ্যোগ উন্নয়ন ইত্যাদি বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন এবং প্যানেলিস্ট হিসেবে বিশ্লেষণী পর্যবেক্ষণ প্রদান করেছেন। এ ছাড়া, বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রশিক্ষণ একাডেমি, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট, আফ্রিকান-এশিয়ান রুরাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনসহ বিভিন্ন সুপ্রসিদ্ধ প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষক হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। বিজ্ঞপ্তি

পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. ফজলুল কাদের। মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) পিকেএসএফের ১২তম ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে তাঁকে তিন বছরের জন্য নিয়োগ প্রদান করে পিকেএসএফের পরিচালনা পর্ষদ।
মো. ফজলুল কাদের ১৯৯০ সালের ১ অক্টোবর ম্যানেজমেন্ট এক্সিকিউটিভ হিসেবে পিকেএসএফে তাঁর চাকরিজীবন শুরু করেন।
তিনি ২০২১ সালের ৮ আগস্ট পিকেএসএফের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে পদোন্নতি পান। এ বছরের ২২ আগস্ট থেকে তিনি পিকেএসএফের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
মো. ফজলুল কাদের দীর্ঘ ৩৪ বছরের কর্মজীবনে পিকেএসএফের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশজুড়ে দুই শতাধিক ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার মাধ্যমে বাংলাদেশে ক্ষুদ্রঋণ খাতকে শক্তিশালী করার প্রয়াসে নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করেন। তিনি মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ) আইন, ২০০৬ প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং ২০১০ সালে এমআরএ বিধিমালা প্রণয়নে গঠিত তিন সদস্যের কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় পরামর্শক হিসেবে তিনি জিম্বাবুয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান, সৌদি আরব, বাহরাইন, জর্ডান ও মরক্কোয় কাজ করেছেন।
মো. ফজলুল কাদের ১৯৭৯ সালে তৎকালীন মোমেনশাহী ক্যাডেট কলেজ থেকে এসএসএসি এবং ১৯৮১ সালে মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ থেকে এইচএসএসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তিনি ১৯৮৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক এবং ১৯৮৮ সালে আইবিএ থেকে এমবিএ ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। পরবর্তীকালে, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড ইন্সটিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট, থাইল্যান্ডের এশিয়ান ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি, টেমেনস ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেডসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পেশাগত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
চাকুরিকালে মো. ফজলুল কাদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন সেমিনার ও কর্মশালায় ক্ষুদ্রঋণের সম্প্রসারণ ও নীতিকাঠামো প্রণয়ন, মাইক্রোইনস্যুরেন্স, ক্ষুদ্র উদ্যোগ উন্নয়ন ইত্যাদি বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন এবং প্যানেলিস্ট হিসেবে বিশ্লেষণী পর্যবেক্ষণ প্রদান করেছেন। এ ছাড়া, বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রশিক্ষণ একাডেমি, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট, আফ্রিকান-এশিয়ান রুরাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনসহ বিভিন্ন সুপ্রসিদ্ধ প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষক হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। বিজ্ঞপ্তি
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ইদ আল ইতিহাদ উদ্যাপনের অংশ হিসেবে দেশটির শাসকেরা এ ক্ষমার ঘোষণা দেন। এ সময় বিভিন্ন দেশের হাজারো বন্দিকেও ক্ষমার আওতায় আনা হয়। প্রতি বছর জাতীয় দিবস ও ঈদসহ গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে আমিরাতের শাসকেরা দণ্ডপ্রাপ্তদের রাজকীয় ক্ষমা দিয়ে থাকেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে ভুয়া খবরের ‘বন্যা ও পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি’ ছড়ানো হয়েছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রতিশ্রুতিতে অটল। অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা শেষে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে।
২০২৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তিউনিশিয়া উপকূলে পৌঁছানোর আগেই নৌকাটি ডুবে গেলে ৮ বাংলাদেশি নাগরিক মারা যান। তারা হলেন সজল বৈরাগী, মামুন শেখ, নয়ন বিশ্বাস, কাজী সজিব, কায়সার খলিফা, মো. রিফাত শেখ, রাসেল শেখ এবং ইমরুল কায়েস আপন।
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।