
বিডিজেন ডেস্ক

রাজধানী ঢাকার উত্তরা পূর্ব থানার ২টি হত্যাচেষ্টা মামলা থেকে জামিনের পর কারামুক্ত হয়েছেন অভিনেত্রী শমী কায়সার।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কারামুক্ত হন তিনি।
অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক জাহাঙ্গীর কবির সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার বিচারপতি এ এস এম আবদুল মবিন ও বিচারপতি মো. জাবিদ হোসেন সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শমী কায়সারকে জামিন দেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট উত্তরার আজমপুর এলাকায় উত্তরা পূর্ব থানার অন্তর্গত এলাকায় বিক্ষোভের সময় আওয়ামী লীগ সমর্থকেরা গুলি চালায়। ওই সময় টঙ্গী সরকারি কলেজের ছাত্র জুবায়ের হাসান ইউসুফসহ আরও অনেকে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন। ২২ আগস্ট জুবায়ের থানায় গিয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ এবং আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে অজ্ঞাত অভিযুক্ত করে মামলা করেন।
শমী কায়সারও ওই মামলার অভিযুক্ত ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ নভেম্বর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী শমী কায়সারকে উত্তরার সেক্টর-৪-এর বাসা থেকে আটক করে। পরদিন তাঁকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

রাজধানী ঢাকার উত্তরা পূর্ব থানার ২টি হত্যাচেষ্টা মামলা থেকে জামিনের পর কারামুক্ত হয়েছেন অভিনেত্রী শমী কায়সার।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কারামুক্ত হন তিনি।
অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক জাহাঙ্গীর কবির সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার বিচারপতি এ এস এম আবদুল মবিন ও বিচারপতি মো. জাবিদ হোসেন সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শমী কায়সারকে জামিন দেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট উত্তরার আজমপুর এলাকায় উত্তরা পূর্ব থানার অন্তর্গত এলাকায় বিক্ষোভের সময় আওয়ামী লীগ সমর্থকেরা গুলি চালায়। ওই সময় টঙ্গী সরকারি কলেজের ছাত্র জুবায়ের হাসান ইউসুফসহ আরও অনেকে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন। ২২ আগস্ট জুবায়ের থানায় গিয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ এবং আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে অজ্ঞাত অভিযুক্ত করে মামলা করেন।
শমী কায়সারও ওই মামলার অভিযুক্ত ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ নভেম্বর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী শমী কায়সারকে উত্তরার সেক্টর-৪-এর বাসা থেকে আটক করে। পরদিন তাঁকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।