
সংবাদদাতা, সিলেট

চলমান অপারেশন ডেভিল হান্টে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের আরও ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সিলেট মহানগর পুলিশ (এসএমপি) বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে এসএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- ছাত্রলীগের জৈন্তাপুর কলেজ শাখার সভাপতি ইমরান আহমদ (৩১), সিলেট নগরীর বাগবাড়ির মৃত মো. জুয়েল আহমদের ছেলে ছাত্রলীগ কর্মী মো. সোহাগ (২৮), শাহপরাণ থানাধীন ধনকান্দি গ্রামের মৃত সুশীল বিশ্বাসের ছেলে ছাত্রলীগের জেলা শাখার সদস্য ইন্দ্রজিৎ বিশ্বাস (২৮), স্বেচ্ছাসেবকলীগের মহানগরীর ২৯ নম্বর ওয়ার্ড শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান (৫৪), খাদিমনগর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের ২নম্বর ওয়ার্ড শাখার কর্মী বাদশাহ মিয়া (৫০) ও জকিগঞ্জের হাতিডহর গ্রামের আবদুল লতিফের ছেলে জুয়েল আহমদ (২৬)।
গ্রেপ্তারদের মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

চলমান অপারেশন ডেভিল হান্টে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের আরও ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সিলেট মহানগর পুলিশ (এসএমপি) বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে এসএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- ছাত্রলীগের জৈন্তাপুর কলেজ শাখার সভাপতি ইমরান আহমদ (৩১), সিলেট নগরীর বাগবাড়ির মৃত মো. জুয়েল আহমদের ছেলে ছাত্রলীগ কর্মী মো. সোহাগ (২৮), শাহপরাণ থানাধীন ধনকান্দি গ্রামের মৃত সুশীল বিশ্বাসের ছেলে ছাত্রলীগের জেলা শাখার সদস্য ইন্দ্রজিৎ বিশ্বাস (২৮), স্বেচ্ছাসেবকলীগের মহানগরীর ২৯ নম্বর ওয়ার্ড শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান (৫৪), খাদিমনগর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের ২নম্বর ওয়ার্ড শাখার কর্মী বাদশাহ মিয়া (৫০) ও জকিগঞ্জের হাতিডহর গ্রামের আবদুল লতিফের ছেলে জুয়েল আহমদ (২৬)।
গ্রেপ্তারদের মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।