
প্রতিবেদক, বিডিজেন
বাংলাদেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বৃহস্পতিবার (২৯ মে) থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। জুয়েলারি মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বুধবার রাতে এই কর্মসূচি ঘোষণা করে।
সংগঠনটি জানিয়েছে, সমিতির সহসভাপতি রিপনুল হাসানকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
বাজুসের সাধারণ সম্পাদক বাদল চন্দ্র রায় স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাজুসের সহসভাপতি রিপনুল হাসানকে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলায় গতকাল (২৭ মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর তাঁতীবাজারের নিজ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বৃহস্পতিবার থেকে সারা দেশে সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।
বাংলাদেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বৃহস্পতিবার (২৯ মে) থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। জুয়েলারি মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বুধবার রাতে এই কর্মসূচি ঘোষণা করে।
সংগঠনটি জানিয়েছে, সমিতির সহসভাপতি রিপনুল হাসানকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
বাজুসের সাধারণ সম্পাদক বাদল চন্দ্র রায় স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাজুসের সহসভাপতি রিপনুল হাসানকে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলায় গতকাল (২৭ মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর তাঁতীবাজারের নিজ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বৃহস্পতিবার থেকে সারা দেশে সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।