
প্রতিবেদক, বিডিজেন
বাংলাদেশে এক দিনের ব্যবধানে সোনার দাম আবার বেড়েছে। গতকাল সোমবার (২১ এপ্রিল) স্থানীয় বাজারে সোনার দাম এক দফা বাড়ানোর পর আজ মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) আবার বাড়ানো হয়েছে।
এ দফায় ভরিতে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৩৪২ টাকা দাম বেড়েছে। তাতে ভালো মানের, অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম বেড়ে হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৭৮ হাজার টাকা। দেশের বাজারে এটিই এখন পর্যন্ত সোনার সর্বোচ্চ দাম।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) আজ মঙ্গলবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোনার দাম বাড়ানোর কথা জানায়। বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে আবার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন দাম আগামীকাল বুধবার থেকে কার্যকর হবে।
এর আগে গতকাল রাতে সোনার দাম ভরিতে ৪ হাজার ৭১৩ টাকা বাড়িয়েছিল বাজুস। তাতে প্রতি ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছিল ১ লাখ ৭২ হাজার ৫৪৬ টাকা। আজ পর্যন্ত দেশের বাজারে এটিই ছিল সোনার সর্বোচ্চ দাম।
বাজুসের তথ্য অনুসারে, চলতি মাসে এখন পর্যন্ত ৮ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৬ বার, কমেছে ২ বার। আর সর্বশেষ গত ২ দিনে দাম বেড়েছে ভরিতে ১০ হাজার টাকার বেশি।
বাজুসের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামীকাল বুধবার থেকে দেশের বাজারে হলমার্ক করা প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট মানের সোনা ১ লাখ ৭৭ হাজার ৮৮৮ টাকা, ২১ ক্যারেট ১ লাখ ৬৯ হাজার ৮০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫৪৩ টাকায় বিক্রি হবে। এ ছাড়া, সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম বেড়ে দাঁড়াবে ১ লাখ ২০ হাজার ৫১৩ টাকা।
এদিকে আজ পর্যন্ত প্রতি ভরি হলমার্ক করা ২২ ক্যারেট সোনা ১ লাখ ৭২ হাজার ৫৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেট ১ লাখ ৬৪ হাজার ৬৯৬ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৪১ হাজার ১৬৯ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির সোনা ১ লাখ ১৬ হাজার ৭৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
সে হিসাবে আগামীকাল থেকে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনায় ৫ হাজার ৩৪২ টাকা, ২১ ক্যারেটে ৫ হাজার ১০৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির সোনায় ৩ হাজার ৭৩৩ টাকা দাম বাড়বে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, সোনা ও রুপার বিক্রয় মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও সমিতির নির্ধারিত ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যুক্ত করতে হবে। গয়নার নকশা ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
আরও পড়ুন
বাংলাদেশে এক দিনের ব্যবধানে সোনার দাম আবার বেড়েছে। গতকাল সোমবার (২১ এপ্রিল) স্থানীয় বাজারে সোনার দাম এক দফা বাড়ানোর পর আজ মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) আবার বাড়ানো হয়েছে।
এ দফায় ভরিতে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৩৪২ টাকা দাম বেড়েছে। তাতে ভালো মানের, অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম বেড়ে হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৭৮ হাজার টাকা। দেশের বাজারে এটিই এখন পর্যন্ত সোনার সর্বোচ্চ দাম।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) আজ মঙ্গলবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোনার দাম বাড়ানোর কথা জানায়। বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে আবার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন দাম আগামীকাল বুধবার থেকে কার্যকর হবে।
এর আগে গতকাল রাতে সোনার দাম ভরিতে ৪ হাজার ৭১৩ টাকা বাড়িয়েছিল বাজুস। তাতে প্রতি ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছিল ১ লাখ ৭২ হাজার ৫৪৬ টাকা। আজ পর্যন্ত দেশের বাজারে এটিই ছিল সোনার সর্বোচ্চ দাম।
বাজুসের তথ্য অনুসারে, চলতি মাসে এখন পর্যন্ত ৮ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৬ বার, কমেছে ২ বার। আর সর্বশেষ গত ২ দিনে দাম বেড়েছে ভরিতে ১০ হাজার টাকার বেশি।
বাজুসের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামীকাল বুধবার থেকে দেশের বাজারে হলমার্ক করা প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট মানের সোনা ১ লাখ ৭৭ হাজার ৮৮৮ টাকা, ২১ ক্যারেট ১ লাখ ৬৯ হাজার ৮০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫৪৩ টাকায় বিক্রি হবে। এ ছাড়া, সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম বেড়ে দাঁড়াবে ১ লাখ ২০ হাজার ৫১৩ টাকা।
এদিকে আজ পর্যন্ত প্রতি ভরি হলমার্ক করা ২২ ক্যারেট সোনা ১ লাখ ৭২ হাজার ৫৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেট ১ লাখ ৬৪ হাজার ৬৯৬ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৪১ হাজার ১৬৯ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির সোনা ১ লাখ ১৬ হাজার ৭৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
সে হিসাবে আগামীকাল থেকে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনায় ৫ হাজার ৩৪২ টাকা, ২১ ক্যারেটে ৫ হাজার ১০৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির সোনায় ৩ হাজার ৭৩৩ টাকা দাম বাড়বে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, সোনা ও রুপার বিক্রয় মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও সমিতির নির্ধারিত ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যুক্ত করতে হবে। গয়নার নকশা ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
আরও পড়ুন
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।